‘যোগীজির সঙ্গে কম্পিটিশন’, কোন প্রসঙ্গ নিয়ে বললেন শুভেন্দু?
এবারের দুর্গাপুজো নিয়ে বক্তব্য রাখতে গিয়ে শুভেন্দু বলেন, ‘পিতৃপক্ষে কোনও উদ্বোধন করতে দেব না। মাতৃপক্ষে করতে হবে।’
উত্তর প্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথের সঙ্গে এক প্রতিযোগিতায় নেমেছেন শুভেন্দু অধিকারী? সেই প্রতিযোগিতা কোন আঙিনায়, তা এদিন এক সভা থেকে জানিয়ে দিলেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। এই প্রতিযোগিতা বৃক্ষরোপণ কেন্দ্রিক। উল্লেখ্য, ‘মায়ের নামে একটি গাছ’ শীর্ষক এক প্রকল্পের শুরু করেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। আর সেই প্রকল্পে আওতায় ২৬ কোটি গাছ লাগানো হচ্ছে উত্তরপ্রদেশে। হালকা মেজাজে শুভেন্দু বলেন, ‘আমিও ১০ কোটি গাছ লাগাব। যোগীজির সঙ্গে আমার কম্পিটিশন চলছে।’

নয়ের দশকে কলকাতা থেকে করসেবক হয়ে অযোধ্যায় গিয়েছিলেন রাম ও শারদ কোঠারিরা।তবে সেই সফরের কিছুদূর যেতেই মৃত্যুর কোলে ঢোলে পড়েন তাঁরা। কলকাতার সেই কোঠারি ভাইদের সম্মানে সংঘ পরিবার আয়োজিত অনুষ্ঠানে শনিবার যোগ দিলেন মুখ্যমন্ত্রী। সেখানে যোগ দিয়ে একাধিক বিষয়ে বার্তা দেন শুভেন্দু অধিকারী। সেখানেই কথা প্রসঙ্গে, ‘মায়ের নামে একটি গাছ’ শীর্ষক প্রকল্প নিয়ে বক্তব্য রাখেন শুভেন্দু অধিকারী। এছাড়াও রাজ্যে ইউসিসি প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘কমিশন কাজ করছে। তিন-চার মাস লাগবে। তার পরে অভিন্ন দেওয়ানি বিধি লাগু হয়ে যাবে।’
সামনেই দুর্গাপুজো। বাংলা জুড়ে শুরু হয়ে গিয়েছে কাউন্টডাউন। তার আগে এবারের দুর্গাপুজো নিয়ে বক্তব্য রাখতে গিয়ে শুভেন্দু বলেন, ‘পিতৃপক্ষে কোনও উদ্বোধন করতে দেবে না। মাতৃপক্ষে করতে হবে।’ দশমীতে ক্রেনে করে প্রতিমা বিসর্জনের রীতিও বদলাতে চান তিনি। শুভেন্দুর কথায়, ‘বিসর্জনে পবিত্রতা বজায় রাখতে হবে। ক্রেনে করে ঠাকুর তুলে ফেলতে দেবো না।’ প্রসঙ্গত, দুর্গাপুজোয় আমিষ ভোজন ঘিরে সদ্য বাগেশ্বর ধামের বাবা ধীরেন্দ্র শাস্ত্রীর এক বক্তব্যের জেরে কংগ্রেস প্রতিবাদ জানায়। ছবি পুড়িয়ে প্রতিবাদের জন্য গ্রেফতারও হন বেশ কয়েকজন। সেই তীব্র প্রতিবাদের ঘটনা ঘিরে শুভেন্দু বলেন, ‘বাংলায় কোনও সন্তের অপমান হতে দেবো না।’
এছাড়াও গাছ লাগানো কর্মসূচি প্রসঙ্গে যোগী আদিত্যনাথের ‘সঙ্গে সঙ্গে চলব’ বলেও বার্তা দেন শুভেন্দু। শুধু গাছ লাগানোই নয়, গাছ রক্ষণাবেক্ষণও কী ভাবে হবে, তা মনে করিয়ে দিলেন শুভেন্দু। তিনি জানান, কেন্দ্রের ‘জিরামজি’ প্রকল্পের আওতায় গাছ রক্ষণাবেক্ষণের কথা জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। সরকার তিন বছর গাছ সংরক্ষণ করবে।
ABOUT THE AUTHORSritama Mitraশ্রীতমা মিত্র হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার একজন চিফ কনটেন্ট প্রোডিউসার। ২০২১ সাল থেকে তিনি এই প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যুক্ত। জাতীয় এবং আন্তর্জাতিক সংবাদের পাশাপাশি শ্রীতমার আগ্রহের জায়গা ক্রিকেট। এছাড়াও তিনি জ্যোতিষ বিভাগ দেখাশোনা করেন এবং জীবনযাপন সংক্রান্ত প্রতিবেদন লিখতেও তাঁর আগ্রহ রয়েছে। পেশাদার জীবন: পেশাদার জীবনের শুরুতে শ্রীতমা আকাশবাণী, শান্তিনিকেতনে উপস্থাপিকা হিসেবে কাজ করেছেন। ২০১০ সালে তিনি ইটিভি নিউজ বাংলায় কপি এডিটর হিসেবে যোগদান করেন। পরবর্তীতে ওয়ানইন্ডিয়া-সহ বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে কাজ করার পর তিনি হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় যোগ দেন। শিক্ষাগত যোগ্যতা: শ্রীতমা মিত্র ইংরেজিতে স্নাতক (বি.এ.) এবং বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয়, শান্তিনিকেতন থেকে সাংবাদিকতা ও গণযোগাযোগে স্নাতকোত্তর (এম.এ.) ডিগ্রি অর্জন করেন। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: সাংবাদিকতার বাইরে শ্রীতমা একজন সাহিত্যপ্রেমী, ভ্রমণও তাঁর অন্যতম নেশা। ছুটির দুপুরগুলো তাঁর কাটে গল্পের বই নিয়ে। একটু লম্বা ছুটি পেলে তিনি দেশের ভিতর বা কখনও সখনও দেশের বাইরেও বেড়াতে যেতে ভালোবাসেন। তবে তাঁর প্রতিটা বেড়ানোর পিছনেই কাজ করে কোনও না কোনও বই বা সিনেমা থেকে তৈরি হওয়া কৌতূহল। অজানাকে জানার আগ্রহই তাঁকে বার বার নিয়ে গিয়ে ফেলে নানা অচেনা শহরে। সেই সব অভিজ্ঞতাকে লেখার রূপ দিতেও পিছপা হন না শ্রীতমা।Read More
E-Paper


