Susmita Deb Update: 'বাংলার রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত নই', মমতার ঘর ভাঙলেন হিমন্ত, বিজেপিতেই যোগ দিচ্ছেন সুস্মিতা দেব?
সুস্মিতা দেবের স্পষ্ট বক্তব্য, 'স্বাধীন ও গণতান্ত্রিক দেশে এটা আমার সিদ্ধান্ত যে আমি কোন দলে যাব, কেমন রাজনীতি করব। এটার অধিকার আছে আমার।' এদিকে বাংলায় তৃণমূলের ভাঙন নিয়ে প্রশ্ন করা হলে সুস্মিতা বলেন, 'বাংলার রাজনীতির সঙ্গে আমি সেভাবে যুক্ত ছিলাম না।'
তৃণমূল কংগ্রেসের ছেড়ে কি বিজেপির পথে সুস্মিতা দেব? এই প্রশ্নই এখন ঘুরছে বঙ্গ-অসম-দিল্লির রাজনৈতিক মহলে। এই আবহে সরাসরি কোনও কারণ তুলে না ধরেও আকারে ইঙ্গিতে সুস্মিতা দেব বুঝিয়ে দিলেন, তিনি দলবদল করছেন। আজই তিনি দিল্লিতে যোগদান করেন হিমন্ত বিশ্ব শর্মার সঙ্গে। আর রাজ্যসভার সাংসদপদ ও তৃণমূল ছেড়ে সুস্মিতা দেবের স্পষ্ট বক্তব্য, 'স্বাধীন ও গণতান্ত্রিক দেশে এটা আমার সিদ্ধান্ত যে আমি কোন দলে যাব, কেমন রাজনীতি করব। এটার অধিকার আছে আমার।' এদিকে বাংলায় তৃণমূলের ভাঙন নিয়ে প্রশ্ন করা হলে সুস্মিতা বলেন, 'আমি অসমের বরাক উপত্যকার মানুষ। বাংলার রাজনীতির সঙ্গে আমি সেভাবে যুক্ত ছিলাম না। আমি সুযোগ পেলে বরাক উপত্যকার মানুষের সেবা করতে চাইব।'

উল্লেখ্য, অসমের শিলচর থেকে লোকসভার সাংসদ হিসেবে রাজনৈতিক পরিচিতি গড়ে তুলেছিলেন সুস্মিতা দেব। কংগ্রেসের অন্যতম পরিচিত মুখ ছিলেন তিনি। তবে ২০১৯ সালের লোকসভা নির্বাচনে পরাজয়ের পর কংগ্রেসের সঙ্গে দূরত্ব বাড়তে থাকে। শেষ পর্যন্ত ২০২১ সালে তিনি তৃণমূল কংগ্রেসে যোগ দেন।
দলে যোগ দেওয়ার পর থেকেই সুস্মিতাকে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব দেয় তৃণমূল। তাঁকে দলের জাতীয় মুখপাত্র করা হয় এবং উত্তর-পূর্ব ভারতে সংগঠন বিস্তারের ক্ষেত্রেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা দেওয়া হয়। একইসঙ্গে তাঁকে রাজ্যসভায় পাঠিয়ে জাতীয় রাজনীতিতে দলের অন্যতম মুখ হিসেবে তুলে ধরা হয়।
২০২১ সালে রাজ্যের মন্ত্রী হওয়ার পর মানস ভুইঞাঁ রাজ্যসভার আসন ছেড়ে দিলে সেই শূন্য আসনে সুস্মিতাকে পাঠিয়েছিল তৃণমূল। সেই প্রথম দফার মেয়াদ শেষ হয় ২০২৩ সালের অগস্টে। পরে ওই আসনে সমিরুল ইসলামকে মনোনীত করা হয়। পরবর্তীতে শান্তনু সেনের মেয়াদ শেষ হওয়ার পর ২০২৪ সালের এপ্রিলে দ্বিতীয়বার রাজ্যসভায় নির্বাচিত হন সুস্মিতা দেব। সেই মেয়াদ চলার কথা ছিল ২০৩০ সাল পর্যন্ত। কিন্তু নির্ধারিত মেয়াদ শেষ হতে এখনও চার বছর বাকি থাকতেই তিনি সাংসদ পদ ছেড়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিলেন। সাম্প্রতিক সময়ে তৃণমূলের একাধিক সাংসদের পদত্যাগ এবং দলীয় অন্দরের অস্থিরতার প্রেক্ষাপটে সুস্মিতা দেবের এই পদক্ষেপ রাজনৈতিকভাবে তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মনে করছে পর্যবেক্ষক মহল। যদিও তিনি তৃণমূল কিংবা মমতা সম্পর্কে কোনও নেতিবাচক মন্তব্য করতে চাননি।
ABOUT THE AUTHORAbhijit Chowdhury২০২১ সাল থেকে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন অভিজিৎ চৌধুরী। ২০১৮ সালে সালে তাঁর পেশাদার জীবনের শুরু। জাতীয়, আন্তর্জাতিক বিষয়, বাংলার রাজনীতি এবং খেলাধুলোর বিষয়ে লেখার ক্ষেত্রে ৮ বছরের অভিজ্ঞতা রয়েছে তাঁর। আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে আমেরিকা, পাকিস্তান এবং বাংলাদেশের বিষয়ে তাঁর আগ্রহ সবচেয়ে বেশি। কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সাংবাদিকতায় স্নাতকোত্তর ডিগ্রি পাশ করেই সাংবাদিকতার জগতে প্রবেশ করেছেন অভিজিৎ। হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় যোগদানের আগে ওয়ানইন্ডিয়া এবং ইটিভি ভারতে কাজ করার অভিজ্ঞতা রয়েছে অভিজিতের। এছাড়া আকাশবাণীতে রেডিও জকি হিসেবেও কাজ করেছিলেন তিনি। খবরের জগৎ ছাড়া খেলাধুলো, ইতিহাসে অভিজিতের আগ্রহ রয়েছে। শিক্ষাগত যোগ্যতা: সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন নিয়ে অভিজিৎ তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন আশুতোষ কলেজ থেকে। এরপর কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে একই বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: ক্রিকেট, ফুটবল, টেনিস ছাড়া প্রায় সব ধরনের খেলা দেখতে তিনি ভীষণ ভালোবাসেন। কাজের বাইরে তাঁর অবসর কাটে বই পড়ে এবং বিভিন্ন বিষয়ে ডকুমেন্টারি দেখে।Read More
E-Paper


