Swapan Dasgupta on Budget: ‘ধারাবাহিকতা ও পরিবর্তনের মেলবন্ধন’, বাজেটের আগে বার্তা অর্থমন্ত্রী স্বপন দাশগুপ্তর
স্বপন দাশগুপ্ত বলেন, ‘সবটাই নতুন বার্তা। অনেকটাই নতুন বার্তা। তবে, সব জিনিস তো নতুন হয় না। কিছুটা পুরনোও আছে। সংসদীয় গণতন্ত্র ৭০ বছরের। এটার মধ্যে অনেক ধারাবাহিকতা রয়েছে, আবার অনেকটা পরিবর্তনও রয়েছে। দু’টোই মিশিয়ে আমরা সামনের দিনে চলব।’
রাজ্যের প্রথম বিজেপি সরকারের প্রথম পূর্ণাঙ্গ বাজেট পেশের আগে গুরুত্বপূর্ণ বার্তা দিলেন অর্থমন্ত্রী স্বপন দাশগুপ্ত। সোমবার সকালে হাতে বিশেষ বাজেট ফাইল নিয়ে নিজের বাসভবন থেকে বিধানসভার উদ্দেশে রওনা দেন তিনি। বেরোনোর সময় সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে বাজেটের দর্শন ও সরকারের ভবিষ্যৎ ভাবনা সম্পর্কে ইঙ্গিতপূর্ণ মন্তব্য করেন অর্থমন্ত্রী।

স্বপন দাশগুপ্ত বলেন, ‘সবটাই নতুন বার্তা। অনেকটাই নতুন বার্তা। তবে, সব জিনিস তো নতুন হয় না। কিছুটা পুরনোও আছে। সংসদীয় গণতন্ত্র ৭০ বছরের। এটার মধ্যে অনেক ধারাবাহিকতা রয়েছে, আবার অনেকটা পরিবর্তনও রয়েছে। দু’টোই মিশিয়ে আমরা সামনের দিনে চলব।’
অর্থমন্ত্রীর এই মন্তব্য ঘিরে রাজনৈতিক মহলে শুরু হয়েছে নানা জল্পনা। বিশেষজ্ঞদের মতে, নতুন সরকার একদিকে পূর্ববর্তী প্রশাসনিক কাঠামোর কিছু ইতিবাচক দিক বজায় রাখতে চাইছে, অন্যদিকে নিজেদের রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক দর্শনের প্রতিফলন ঘটিয়ে নতুন কর্মসূচি ও নীতি প্রণয়ন করতে চাইছে। স্বপন দাশগুপ্তর বক্তব্যে সেই ভারসাম্যেরই ইঙ্গিত মিলেছে।
এদিন অর্থমন্ত্রীর হাতে থাকা বিশেষ বাজেট ফাইলও নজর কেড়েছে। মাদুরকাঠি ও জুট বা পাট দিয়ে তৈরি ওই ফাইলকে ঘিরে ইতিমধ্যেই আলোচনা শুরু হয়েছে। অনেকের মতে, স্থানীয় শিল্প, পরিবেশবান্ধব উদ্যোগ এবং ‘ভোকাল ফর লোকাল’-এর বার্তাকে সামনে আনতেই এই ধরনের ফাইল ব্যবহার করা হয়েছে। ফলে বাজেটের বিষয়বস্তুর পাশাপাশি তার উপস্থাপনাও রাজনৈতিকভাবে তাৎপর্যপূর্ণ হয়ে উঠেছে।
বিধানসভায় পেশ হতে চলা এই বাজেটকে ঘিরে প্রত্যাশা তুঙ্গে। নতুন সরকার ক্ষমতায় আসার পর এটি অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অর্থনৈতিক নথি। শিল্প, কৃষি, কর্মসংস্থান, অবকাঠামো, শিক্ষা ও স্বাস্থ্য খাতে সরকারের অগ্রাধিকারের প্রতিফলন ঘটবে এই বাজেটে। একইসঙ্গে রাজ্যের আর্থিক অবস্থার মোকাবিলায় সরকার কী ধরনের রূপরেখা গ্রহণ করে, সেদিকেও নজর রয়েছে রাজনৈতিক মহল থেকে সাধারণ মানুষের।
স্বপন দাশগুপ্তর বক্তব্যে স্পষ্ট, সরকার সম্পূর্ণ নতুন পথে হাঁটার পরিবর্তে অভিজ্ঞতা ও ঐতিহ্যকে সঙ্গে নিয়েই পরিবর্তনের বার্তা দিতে চাইছে। তাঁর কথায়, গণতান্ত্রিক ব্যবস্থার দীর্ঘ অভিজ্ঞতা এবং নতুন সরকারের উন্নয়ন ভাবনা— এই দুইয়ের সমন্বয় ঘটিয়েই আগামী দিনের পথচলা নির্ধারণ করা হবে। বাজেটের ঘোষণাগুলিতে সেই দর্শনের প্রতিফলন কতটা দেখা যায়, এখন সেদিকেই তাকিয়ে রাজ্যবাসী।
ABOUT THE AUTHORAbhijit Chowdhury২০২১ সাল থেকে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন অভিজিৎ চৌধুরী। ২০১৮ সালে সালে তাঁর পেশাদার জীবনের শুরু। জাতীয়, আন্তর্জাতিক বিষয়, বাংলার রাজনীতি এবং খেলাধুলোর বিষয়ে লেখার ক্ষেত্রে ৮ বছরের অভিজ্ঞতা রয়েছে তাঁর। আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে আমেরিকা, পাকিস্তান এবং বাংলাদেশের বিষয়ে তাঁর আগ্রহ সবচেয়ে বেশি। কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সাংবাদিকতায় স্নাতকোত্তর ডিগ্রি পাশ করেই সাংবাদিকতার জগতে প্রবেশ করেছেন অভিজিৎ। হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় যোগদানের আগে ওয়ানইন্ডিয়া এবং ইটিভি ভারতে কাজ করার অভিজ্ঞতা রয়েছে অভিজিতের। এছাড়া আকাশবাণীতে রেডিও জকি হিসেবেও কাজ করেছিলেন তিনি। খবরের জগৎ ছাড়া খেলাধুলো, ইতিহাসে অভিজিতের আগ্রহ রয়েছে। শিক্ষাগত যোগ্যতা: সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন নিয়ে অভিজিৎ তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন আশুতোষ কলেজ থেকে। এরপর কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে একই বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: ক্রিকেট, ফুটবল, টেনিস ছাড়া প্রায় সব ধরনের খেলা দেখতে তিনি ভীষণ ভালোবাসেন। কাজের বাইরে তাঁর অবসর কাটে বই পড়ে এবং বিভিন্ন বিষয়ে ডকুমেন্টারি দেখে।Read More
E-Paper


