Surendranath College Kan Kata Debu Son: 'তোলাবাজির টাকায় লন্ডনে পড়াশোনা', সুরেন্দ্রনাথের ‘কানকাটা’ দেবুর ছেলে আসলে কে?

Surendranath College Kan Kata Debu Son: বাবা ‘কানকাটা দেবু’। ছেলেও কিছু কম ছিলেন না। সুরেন্দ্রনাথ কলেজে তৃণমূল ছাত্র পরিষদের ঘর থেকে টাকা উদ্ধার এবং ফূর্তির ঘরের বিষয়টি সামনে আসার পরে বাবা-ছেলের জুটির বিরুদ্ধে একগুচ্ছ অভিযোগ উঠেছে।

Published on: Jun 3, 2026, 21:24:20 IST
Share
Share via
  • facebook
  • twitter
  • linkedin
  • whatsapp
Copy link
  • copy link

Surendranath College Kan Kata Debu Son: বাবা 'কানকাটা দেবুর' তোলাবাজির টাকায় পড়তে গিয়েছিলেন ব্রিটেনে। সুরেন্দ্রনাথ ল' কলেজে পড়িয়েছেন। এমনকী কলকাতার এক সাংসদের আশীর্বাদে মধ্য কলকাতার তৃণমূল ছাত্র পরিষদের সভাপতিও হয়েছিলেন। সুরেন্দ্রনাথ কলেজের ‘স্পেশাল রুম’ উদঘাটন হওয়ার পরে এবং উঁইপোকা ধরা নোট উদ্ধারের পরই যে 'কানকাটা দেবুর' (দেবাশিস বন্দ্যোপাধ্যায়) নাম নিয়ে হইহই শুরু হয়েছে, তাঁর ছেলে শিবাশিসের বিরুদ্ধে এমনই সব অভিযোগ উঠেছে। সংবাদমাধ্যম টিভি নাইনের প্রতিবেদন অনুযায়ী, সুরেন্দ্রনাথ ল' কলেজেই পড়তেন শিবাশিস। সুরেন্দ্রনাথ ল' কলেজের গভর্নিং মেম্বারের পাশাপাশি রাজ‍্য যুব উৎসবের আহ্বায়ক হয়েছিলেন বলেও ওই প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে।

কানকাটা দেবু ও সুরেন্দ্রনাথ কলেজ থেকে উদ্ধার হওয়া উঁইপোকা খাওয়া নোট।
কানকাটা দেবু ও সুরেন্দ্রনাথ কলেজ থেকে উদ্ধার হওয়া উঁইপোকা খাওয়া নোট।

‘কানকাটা দেবু’-র মাথায় হাত ছিল সুদীপদের, উঠল অভিযোগ

আর ‘কানকাটা দেবু’ এবং তাঁর ছেলে এত বাড়-বাড়ন্তের নেপথ্যে উত্তর কলকাতার তৃণমূল কংগ্রেস সাংসদ সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায় এবং চৌরঙ্গীর তৃণমূল বিধায়ক তথা সুদীপের স্ত্রী নয়না আছেন বলে অভিযোগ করেছেন বরানগরের বিজেপি বিধায়ক সজল ঘোষ। এমনকী তিনি তো দাবি করেছেন যে ‘কানকাটা দেবু’ ছিলেন সুদীপ ও নয়নার ‘আশ্রিত’ সন্তান। আর 'কানকাটা দেবুর' ছেলে ছিলেন সাংসদ ও বিধায়ক দম্পতির ‘আশ্রিত’ নাতি। সেই পরিস্থিতিতে কেন্দ্রীয় সংস্থা এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেটের (ইডি) তদন্তের দাবি তুলেছেন সজল।

আরও পড়ুন: Ritabrata on Mamata: ‘যদি না দিদি লাথি মেরে সরিয়ে দেন….’, 'আসল তৃণমূলে' মমতাকে 'পদ' দিচ্ছেন ঋতব্রতরা

‘এই টাকার ভাগ সুদীপ-নয়নার বাড়ি হয়ে কালীঘাটে পৌঁছেছে’

সজলের কথায়, ‘সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায় এবং নয়না বন্দ্যোপাধ্যায়ের আশ্রিত ছেলের নাম হচ্ছে দেবাশিস বন্দ্যোপাধ্যায়। মানে কানকাটা দেবু। সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায় এবং নয়না বন্দ্যোপাধ্যায়ের আশ্রিত নাতির নাম হচ্ছে শিবাশিস বন্দ্যোপাধ্যায়। পুরো সাম্রাজ্য শুধু সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায় এবং নয়না বন্দ্যোপাধ্যায়ের সহযোগিতায় নয়, প্রত্যক্ষ মদতে চলেছে। এই টাকার ভাগ সুদীপ-নয়নার বাড়ি হয়ে কালীঘাটে পৌঁছেছে।’

আরও পড়ুন: TMC Death Certificate: তৃণমূলের ‘ডেথ সার্টিফিকেট’ লিখে দিলেন ডাক্তার, বললেন ‘এপাং, ওপাং, ঝপাংয়ে মৃত্যু’

সুরেন্দ্রনাথ কলেজের মধ্যে বেডরুম, মিলল কন্ডোমও

বরানগরের বিধায়ক সেইসব মন্তব্য করেছেন ‘রহস্য ভাণ্ডার’ উদঘাটনের পরে সুরেন্দ্রনাথ কলেজ পরিদর্শনে এসে। অভিযোগ উঠেছে যে তৃণমূল ছাত্র পরিষদের ইউনিয়ন রুমের ভিতরে যে উঁইপোকা ধরা লাখ-লাখ টাকার নোট পাওয়া গিয়েছে, তা পুরো দুর্নীতির সামান্যই অংশ। সাংসদ ও বিধায়কের মাথায় হাত থাকায় দেবাশিস ও শিবাশিস কলেজে নিজেদের মতো করে সাম্রাজ্য চালাতেন। তাঁর কলেজে কলেজে বেডরুম তৈরি করিয়েছিলেন। সেখানে ছিল অ্যাটাচ বাথরুম। এমনকী উদ্ধার করা হয় কন্ডোমও।

  • Ayan Das
    ABOUT THE AUTHOR
    Ayan Das

    অয়ন দাস হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রোডিউসার। প্রায় এক দশক ধরে সাংবাদিকতার সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত আছেন। সাংবাদিক হিসেবে তিনি মূলত পশ্চিমবঙ্গ-সহ ভারতের রাজনীতি, সমসাময়িক ঘটনাপ্রবাহ এবং পরিকাঠামো উন্নয়ন সংক্রান্ত বিভিন্ন খবর পাঠকদের সামনে তুলে ধরেন। ট্রেন, মেট্রো, আবহাওয়া, খেলাধুলোর প্রতি বিশেষ আগ্রহ রয়েছে। নিয়মিত সেইসব বিষয়েও প্রতিবেদন লিখে থাকেন। পেশাদার অভিজ্ঞতা: কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময় দ্য টাইমস অফ ইন্ডিয়া, ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন অফ বেঙ্গল (সিএবি), স্পোর্টসকিডার মতো সংস্থায় ইন্টার্নশিপ করার পরে ২০১৮ সাল থেকে অয়নের পেশাদার জীবনের সূচনা হয়। পেশাদার সাংবাদিক জীবনের শুরুটা হয় ইটিভি ভারতে। সেখানে এক বছর দু'মাস কাজ করার পরে ২০১৯ সালের ১১ নভেম্বর যোগ দেন হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায়। চারদিন পরে আনুষ্ঠানিকভাবে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা চালু হয়। অর্থাৎ একেবারে প্রথম থেকেই হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় আছেন। বর্তমানে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে পশ্চিমবঙ্গের রাজ্য-রাজনীতি, ভারতের রাজনীতি, ট্রেন-মেট্রো-শিল্প সংক্রান্ত পরিকাঠামো-নির্ভর খবর, চাকরির খবর, ক্রিকেট-ফুটবলের মতো খেলাধুলোর খবরের প্রতিবেদন লিখে থাকেন। বিশেষ করে ব্রেকিং নিউজ, রাজনৈতিক বিশ্লেষণ এবং সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনের উপরে প্রভাব ফেলে, এমন খবর লেখার ক্ষেত্রে তিনি বিশেষভাবে পারদর্শী। শিক্ষাগত যোগ্যতা: নঙ্গী হাইস্কুল এবং নিউ আলিপুর মাল্টিপারপাস স্কুল থেকে প্রাথমিক পড়াশোনার পরে আশুতোষ কলেজ থেকে সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে অয়ন স্নাতক হয়েছেন। তারপর একই বিষয়ে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছেন। ব্যক্তিগত পছন্দ এবং নেশা: অয়ন মনেপ্রাণে পাহাড়প্রেমিক। সুযোগ পেলেই পাহাড়ে ঘুরতে চলে যান। বরফ ও তুষারপাতের প্রতি বিশেষ জায়গা রয়েছে হৃদয়ে। তাছাড়াও ভারতীয় সেনা, ভারতীয় বায়ুসেনা ও ভারতীয় নৌসেনার প্রতি বিশেষ টান রয়েছে। ভারতীয় জওয়ানদের বীরত্ব, তাঁদের লড়াই নিয়ে বই পড়তে বা তথ্যচিত্র দেখতে ভালোবাসেন। ছোটোবেলায় নিজেরও ভারতীয় সেনায় যোগ দেওয়ার ইচ্ছা ছিল।Read More