Banglar Mati Banglar Jol: রাজ্যের প্রতিটি স্কুলের প্রার্থনা সংগীত এবার থেকে ‘বাংলার মাটি, বাংলার জল’, এল নির্দেশ

Banglar Mati Banglar Jol Have To Sing In School: বাংলার প্রতিটি স্কুলেই এবার থেকে গাইতে হবে রাজ্যসংগীত ‘বাংলার মাটি, বাংলার জল’। বৃহস্পতিবার এল এমনই এক নির্দেশ। পড়ুয়াদের মনে সম্প্রীতির বার্তা জোগানোর চেষ্টা?

Published on: Nov 6, 2025, 21:03:32 IST
Share
Share via
  • facebook
  • twitter
  • linkedin
Copy link
  • copy link

রাজ্যের প্রতিটি স্কুলে প্রার্থনা সংগীত সাধারণত আলাদা আলাদা হয়। স্কুলে স্কুলে এটাই বৈচিত্র্য। তবে এবার থেকে একরকমই হতে চলেছে রাজ্যের প্রত্যেকটি স্কুলের প্রার্থনার সঙ্গীত। বৃহস্পতিবার মধ্যশিক্ষা পর্ষদ থেকে একটি নোটিশ জারি করা হয়েছে। সেখানে বলা হয়েছে প্রতিটি স্কুলের প্রার্থনা সংগীত হিসেবে যেন ‘বাংলার মাটি বাংলার জল’ গাওয়া হয়। নির্দেশিকা অনুযায়ী, এই গানটিকে নিয়মিত গাইতে হবে। পাশাপাশি গানটিকে বাধ্যতামূলকও করা হয়েছে রাজ্যের প্রতিটি স্কুলের জন্য।

প্রতিটি স্কুলে গাইতে হবে ‘বাংলার মাটি, বাংলার জল’!  (ছবি - AI)
প্রতিটি স্কুলে গাইতে হবে ‘বাংলার মাটি, বাংলার জল’! (ছবি - AI)

প্রসঙ্গত, চলতি ১১ই ফেব্রুয়ারি পশ্চিমবঙ্গের রাজ্য সংগীত হিসেবে গৃহীত হয়েছিল রবীন্দ্রনাথের এই গান। ১৯০৫ সালে যখন সারা বাংলা উত্তাল বঙ্গভঙ্গ বিরোধী আন্দোলনে, সেই সময় রবীন্দ্রনাথ এই গান লেখেন। গানের প্রথম ও শেষ দুই লাইন মিলিয়ে মোট চার লাইনকে রাজ্য সঙ্গীত হিসেবে গ্রহণ করা হয়েছিল। নবান্নের তরফে নির্দেশিকা প্রকাশ করে জানিয়ে দেওয়া হয়েছিল, গানটির আনুমানিক গাওয়ার সময় এক মিনিট। জাতীয় সঙ্গীতের মতো করেই সমমর্যাদা দিয়ে এই গান গাইতে হবে। নবান্নের নির্দেশিকায় লেখা ছিল সে কথাও। ঘটনাচক্রে তখন থেকেই সব অনুষ্ঠান শুরুর আগে বাংলার রাজ্য সঙ্গীত গাওয়ার কথা বলা হয়েছিল।

বৃহস্পতিবারের নির্দেশিকা অনুযায়ী, এবার থেকে স্কুলে এই গান রোজই গাইতে হবে। বঙ্গভঙ্গ বিরোধী আন্দোলনের সময় রবীন্দ্রনাথের লেখা এই গান অন্যান্য গানের মতোই বাঙালির প্রাণ আন্দোলিত করেছিল। বর্তমানে রাজ্য জুড়ে চলছে এসআইআর বা ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন। মঙ্গলবারের মিছিলে মমতা দাবি করেন, বিজেপি চায় বাংলার ২ কোটি মানুষকে আলাদা করে বাংলাকে দুর্বল করে দিতে। বাংলাদেশে পাঠিয়ে দিতে চায় তাদের। প্রসঙ্গত, এসআইআরের প্রতিবাদে ফর্মও ফিল আপ করেননি মুখ্যমন্ত্রী। এমতাবস্থায় রাজ্যের শিক্ষা দফতরের এই নির্দেশ কি বাংলার অখণ্ডতার বার্তা বয়ে আনার প্রচেষ্টা? রাজনৈতিক মহলের একাংশ অবশ্য তাই মনে করছেন।