পশ্চিম মেদিনীপুর থেকে মন্ত্রী করা হল দিলীপ ঘোষকে। এদিকে মতুয়াদের থেকে অশোক কীর্তনিয়াকে মন্ত্রী করা হল। উত্তরবঙ্গ থেকে মন্ত্রী করা হয়েছে নিশীথ প্রামাণিককে। আর মন্ত্রিসভার মহিলা মুখ হিসেবে অগ্নিমিত্রা পাল আজ শপথগ্রহণ করেন। এদিকে ক্ষুদিরাম টুডুকে আদিবাসী মুখ হিসেবে মন্ত্রিসভায় রাখা হয়েছে।
শুভেন্দুর ক্যাবিনেটে মন্ত্রী হলেন দিলীপ ঘোষ (খড়্গপুর), অগ্নিমিত্রা পাল (আসানসোল দক্ষিণ), অশোক কীর্তনিয়া (বনগাঁ উত্তর), ক্ষুদিরাম টুডু (রানিবাঁধ), নিশীথ প্রামাণিক (মাথাভাঙা)। শুভেন্দু অধিকারীর শপথগ্রহণের পরে ক্যাবিনেট মন্ত্রী হিসেবে শপথবাক্য পাঠ করেন এই পাঁচ নেতা। উল্লেখ্য, পশ্চিমবঙ্গের প্রথম বিজেপি সরকার গঠিত হল আজ। রাজ্যের নবম মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথগ্রহণ করলেন শুভেন্দু অধিকারী। রাজ্যপাল আরএন রবি শপথবাক্য পাঠ করান শুভেন্দুকে। বাংলায় শপথবাক্য পাঠ করেন তিনি।
উল্লেখ্য, আজ রবীন্দ্রজয়ন্তী। এবং তৃণমূলের 'বাংলা বিরোধী' তকমা গা থেকে ঝেড়ে ফেলতে মরিয়া বিজেপি এই দিনই নতুন সরকার গঠনের সিদ্ধান্ত নেয়। এই আবহে শপথের মঞ্চে বাঙালিয়ানার ছোঁয়া ছিল। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ছবিতে মালা দেওয়া হয়। মঞ্চে উঠে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ছবিতে ফুল দেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী।
উল্লেখ্য, পূর্ব মেদিনীপুর থেকে দ্বিতীয়বার মুখ্যমন্ত্রী পেল পশ্চিমবঙ্গ। এই আবহে পশ্চিম মেদিনীপুর থেকে মন্ত্রী করা হল দিলীপ ঘোষকে। এদিকে মতুয়াদের থেকে অশোক কীর্তনিয়াকে মন্ত্রী করা হল। উত্তরবঙ্গ থেকে মন্ত্রী করা হয়েছে নিশীথ প্রামাণিককে। তিনি এর আগে কেন্দ্রে অমিত শাহের মন্ত্রকের ডেপুটি হিসেবে কাজ করেছিলেন। আর মন্ত্রিসভার মহিলা মুখ হিসেবে অগ্নিমিত্রা পাল আজ শপথগ্রহণ করেন। তিনি রাঢ় বঙ্গের বিধায়ক আবার কলাকাতার বাসিন্দা। এদিকে ক্ষুদিরাম টুডুকে আদিবাসী মুখ হিসেবে মন্ত্রিসভায় রাখা হয়েছে। তিনি সাঁওতালি ভাষায় শপথবাক্য পাঠ করেছিলেন। এদিকে এই মন্ত্রীদের দফতর এখনও ঘোষণা করা হয়নি। এদিকে শুভেন্দুর মন্ত্রিসভা আগামীতে সম্প্রসারিত হবে বলে মনে করা হচ্ছে। এই আবহে কে কোন দফতর পাবেন, আর কে কে মন্ত্রী হবে, তা নিয়ে জল্পনা জারি থাকল।
২০২১ সাল থেকে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন অভিজিৎ চৌধুরী। ২০১৮ সালে সালে তাঁর পেশাদার জীবনের শুরু। জাতীয়, আন্তর্জাতিক বিষয়, বাংলার রাজনীতি এবং খেলাধুলোর বিষয়ে লেখার ক্ষেত্রে ৮ বছরের অভিজ্ঞতা রয়েছে তাঁর। আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে আমেরিকা, পাকিস্তান এবং বাংলাদেশের বিষয়ে তাঁর আগ্রহ সবচেয়ে বেশি।
কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সাংবাদিকতায় স্নাতকোত্তর ডিগ্রি পাশ করেই সাংবাদিকতার জগতে প্রবেশ করেছেন অভিজিৎ। হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় যোগদানের আগে ওয়ানইন্ডিয়া এবং ইটিভি ভারতে কাজ করার অভিজ্ঞতা রয়েছে অভিজিতের। এছাড়া আকাশবাণীতে রেডিও জকি হিসেবেও কাজ করেছিলেন তিনি। খবরের জগৎ ছাড়া খেলাধুলো, ইতিহাসে অভিজিতের আগ্রহ রয়েছে।
শিক্ষাগত যোগ্যতা:
সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন নিয়ে অভিজিৎ তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন আশুতোষ কলেজ থেকে। এরপর কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে একই বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন।
ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা:
ক্রিকেট, ফুটবল, টেনিস ছাড়া প্রায় সব ধরনের খেলা দেখতে তিনি ভীষণ ভালোবাসেন। কাজের বাইরে তাঁর অবসর কাটে বই পড়ে এবং বিভিন্ন বিষয়ে ডকুমেন্টারি দেখে।Read More