Election 2026: কাজল শেখের স্নাতকের বিষয় কী ছিল! শুভেন্দু থেকে মিনাক্ষীদের শিক্ষাগত যোগ্যতা প্রকাশ করল নির্বাচনী হলফনামা

প্রার্থীদের কার শিক্ষাগত যোগ্য়তা কত, কার দখলে কত সম্পত্তি তা দেখে নিন।

Published on: Apr 5, 2026, 18:03:04 IST
Share
Share via
  • facebook
  • twitter
  • linkedin
  • whatsapp
Copy link
  • copy link

বাংলা বিধানসভা ভোট ২০২৬ র রণদামামা বেজে গিয়েছে। একের পর এক হাইভোল্টেজ প্রার্থীরা জমা দিতে শুরু করে দিয়েছেন। ভবানীপুরের বিজেপি প্রার্থী শুভেন্দু অধিকারী থেকে বীরভূমের হাসনের প্রার্থী কাজল শেখ, খড়গপুরের বিজেপি প্রার্থী দিলীপ ঘোষ থেকে হুগলির উত্তরপাড়ায় বামেদের তুরুপের তাস মিনাক্ষী মুখোপাধ্যায়রা ইতিমধ্যেই তাঁদের নির্বাচনী হলফনামা জমা দিয়েছেন। তাতে তাঁদের সম্পত্তির পরিমাণ থেকে শুরু করে শিক্ষাগত যোগ্যতার তথ্য উঠে এসেছে। কার শিক্ষাগত যোগ্যতা কী, কার কত সম্পত্তি, দেখে নিন।

শুভেন্দু থেকে মীনাক্ষী,কাজল শেখদের শিক্ষাগত যোগ্যতা কী! নির্বাচনী হলফনামা বলছে..
শুভেন্দু থেকে মীনাক্ষী,কাজল শেখদের শিক্ষাগত যোগ্যতা কী! নির্বাচনী হলফনামা বলছে..

মিনাক্ষী মুখোপাধ্যায়

সদ্য শ্রীরামপুর মহকুমাশাসকের দফতরে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন মিনাক্ষী। বামেদের এই উত্তরপাড়ার প্রার্থী, হলফনামায় জানিয়েছেন, মিনাক্ষীর না আছে কৃষি জমি, না আছে বাড়ি, না আছে গয়না। ২০২৬ সালের হলফনামায় এমনটা জানিয়েছেন তিনি। যদিও ২০২১ সালের হলফনামায় ৪৩৫ বর্গফুটের বাড়ির কথা উল্লেখ করেছিলেন মিনাক্ষী। মিনাক্ষীর কাছে রয়েছে একটি স্কুটার। তাও সেটি ১২ বছরের পুরনো। দলের তরফে পান মানিক ভাতা, কবে ভাতার পরিমাণ তিনি উল্লেখ করেননি হলফনামায়। ৪ এপ্রিলের হিসাব অনুযায়ী, মিনাক্ষীর মোট ৫,৭৮,৪৫৬ টাকার অস্থাবর সম্পত্তি রয়েছে। এর মধ্যে তাঁর হাতে নগদ ২,০০০ টাকা রয়েছে। চারটি ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট রয়েছে তাঁর। তিনটি সেভিংস অ্যাকাউন্ট এবং একটি পিপিএফ অ্যাকাউন্ট। তাঁর শিক্ষাগত যোগ্যতা বলছে, ২০০৭ সালে বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর পাশ করেন মিনাক্ষী। এর পরে বিএড-ও করেন। পরে ২০১০ সালে তিনি বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বিএড পাশ করেন।

শুভেন্দু অধিকারী

হাইভোল্টেজ ভবানীপুর কেন্দ্রে বিজেপি প্রার্থী শুভেন্দু অধিকারী। তাঁর পেশ করা নির্বাচনী হলফনামা বলছে, বর্তমানে তাঁর অস্থাবর সম্পত্তির পরিমাণ ২৪ লক্ষ ৫৭ হাজার ৬০০ টাকা। স্থাবর সম্পত্তি রয়েছে ৬১ লক্ষ ৩০ হাজার টাকা। অর্থাৎ, এখন তিনি মোট ৮৫ লক্ষ ৮৭ হাজার ৬০০ টাকার মালিক। তাঁর হাতে নগদের অঙ্ক ১২ হাজার টাকা। তিনি জানিয়েছেন, তিনি ২ টি ফ্ল্যাট় কিনেছেন। এক বাসভবনের এক চতুর্থাংশ তাঁকে দেওয়া হয়েছে। তাঁর রয়েছে কৃষিজমিও। হলফনামায় শুভেন্দু জানিয়েছেন, ২০১১ সালে তিনি রবীন্দ্রভারতী বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতোকোত্তর পাশ করেন।

দিলীপ ঘোষ

খড়গপুরের বিজেপি প্রার্থী বর্তমানে তাঁর হাতে রয়েছে নগদ সাড়ে তিন লক্ষ টাকা। স্ত্রী রিঙ্কু মজুমদারের কাছে আছে ৫০ লক্ষ টাকা। পোস্ট অফিসে স্থায়ী আমানত আছে দিলীপের। বিনিয়োগ করেছেন ৩ লক্ষ ৩১ হাজার টাকা। পোস্ট অফিসে সাড়ে চার লক্ষ টাকার এমআইএস-ও আছে। জীবনবিমাও রয়েছে দিলীপের। সব মিলিয়ে দিলীপের অস্থাবর সম্পত্তির পরিমাণ ২৮ লক্ষ ৭৫ হাজার ৮০৫ টাকা। স্ত্রীর অস্থাবর সম্পত্তির মূল্য ২২ লক্ষ ৯৮ হাজার টাকা। মেদিনীপুরের ভূমিপুত্র দিলীপ ঘোষের ১.৮৮ একরের কৃষিজমি রয়েছে। দিলীপের ফ্ল্যাট এবং বাড়ির মিলিত বাজারমূল্য ১ কোটি ৮৫ লক্ষ টাকা। রাজারহাটে শাপুরজি-পালোনজি গোষ্ঠীর তৈরি একটি ফ্ল্যাটের মালিক দিলীপের স্ত্রী রিঙ্কু। হলফনামায় দিলীপ ঘোষ জানান, ১৯৮০ সালে মাধ্যমিক পাশ করেন দিলীপ। পরে ১৯৮২ সালে ঝাড়গ্রাম থেকে ভোকেশনাল কোর্স করেন।

কাজল শেখ

বঙ্গ রাজনীতিতে অন্যতম এক লাইমলাইট কাড়া নাম কাজল শেখ। বীরভূমের এই দাপুটে রাজনৈতিক নেতা হাসনের প্রার্থী। নির্বাচন কমিশনের খাতায় তিনি ফয়েজ়ুল হক। পেশা হিসাবে তিনি দেখিয়েছেন তিনি একজন মাছচাষি। কাজলের কাছে, ১ লক্ষ ১৭ হাজার ২৫৬ টাকা নগদ রয়েছে। হলফনামার তথ্য বলছে, তাঁর স্ত্রীর হাতে আছে ১ লক্ষ ৩৭ হাজার ৭৯৯ টাকা। কাজলের মোট অস্থাবর সম্পত্তির পরিমাণ ৫৪ লক্ষ ১১ হাজার ৯০০ টাকা। এ ছাড়া, কাজল শেখের স্ত্রী ২৭ লক্ষ ৯০ হাজার ২২৮ টাকার অস্থাবর সম্পত্তির মালিক। কাজলের নামে মোট ১ কোটি ৫৩ লক্ষ ৮৫ হাজার ৬৭০ টাকার স্থাবর সম্পত্তি রয়েছে। তাঁর স্ত্রীর স্থাবর সম্পত্তির পরিমাণ ৯৩ লক্ষ টাকা। মাছ চাষের ব্যবসা ছাড়াও অন্যান্য চাষাবাদ থেকেও কাজলের উপার্জন হয় বলে জানানো হয়েছে। কাজল শেখের হলফনামায় রয়েছে, মেঘালয়ের সিএমজে বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ইংরেজিতে স্নাতক পাশ করেছেন তিনি।

  • Sritama Mitra
    ABOUT THE AUTHOR
    Sritama Mitra

    শ্রীতমা মিত্র হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার একজন চিফ কনটেন্ট প্রোডিউসার। ২০২১ সাল থেকে তিনি এই প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যুক্ত। জাতীয় এবং আন্তর্জাতিক সংবাদের পাশাপাশি শ্রীতমার আগ্রহের জায়গা ক্রিকেট। এছাড়াও তিনি জ্যোতিষ বিভাগ দেখাশোনা করেন এবং জীবনযাপন সংক্রান্ত প্রতিবেদন লিখতেও তাঁর আগ্রহ রয়েছে। পেশাদার জীবন: পেশাদার জীবনের শুরুতে শ্রীতমা আকাশবাণী, শান্তিনিকেতনে উপস্থাপিকা হিসেবে কাজ করেছেন। ২০১০ সালে তিনি ইটিভি নিউজ বাংলায় কপি এডিটর হিসেবে যোগদান করেন। পরবর্তীতে ওয়ানইন্ডিয়া-সহ বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে কাজ করার পর তিনি হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় যোগ দেন। শিক্ষাগত যোগ্যতা: শ্রীতমা মিত্র ইংরেজিতে স্নাতক (বি.এ.) এবং বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয়, শান্তিনিকেতন থেকে সাংবাদিকতা ও গণযোগাযোগে স্নাতকোত্তর (এম.এ.) ডিগ্রি অর্জন করেন। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: সাংবাদিকতার বাইরে শ্রীতমা একজন সাহিত্যপ্রেমী, ভ্রমণও তাঁর অন্যতম নেশা। ছুটির দুপুরগুলো তাঁর কাটে গল্পের বই নিয়ে। একটু লম্বা ছুটি পেলে তিনি দেশের ভিতর বা কখনও সখনও দেশের বাইরেও বেড়াতে যেতে ভালোবাসেন। তবে তাঁর প্রতিটা বেড়ানোর পিছনেই কাজ করে কোনও না কোনও বই বা সিনেমা থেকে তৈরি হওয়া কৌতূহল। অজানাকে জানার আগ্রহই তাঁকে বার বার নিয়ে গিয়ে ফেলে নানা অচেনা শহরে। সেই সব অভিজ্ঞতাকে লেখার রূপ দিতেও পিছপা হন না শ্রীতমা।Read More