Illegal bangladeshi: কতজন অবৈধ বাংলাদেশিকে ফেরত পাঠানো হয়েছে?কতজন হোল্ডিং সেন্টারে? মুখ খুললেন শুভেন্দু

Suvendu Adhikari: অবৈধ বাংলাদেশি ইস্যুতে কী বললেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী, দেখে নিন।

Published on: Jun 7, 2026, 21:56:18 IST
Share
Share via
  • facebook
  • twitter
  • linkedin
  • whatsapp
Copy link
  • copy link

রাজ্যের ক্ষমতায় বিজেপি সরকার আসতেই একাধিক নির্দেশ এসেছে রাজ্য প্রশাসনের তরফে। তারমধ্যে একটি হল হোল্ডিং সেন্টার গঠন করা। রাজ্যে থাকা অবৈধ বাংলাদেশিদের হোল্ডিং সেন্টারে রাখার পর সীমান্তে বিএসএফ-র মাধ্যমে তাঁদের দেশে ফিরিয়ে দেওয়ার বার্তা আসে। সেই মতো রাজ্যের বিভিন্ন জায়গায় তৈরি হয়েছে হোল্ডিং সেন্টার। ঠিক কতজন অবৈধ বাংলাদেশিকে পাঠানো হয়েছে? এবার তার খতিয়ান দিলেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী।

শুভেন্দু অধিকারী। (ফাইল ছবি, সৌজন্যে এএনআই)
শুভেন্দু অধিকারী। (ফাইল ছবি, সৌজন্যে এএনআই)

শুভেন্দু অধিকারী নিউ টাউন কনভেনশন সেন্টারে বিজেপির বিশেষ প্রশিক্ষণ শিবিরে যোগ দিয়েছিলেন। সেখানে তিনি বলেন, ‘আমাদের ভাত, আমাদের ওষুধ খেত এরা। আরামে বসে থাকত এখানে। এমন ৪ হাজার ৮০০ জনকে ও পারে পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে।’ তিনি আরও বলেন, ‘এখন হোল্ডিং সেন্টারে ৮৩৬ জন আছেন। তাঁদেরও আমরা খাইয়ে দাইয়ে ও দিকে পাঠানোর ব্যবস্থা করছি। সীমান্তে সুরক্ষা সুনিশ্চিত করতেই হবে।’ শুভেন্দু জানিয়েছেন, বিএসএফকে জমি হস্তান্তরের কাজ শুরু হয়েছে কয়েক দিন আগেই। ৫৫৬ কিলোমিটার জমির মধ্যে ১০০ কিলোমিটার পর্যন্ত হস্তান্তর হয়ে গিয়েছে।

এই অনুষ্ঠানে তৃণমূলকে খোঁচা দিয়ে শুভেন্দু বলেন, ‘ ‘আগে ২ কোটি ২০ লক্ষ মানুষকে লক্ষ্মীর ভান্ডার দিত সরকার (তৃণমূল)। তার মধ্যে আমরা ২৭ লক্ষ এমন লোককে ধরেছি, যাঁদের ভোটার তালিকায় নামই নেই। সিএএ-তে যাঁরা আবেদন করেছেন, তাঁদের বাদ দিয়ে ২৭ লক্ষ নাম পেয়েছি। আবার ৩ লক্ষ পুরুষ পাওয়া গিয়েছে, যাঁরা লক্ষ্মীর ভান্ডার পেতেন।’ এরইসঙ্গে শুভেন্দু বলেন, ‘যেখানেই হাত দেওয়া হচ্ছে... এ তো ব্রিগেড প্যারেড ময়দানকে জেল বানাতে হবে! কেউ আসবেন নবান্নতে। টাইম নিয়ে চা খাওয়াব। যেখানেই হাত দেওয়া হচ্ছে, পচা-দুর্গন্ধ বের হচ্ছে।’

  • Sritama Mitra
    ABOUT THE AUTHOR
    Sritama Mitra

    শ্রীতমা মিত্র হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার একজন চিফ কনটেন্ট প্রোডিউসার। ২০২১ সাল থেকে তিনি এই প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যুক্ত। জাতীয় এবং আন্তর্জাতিক সংবাদের পাশাপাশি শ্রীতমার আগ্রহের জায়গা ক্রিকেট। এছাড়াও তিনি জ্যোতিষ বিভাগ দেখাশোনা করেন এবং জীবনযাপন সংক্রান্ত প্রতিবেদন লিখতেও তাঁর আগ্রহ রয়েছে। পেশাদার জীবন: পেশাদার জীবনের শুরুতে শ্রীতমা আকাশবাণী, শান্তিনিকেতনে উপস্থাপিকা হিসেবে কাজ করেছেন। ২০১০ সালে তিনি ইটিভি নিউজ বাংলায় কপি এডিটর হিসেবে যোগদান করেন। পরবর্তীতে ওয়ানইন্ডিয়া-সহ বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে কাজ করার পর তিনি হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় যোগ দেন। শিক্ষাগত যোগ্যতা: শ্রীতমা মিত্র ইংরেজিতে স্নাতক (বি.এ.) এবং বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয়, শান্তিনিকেতন থেকে সাংবাদিকতা ও গণযোগাযোগে স্নাতকোত্তর (এম.এ.) ডিগ্রি অর্জন করেন। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: সাংবাদিকতার বাইরে শ্রীতমা একজন সাহিত্যপ্রেমী, ভ্রমণও তাঁর অন্যতম নেশা। ছুটির দুপুরগুলো তাঁর কাটে গল্পের বই নিয়ে। একটু লম্বা ছুটি পেলে তিনি দেশের ভিতর বা কখনও সখনও দেশের বাইরেও বেড়াতে যেতে ভালোবাসেন। তবে তাঁর প্রতিটা বেড়ানোর পিছনেই কাজ করে কোনও না কোনও বই বা সিনেমা থেকে তৈরি হওয়া কৌতূহল। অজানাকে জানার আগ্রহই তাঁকে বার বার নিয়ে গিয়ে ফেলে নানা অচেনা শহরে। সেই সব অভিজ্ঞতাকে লেখার রূপ দিতেও পিছপা হন না শ্রীতমা।Read More