WB Winter Rain Forecast till 4th Jan: ‘বহিরাগত’ ঝঞ্ঝায় ২৬-র শুরুতেই শীত কমবে বাংলায়, বৃষ্টিও নামবে, কবে কবে বরফ পড়বে?
২০২৬ সালের শুরুতেই শীতের দাপট কমবে পশ্চিমবঙ্গে। গত কয়েকদিন ধরে পশ্চিমবঙ্গে যে জাঁকিয়ে ঠান্ডা পড়েছে, সেটা পয়লা জানুয়ারি থেকে অনেকটাই উধাও হয়ে যাবে। এমনকী আগামী ৪ জানুয়ারি কলকাতার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১৬ ডিগ্রিতে পৌঁছে যেতে পারে।
বিধানসভা নির্বাচনের জন্য ছাব্বিশে বাংলায় যে 'প্রবল উত্তাপ' থাকবে, তা নিয়ে কোনও সন্দেহ নেই। আর আবহাওয়ার দিক থেকেও ছাব্বিশের শুরুটা হতে চলেছে 'গরমের' মধ্যে দিয়েই। গত কয়েকদিন ধরে পশ্চিমবঙ্গে যে জাঁকিয়ে ঠান্ডা পড়েছে, সেটা পয়লা জানুয়ারি থেকে অনেকটাই উধাও হয়ে যাবে। এমনকী আগামী ৪ জানুয়ারি কলকাতার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১৬ ডিগ্রিতে পৌঁছে যেতে পারে। যা এই সপ্তাহেই ১২.৯ ডিগ্রিতে নেমে গিয়েছিল। পারদ চড়বে অন্যান্য জেলারও।

কবে শীতের প্রত্যাবর্তন হবে বাংলায়?
আবহবিদরা জানিয়েছেন, নয়া পশ্চিমী ঝঞ্ঝার জেরে উত্তুরে হাওয়ার পথ রুদ্ধ হয়ে যাবে। আর তার জেরেই পারদ চড়বে পশ্চিমবঙ্গের। রাতের তাপমাত্রা বাড়বে। দিনেও কমে যাবে শীতের অনুভূতি। সবমিলিয়ে পশ্চিমী ঝঞ্ঝার গুঁতোয় ২০২৬ সালের শুরুতেই শীত নিজের মারণ কামড় অনেকটাই হারিয়ে ফেলবে। আর সেই ধাক্কা কাটিয়ে কবে থেকে শীতের দাপুটে প্রত্যাবর্তন হবে, তা এখনই হলফ করে বলতে পারছেন না আবহবিদরা। তাঁদের বক্তব্য, যত দ্রুত পশ্চিমী ঝঞ্ঝার প্রভাব কেটে যাবে, তত শীতের প্রত্যাবর্তনের পথ প্রশস্ত হবে।
কবে কোন জেলায় বৃষ্টি হবে? পাহাড়ে তুষারপাত কবে?
১) সোমবার, মঙ্গলবার, বুধবার, বৃহস্পতিবার, শুক্রবার এবং শনিবার দক্ষিণবঙ্গের সব জেলার (কলকাতা, হুগলি, উত্তর ২৪ পরগনা, দক্ষিণ ২৪ পরগনা, পূর্ব মেদিনীপুর, পশ্চিম মেদিনীপুর, ঝাড়গ্রাম, পুরুলিয়া, বাঁকুড়া, পূর্ব বর্ধমান, পশ্চিম বর্ধমান, বীরভূম, মুর্শিদাবাদ এবং নদিয়া) আবহাওয়া শুষ্ক থাকবে।
২) সোমবার, মঙ্গলবার এবং বুধবার উত্তরবঙ্গের প্রতিটি জেলার (দার্জিলিং, জলপাইগুড়ি, কালিম্পং, আলিপুরদুয়ার, কোচবিহার, উত্তর দিনাজপুর, দক্ষিণ দিনাজপুর এবং মালদা) আবহাওয়া শুষ্ক থাকবে। বুধবার, বৃহস্পতিবার এবং শুক্রবার দার্জিলিঙের একটি বা দুটি অংশে হালকা বৃষ্টি বা তুষারপাত হতে পারে। বৃহস্পতিবার এবং শুক্রবার কালিম্পঙের একটি বা দুটি অংশে হতে পারে বৃষ্টিপাত বা তুষারপাত। সেইসঙ্গে বৃহস্পতিবার এবং শুক্রবার একটি বা দুটি অংশে হালকা বৃষ্টি হতে পারে।
কোন কোন জেলায় কুয়াশার দাপট থাকবে?
সোমবার, মঙ্গলবার, বুধবার, বৃহস্পতিবার এবং শুক্রবার ভোর এবং সকালের দিকে পশ্চিমবঙ্গের প্রতিটি জেলার (দার্জিলিং, জলপাইগুড়ি, কালিম্পং, আলিপুরদুয়ার, কোচবিহার, উত্তর দিনাজপুর, দক্ষিণ দিনাজপুর, মালদা, কলকাতা, হুগলি, উত্তর ২৪ পরগনা, দক্ষিণ ২৪ পরগনা, পূর্ব মেদিনীপুর, পশ্চিম মেদিনীপুর, ঝাড়গ্রাম, পুরুলিয়া, বাঁকুড়া, পূর্ব বর্ধমান, পশ্চিম বর্ধমান, বীরভূম, মুর্শিদাবাদ এবং নদিয়া) একটি বা দুটি অংশে হালকা থেকে মাঝারি কুয়াশা পড়তে পারে।
ABOUT THE AUTHORAyan Dasঅয়ন দাস হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রোডিউসার। প্রায় এক দশক ধরে সাংবাদিকতার সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত আছেন। সাংবাদিক হিসেবে তিনি মূলত পশ্চিমবঙ্গ-সহ ভারতের রাজনীতি, সমসাময়িক ঘটনাপ্রবাহ এবং পরিকাঠামো উন্নয়ন সংক্রান্ত বিভিন্ন খবর পাঠকদের সামনে তুলে ধরেন। ট্রেন, মেট্রো, আবহাওয়া, খেলাধুলোর প্রতি বিশেষ আগ্রহ রয়েছে। নিয়মিত সেইসব বিষয়েও প্রতিবেদন লিখে থাকেন। পেশাদার অভিজ্ঞতা: কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময় দ্য টাইমস অফ ইন্ডিয়া, ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন অফ বেঙ্গল (সিএবি), স্পোর্টসকিডার মতো সংস্থায় ইন্টার্নশিপ করার পরে ২০১৮ সাল থেকে অয়নের পেশাদার জীবনের সূচনা হয়। পেশাদার সাংবাদিক জীবনের শুরুটা হয় ইটিভি ভারতে। সেখানে এক বছর দু'মাস কাজ করার পরে ২০১৯ সালের ১১ নভেম্বর যোগ দেন হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায়। চারদিন পরে আনুষ্ঠানিকভাবে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা চালু হয়। অর্থাৎ একেবারে প্রথম থেকেই হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় আছেন। বর্তমানে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে পশ্চিমবঙ্গের রাজ্য-রাজনীতি, ভারতের রাজনীতি, ট্রেন-মেট্রো-শিল্প সংক্রান্ত পরিকাঠামো-নির্ভর খবর, চাকরির খবর, ক্রিকেট-ফুটবলের মতো খেলাধুলোর খবরের প্রতিবেদন লিখে থাকেন। বিশেষ করে ব্রেকিং নিউজ, রাজনৈতিক বিশ্লেষণ এবং সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনের উপরে প্রভাব ফেলে, এমন খবর লেখার ক্ষেত্রে তিনি বিশেষভাবে পারদর্শী। শিক্ষাগত যোগ্যতা: নঙ্গী হাইস্কুল এবং নিউ আলিপুর মাল্টিপারপাস স্কুল থেকে প্রাথমিক পড়াশোনার পরে আশুতোষ কলেজ থেকে সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে অয়ন স্নাতক হয়েছেন। তারপর একই বিষয়ে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছেন। ব্যক্তিগত পছন্দ এবং নেশা: অয়ন মনেপ্রাণে পাহাড়প্রেমিক। সুযোগ পেলেই পাহাড়ে ঘুরতে চলে যান। বরফ ও তুষারপাতের প্রতি বিশেষ জায়গা রয়েছে হৃদয়ে। তাছাড়াও ভারতীয় সেনা, ভারতীয় বায়ুসেনা ও ভারতীয় নৌসেনার প্রতি বিশেষ টান রয়েছে। ভারতীয় জওয়ানদের বীরত্ব, তাঁদের লড়াই নিয়ে বই পড়তে বা তথ্যচিত্র দেখতে ভালোবাসেন। ছোটোবেলায় নিজেরও ভারতীয় সেনায় যোগ দেওয়ার ইচ্ছা ছিল।Read More
E-Paper


