Winter Weather Forecast in Kolkata: ঝপ করে ১.১ ডিগ্রি পড়ল কলকাতার পারদ, ঝাঁকিয়ে শীত ফিরছে ফেব্রুয়ারির শুরুতেই?
আজ কলকাতার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১.১ ডিগ্রি সেলসিয়াস কমে গেল। আজ কলকাতার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা হল ১৬.৮ ডিগ্রি। যা স্বাভাবিকের থেকে অবশ্য ১.২ ডিগ্রি বেশি। আর কলকাতার সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ঠেকেছে ২৬ ডিগ্রি সেলসিয়াসে।
মোটামুটি ১৫-১৬-১৭ ডিগ্রি সেলসিয়াসের আছে। কিন্তু কলকাতার সর্বনিম্ন তাপমাত্রার গ্রাফ বেশ ওঠানামা করছে। আজ যেমন কলকাতার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা একধাক্কায় ১.১ ডিগ্রি সেলসিয়াস পড়ে গিয়েছে। আলিপুর আবহাওয়া দফতরের তরফে জানানো হয়েছে, আজ কলকাতার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা হল ১৬.৮ ডিগ্রি। যা স্বাভাবিকের থেকে অবশ্য ১.২ ডিগ্রি বেশি। আর কলকাতার সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ঠেকেছে ২৬ ডিগ্রিতে। যা স্বাভাবিকের থেকে ০.৩ ডিগ্রি কম। সার্বিকভাবে আজ কলকাতার সর্বোচ্চ তাপমাত্রা (দিনের তাপমাত্রা) থাকবে ২৬ ডিগ্রির আশপাশে। আর সর্বনিম্ন তাপমাত্রা (রাতের তাপমাত্রা) ১৭ ডিগ্রির আশপাশে ঘোরাফেরা করবে।

কলকাতার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা উত্থান-পতন
১) সোমবার: ১৫.৬ ডিগ্রি।
২) মঙ্গলবার: ১৬.১ ডিগ্রি। সোমবারের থেকে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ০.৫ ডিগ্রি বৃদ্ধি পেয়েছে।
৩) বুধবার: ১৫.৬ ডিগ্রি। মঙ্গলবারের থেকে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ০.৫ ডিগ্রি কমে গিয়েছে। অর্থাৎ চলতি সপ্তাহের সোমবার এবং বুধবার কলকাতার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা একই ছিল।
৪) বৃহস্পতিবার: ১৬.৮ ডিগ্রি। একলপ্তে কলকাতার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১.২ ডিগ্রি বেড়ে যায়।
৫) শুক্রবার: ১৭.৯ ডিগ্রি। শুক্রবার কলকাতার পারদ আরও চড়েছিল। সর্বনিম্ন তাপমাত্রা বৃদ্ধি পেয়েছিল ১.১ ডিগ্রি। অর্থাৎ দু'দিনে কলকাতার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ২.৩ ডিগ্রি বৃদ্ধি পায়।
৬) শনিবার: ১৬.৮ ডিগ্রি।
জাঁকিয়ে শীত কি পড়বে কলকাতায়?
তবে আজ কলকাতার তাপমাত্রা একধাক্কায় ১.১ ডিগ্রি কমে গেলেও আপাতত জাঁকিয়ে শীত বা দাপুটে ঠান্ডা পড়ার কোনও সম্ভাবনা নেই। শীতের বিদায় না হলেও আগামী এক সপ্তাহ সর্বনিম্ন তাপমাত্রার বিশেষ কোনও পরিবর্তন হবে না। এরকমই ১৬-১৭ ডিগ্রির ঘরে থাকবে কলকাতার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা থাকবে। কোনওদিন একটু বাড়বে, কোনওদিন একটু কমবে। কিন্তু সার্বিকভাবে ওই স্তরেই ঘোরাফেরা করবে কলকাতার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা। আর আগামী ৬ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত কলকাতার আবহাওয়া শুষ্ক থাকবে।
যত নষ্টের গোড়া পশ্চিমী ঝঞ্ঝা
আবহবিদরা জানিয়েছেন, উত্তর ভারতের বিভিন্ন অংশ দিয়ে একের পর এক পশ্চিমী ঝঞ্ঝা এসেই যাচ্ছে। আর তার জেরে পশ্চিমবঙ্গে উত্তুরে হাওয়ার পথ বাধাপ্রাপ্ত হচ্ছে। স্বভাবতই চড়ছে পারদ। বৃহস্পতিবারের মধ্যে কমপক্ষে তিনটি পশ্চিমী ঝঞ্ঝা পেরোবে উত্তর ভারত দিয়ে। তার জেরে ঠান্ডা বাতাস পশ্চিমবঙ্গে আসছেই না। স্বভাবতই জাঁকিয়ে শীত বা দাপুটে পড়ছে না কলকাতা-সহ পশ্চিমবঙ্গের বিভিন্ন প্রান্তে।
ABOUT THE AUTHORAyan Dasঅয়ন দাস হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রোডিউসার। প্রায় এক দশক ধরে সাংবাদিকতার সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত আছেন। সাংবাদিক হিসেবে তিনি মূলত পশ্চিমবঙ্গ-সহ ভারতের রাজনীতি, সমসাময়িক ঘটনাপ্রবাহ এবং পরিকাঠামো উন্নয়ন সংক্রান্ত বিভিন্ন খবর পাঠকদের সামনে তুলে ধরেন। ট্রেন, মেট্রো, আবহাওয়া, খেলাধুলোর প্রতি বিশেষ আগ্রহ রয়েছে। নিয়মিত সেইসব বিষয়েও প্রতিবেদন লিখে থাকেন। পেশাদার অভিজ্ঞতা: কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময় দ্য টাইমস অফ ইন্ডিয়া, ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন অফ বেঙ্গল (সিএবি), স্পোর্টসকিডার মতো সংস্থায় ইন্টার্নশিপ করার পরে ২০১৮ সাল থেকে অয়নের পেশাদার জীবনের সূচনা হয়। পেশাদার সাংবাদিক জীবনের শুরুটা হয় ইটিভি ভারতে। সেখানে এক বছর দু'মাস কাজ করার পরে ২০১৯ সালের ১১ নভেম্বর যোগ দেন হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায়। চারদিন পরে আনুষ্ঠানিকভাবে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা চালু হয়। অর্থাৎ একেবারে প্রথম থেকেই হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় আছেন। বর্তমানে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে পশ্চিমবঙ্গের রাজ্য-রাজনীতি, ভারতের রাজনীতি, ট্রেন-মেট্রো-শিল্প সংক্রান্ত পরিকাঠামো-নির্ভর খবর, চাকরির খবর, ক্রিকেট-ফুটবলের মতো খেলাধুলোর খবরের প্রতিবেদন লিখে থাকেন। বিশেষ করে ব্রেকিং নিউজ, রাজনৈতিক বিশ্লেষণ এবং সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনের উপরে প্রভাব ফেলে, এমন খবর লেখার ক্ষেত্রে তিনি বিশেষভাবে পারদর্শী। শিক্ষাগত যোগ্যতা: নঙ্গী হাইস্কুল এবং নিউ আলিপুর মাল্টিপারপাস স্কুল থেকে প্রাথমিক পড়াশোনার পরে আশুতোষ কলেজ থেকে সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে অয়ন স্নাতক হয়েছেন। তারপর একই বিষয়ে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছেন। ব্যক্তিগত পছন্দ এবং নেশা: অয়ন মনেপ্রাণে পাহাড়প্রেমিক। সুযোগ পেলেই পাহাড়ে ঘুরতে চলে যান। বরফ ও তুষারপাতের প্রতি বিশেষ জায়গা রয়েছে হৃদয়ে। তাছাড়াও ভারতীয় সেনা, ভারতীয় বায়ুসেনা ও ভারতীয় নৌসেনার প্রতি বিশেষ টান রয়েছে। ভারতীয় জওয়ানদের বীরত্ব, তাঁদের লড়াই নিয়ে বই পড়তে বা তথ্যচিত্র দেখতে ভালোবাসেন। ছোটোবেলায় নিজেরও ভারতীয় সেনায় যোগ দেওয়ার ইচ্ছা ছিল।Read More
E-Paper


