Taratala Warehouse: তারাতলায় CM! ‘তৃণমূল আমলের অনুমোদিত সব প্ল্যান অডিট হবে’, আর কী বললেন শুভেন্দু? মৃত বেড়ে ৫,ধৃত ৩
তারাতলায় কী পরিস্থিতি! রইল আপডেট।
তারাতলায় গুদাম ভেঙে পড়া কাণ্ডে মৃত্যু হয়েছে ৫ জনের। আহতের সংখ্যা ১৮। ইতিমধ্যেই সেখানে এনডিআরএফর টিমও উদ্ধারের কাজে সহায়তা করতে শুরু করেছে। ঘটনাস্থলে গিয়েছেন রাজ্যের মন্ত্রীরা। পৌঁছেছেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। গ্রেফতার করা হয়েছে ৩ জনকে। ধৃতরা হল সৈয়দ মহম্মদ গুলজার, মহম্মদ আতাউল ও সুভাষ চৌধুরী। জানা গিয়েছে, সৈয়দ মহম্মদ গুলজার ছিল ওই নির্মাণকাজের সুপারভাইজার। আতাউল এবং সুভাষই কাজের জন্য শ্রমিক সরবরাহ করত।

তারাতলায় ভেঙে পড়া গুদামের নিচে থেকে এখনও আর্তনাদের কণ্ঠ শোনা যাচ্ছে। মনে করা হচ্ছে ১২ থেকে ১৫ জন এখনও তার ভিতরে আটক। রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী জানিয়েছেন, ‘যে হেতু বিধানসভা চলছে ক্ষতিপূরণ বা ইত্যাদি বিষয়ে আগামিকাল সকাল ১১টায় অধ্যক্ষের অনুমতি নিয়ে বিবৃতি দেবো।’
ইতিমধ্যেই উদ্ধারে গতি আনতে ক্রেন ব্যবহার করা হচ্ছে। ক্রেন দিয়ে ভেঙে পড়া কাঠামোটিকে আটকে রাখা হয়েছে, যাতে সেটি নতুন করে আর ধসে যেতে না পারে। এদিকে নবান্নের সাংবাদিক বৈঠক থেকে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী বলেন, তারাতলায় দুর্ঘটনাগ্রস্ত গুদামঘরের প্ল্যান ত্রুটিযুক্ত ছিল বলে প্রাথমিক ভাবে জানিয়েছেন কলকাতা পুরসভার ইঞ্জিনিয়ারেরা। তিনি স্পষ্টভাবে বলেন, ‘তৃণমূলের আমলে অনুমোদিত সব প্ল্যান অডিট হবে।’ তিনি এও জানিয়েছেন যে, ৩১ জুলাই পর্যন্ত সব কাজ বন্ধ থাকবে।
এদিকে, জানা যাচ্ছে, তারাতলা গোডাউনের কন্ট্র্যাক্ট ছিল বেহেরা ব্রাদার্সের হাতে। সংস্থার অফিসে পৌঁছে গিয়েছে গোয়েন্দা টিম। সংস্থার এক ম্যানেজারকে আটক করা হয়েছে বলে জানা যাচ্ছে। এদিকে, উদ্ধারের সময় প্রথমে ভেঙে পড়া কাঠামোর পিছন দিকে একটি জায়গা দিয়ে মাটি কেটে ভিতরে ঢোকার চেষ্টা করেছিলেন উদ্ধারকারীরা। কিন্তু সেই চেষ্টা সফল হয়নি। এদিকে, আহতদের উদ্ধার করে এসএসকেএম হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। বাকিদের খোঁজ তল্লাশিতে সেখানে স্নিফার ডগও রয়েছে। এই উদ্ধার কাজ রাত পর্যন্তও গড়াতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে। সেদিক থেকে রাতে যাতে বিদ্যুতের সহায়তা থাকে, সেদিকে নজর দেওয়া হয়েছে। ঘটনাস্থলে তৈরি করা হচ্ছে অস্থায়ী মেডিক্যাল ক্যাম্প।
ABOUT THE AUTHORSritama Mitraশ্রীতমা মিত্র হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার একজন চিফ কনটেন্ট প্রোডিউসার। ২০২১ সাল থেকে তিনি এই প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যুক্ত। জাতীয় এবং আন্তর্জাতিক সংবাদের পাশাপাশি শ্রীতমার আগ্রহের জায়গা ক্রিকেট। এছাড়াও তিনি জ্যোতিষ বিভাগ দেখাশোনা করেন এবং জীবনযাপন সংক্রান্ত প্রতিবেদন লিখতেও তাঁর আগ্রহ রয়েছে। পেশাদার জীবন: পেশাদার জীবনের শুরুতে শ্রীতমা আকাশবাণী, শান্তিনিকেতনে উপস্থাপিকা হিসেবে কাজ করেছেন। ২০১০ সালে তিনি ইটিভি নিউজ বাংলায় কপি এডিটর হিসেবে যোগদান করেন। পরবর্তীতে ওয়ানইন্ডিয়া-সহ বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে কাজ করার পর তিনি হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় যোগ দেন। শিক্ষাগত যোগ্যতা: শ্রীতমা মিত্র ইংরেজিতে স্নাতক (বি.এ.) এবং বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয়, শান্তিনিকেতন থেকে সাংবাদিকতা ও গণযোগাযোগে স্নাতকোত্তর (এম.এ.) ডিগ্রি অর্জন করেন। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: সাংবাদিকতার বাইরে শ্রীতমা একজন সাহিত্যপ্রেমী, ভ্রমণও তাঁর অন্যতম নেশা। ছুটির দুপুরগুলো তাঁর কাটে গল্পের বই নিয়ে। একটু লম্বা ছুটি পেলে তিনি দেশের ভিতর বা কখনও সখনও দেশের বাইরেও বেড়াতে যেতে ভালোবাসেন। তবে তাঁর প্রতিটা বেড়ানোর পিছনেই কাজ করে কোনও না কোনও বই বা সিনেমা থেকে তৈরি হওয়া কৌতূহল। অজানাকে জানার আগ্রহই তাঁকে বার বার নিয়ে গিয়ে ফেলে নানা অচেনা শহরে। সেই সব অভিজ্ঞতাকে লেখার রূপ দিতেও পিছপা হন না শ্রীতমা।Read More
E-Paper


