Suvendu attacked allegation: ‘আগে জানতাম মেয়েরা সুরক্ষিত নয়’, চন্দ্রকোণায় ‘হামলা’ হতেই থানায় ধরনা শুভেন্দুর
ধরনায় বসলেন পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। তিনি দাবি করেছেন, পুরুলিয়া থেকে কর্মসূচি সেরে ফেরার পথে তাঁর কনভয়ের উপরে হামলা চালিয়েছেন তৃণমূল কংগ্রেসের নেতা-কর্মী ও রাজ্যের শাসক দলের আশ্রিত দুষ্কৃতীরা।
চন্দ্রকোণায় থানায় ধরনায় বসলেন পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। তিনি দাবি করেছেন, পুরুলিয়া থেকে কর্মসূচি সেরে ফেরার পথে তাঁর কনভয়ের উপরে হামলা চালিয়েছেন তৃণমূল কংগ্রেসের নেতা-কর্মী ও রাজ্যের শাসক দলের আশ্রিত দুষ্কৃতীরা। বাঁশ, মোটা লাঠি দিয়ে হামলা চালানো হয়। এমনকী গাড়ি জ্বালিয়ে দেওয়ার জন্য পেট্রোল এবং কেরোসিনের জার আনা হয়েছিল বলে অভিযোগ করেছেন শুভেন্দু। সেইসঙ্গে তিনি দাবি করেছেন, পুরো ঘটনার সময় পুলিশ নীরব দর্শক হয়ে দাঁড়িয়েছিল। কোনও পদক্ষেপই করেনি পুলিশ। তারই প্রতিবাদে চন্দ্রকোণা থানায় ধরনায় বসে পড়েছেন। যে ন'জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করেছেন, তাঁদের যতক্ষণ না গ্রেফতার করা হবে, ততক্ষণ ধরনা চালিয়ে যাবেন বলে দাবি করেছেন শুভেন্দু।

'দুমাদুম করে পিটছে', বিস্ফোরক দাবি শুভেন্দুর
আর কীভাবে 'হামলা' চালানো হয়, তার বর্ণনা দিয়ে পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভার বিরোধী দলনেতা বলেন, ‘কাঠের বাটাম, মোটা বাঁশ (এনেছিল)। আমার সামনের গাড়িটা আর পরেরটা - দুটো ব্ল্যাক স্করপিওয়ে দুমাদুম করে মারছে, আমি যেদিকে কাচের দিকে বসেছিলাম, সেদিকে দুমাদুম করে পিটছে। স্থানীয় বাসিন্দাদের জিজ্ঞাসা করুন, পেট্রোল আর কেরোসিনের জার নিয়ে এসেছে গাড়ির উপরে ছড়িয়ে দেশলাই ধরাবে বলে। পুলিশ ওদের কোলাকুলি করছে। আর খবর তো পুলিশ দিয়েছে। এই সময় (আমি যে) এখান দিয়ে যাব, সেই খবর তো পুলিশ দিয়েছে। এটা তো মডেল।’
পালিয়ে যাওয়ার লোক নই, দাবি শুভেন্দুর
সেইসঙ্গে তিনি দাবি করেছেন, শুক্রবার থেকেই নাকি টার্গেট করা হচ্ছিল।খড়্গপুরের সাতটি জায়গা, ডেবরার তিনটি জায়গায় তাঁর উপরে হামলা চালানোর চেষ্টা করা হয়েছিল। শেষে চন্দ্রকোণায় সফল হয়েছে বলে অভিযোগ করেন শুভেন্দু। কিন্তু তাতে কোনও লাভ হবে না বলে হুংকার দিয়েছেন পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভার বিরোধী দলনেতা। তিনি বলেন, ‘এসব করে দিয়ে একে মেরে দেব, নাহলে গাড়ি পুড়িয়ে দেব, দিয়ে পালিয়ে ছুটে। পালিয়ে যাওয়ার লোক নই। ক্ষুদিরাম, মাতঙ্গিনী হাজরার দেশের লোক। আমি নন্দীগ্রাম না করলে দিদি থেকে দিদিমা হতেন। জঙ্গলমহলে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে ঢুকতে দেয়নি কেউ।’
হত্যার চেষ্টা শুভেন্দুকে?
এমনকী শুভেন্দু ইঙ্গিত দিয়েছেন যে তাঁকে হত্যা করারও চেষ্টা করা হয়েছিল। তিনি দাবি করেছেন, আগে জানতেন যে পশ্চিমবঙ্গে মহিলা ও মেয়েরা সুরক্ষিত নন। কিন্তু আজ দেখলেন যে বিধানসভার বিরোধী দলনেতা বা নির্বাচিত বিধায়করাও সুরক্ষিত নন পশ্চিমবঙ্গে।
ABOUT THE AUTHORAyan Dasঅয়ন দাস হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রোডিউসার। প্রায় এক দশক ধরে সাংবাদিকতার সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত আছেন। সাংবাদিক হিসেবে তিনি মূলত পশ্চিমবঙ্গ-সহ ভারতের রাজনীতি, সমসাময়িক ঘটনাপ্রবাহ এবং পরিকাঠামো উন্নয়ন সংক্রান্ত বিভিন্ন খবর পাঠকদের সামনে তুলে ধরেন। ট্রেন, মেট্রো, আবহাওয়া, খেলাধুলোর প্রতি বিশেষ আগ্রহ রয়েছে। নিয়মিত সেইসব বিষয়েও প্রতিবেদন লিখে থাকেন। পেশাদার অভিজ্ঞতা: কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময় দ্য টাইমস অফ ইন্ডিয়া, ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন অফ বেঙ্গল (সিএবি), স্পোর্টসকিডার মতো সংস্থায় ইন্টার্নশিপ করার পরে ২০১৮ সাল থেকে অয়নের পেশাদার জীবনের সূচনা হয়। পেশাদার সাংবাদিক জীবনের শুরুটা হয় ইটিভি ভারতে। সেখানে এক বছর দু'মাস কাজ করার পরে ২০১৯ সালের ১১ নভেম্বর যোগ দেন হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায়। চারদিন পরে আনুষ্ঠানিকভাবে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা চালু হয়। অর্থাৎ একেবারে প্রথম থেকেই হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় আছেন। বর্তমানে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে পশ্চিমবঙ্গের রাজ্য-রাজনীতি, ভারতের রাজনীতি, ট্রেন-মেট্রো-শিল্প সংক্রান্ত পরিকাঠামো-নির্ভর খবর, চাকরির খবর, ক্রিকেট-ফুটবলের মতো খেলাধুলোর খবরের প্রতিবেদন লিখে থাকেন। বিশেষ করে ব্রেকিং নিউজ, রাজনৈতিক বিশ্লেষণ এবং সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনের উপরে প্রভাব ফেলে, এমন খবর লেখার ক্ষেত্রে তিনি বিশেষভাবে পারদর্শী। শিক্ষাগত যোগ্যতা: নঙ্গী হাইস্কুল এবং নিউ আলিপুর মাল্টিপারপাস স্কুল থেকে প্রাথমিক পড়াশোনার পরে আশুতোষ কলেজ থেকে সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে অয়ন স্নাতক হয়েছেন। তারপর একই বিষয়ে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছেন। ব্যক্তিগত পছন্দ এবং নেশা: অয়ন মনেপ্রাণে পাহাড়প্রেমিক। সুযোগ পেলেই পাহাড়ে ঘুরতে চলে যান। বরফ ও তুষারপাতের প্রতি বিশেষ জায়গা রয়েছে হৃদয়ে। তাছাড়াও ভারতীয় সেনা, ভারতীয় বায়ুসেনা ও ভারতীয় নৌসেনার প্রতি বিশেষ টান রয়েছে। ভারতীয় জওয়ানদের বীরত্ব, তাঁদের লড়াই নিয়ে বই পড়তে বা তথ্যচিত্র দেখতে ভালোবাসেন। ছোটোবেলায় নিজেরও ভারতীয় সেনায় যোগ দেওয়ার ইচ্ছা ছিল।Read More
E-Paper


