WB Weather Forecast till 3rd March: দোলের দিন ‘খেলা’ দেখাবে গরম! অনেক জেলার রাতেও পারদ থাকবে ২০-র উপরে, বৃষ্টি হবে?
দোলের সময় পশ্চিমবঙ্গে বেশ গরম থাকবে বলে জানাল আলিপুর আবহাওয়া দফতর।
বৃষ্টির জেরে একধাক্কায় পারদ পড়লেও সেই 'সুখ' বেশিদিন স্থায়ী হবে না। বরং দিনকয়েক পর থেকেই পশ্চিমবঙ্গের বিভিন্ন জেলার তাপমাত্রা বৃদ্ধি পাবে। আর মার্চের গোড়া থেকেই দক্ষিণবঙ্গের প্রায় সব জেলারই সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ২০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের গণ্ডি ছুঁয়ে ফেলবে। উত্তরবঙ্গেও বাড়বে তাপমাত্রা। আলিপুর আবহাওয়া দফতরের তরফে জানানো হয়েছে, আগামী তিনদিনে পশ্চিমবঙ্গের কোনও জেলার সর্বোচ্চ তাপমাত্রা (দিনের তাপমাত্রা) এবং সর্বনিম্ন তাপমাত্রার (রাতের তাপমাত্রা) বিশেষ কোনও হেরফের হবে না। তবে পরবর্তী চারদিনে উত্তরবঙ্গ এবং দক্ষিণবঙ্গের বিভিন্ন জেলার সর্বনিম্ন এবং সর্বোচ্চ তাপমাত্রা দুই থেকে চার ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত বৃদ্ধি পাবে। অর্থাৎ আপাতত যা পূর্বাভাস, তাতে দোলের দিন ভালোমতোই গরম থাকবে।

কোন কোন জেলায় বৃষ্টি হবে?
তারইমধ্যে সার্বিকভাবে শুষ্ক থাকবে পশ্চিমবঙ্গের আবহাওয়া। আজ কালিম্পঙের একটি বা দুটি অংশে বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বৃষ্টি হতে পারে। দার্জিলিঙের পার্বত্য অঞ্চলে তুষারপাত বা হালকা বৃষ্টির সম্ভাবনা আছে। তাছাড়া জলপাইগুড়ি, আলিপুরদুয়ার, কোচবিহার, উত্তর দিনাজপুর, দক্ষিণ দিনাজপুর এবং মালদার আবহাওয়া শুষ্ক থাকবে। তারপর বৃহস্পতিবার, শুক্রবার, শনিবার, রবিবার, সোমবার এবং মঙ্গলবার উত্তরবঙ্গের সব জেলার আবহাওয়া শুষ্ক থাকবে।
দক্ষিণবঙ্গের কোনও জেলায় বৃষ্টি হবে?
আর দক্ষিণবঙ্গের ক্ষেত্রে শুষ্ক থাকবে সব জেলারই (কলকাতা, হুগলি, উত্তর ২৪ পরগনা, দক্ষিণ ২৪ পরগনা, পূর্ব মেদিনীপুর, পশ্চিম মেদিনীপুর, ঝাড়গ্রাম, পুরুলিয়া, বাঁকুড়া, পূর্ব বর্ধমান, পশ্চিম বর্ধমান, বীরভূম, মুর্শিদাবাদ ও নদিয়া) আবহাওয়া। অর্থাৎ ফেব্রুয়ারির শেষ লগ্নে বছরের প্রথম বৃষ্টির পরে আপাতত ভিজবে না দক্ষিণবঙ্গের কোনও জেলা।
৪ মার্চ পশ্চিমবঙ্গের কোন জেলার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা কত থাকবে?
১) দার্জিলিং: ৭ ডিগ্রি।
২) কালিম্পং: ১২ ডিগ্রি।
৩) শিলিগুড়ি: ২০ ডিগ্রি।
৪) জলপাইগুড়ি: ১৭ ডিগ্রি।
৫) কোচবিহার: ১৭ ডিগ্রি।
৬) রতুয়া: ২০ ডিগ্রি।
৭) মালদা: ২০ ডিগ্রি।
৮) মুর্শিদাবাদ: ২০ ডিগ্রি।
৯) বহরমপুর: ২০ ডিগ্রি।
১০) শান্তিনিকেতন: ২০ ডিগ্রি।
১১) শ্রীনিকেতন: ২০ ডিগ্রি।
১২) পুরুলিয়া: ১৯ ডিগ্রি।
১৩) বাঁকুড়া: ১৯ ডিগ্রি।
১৪) বিষ্ণুপুর: ১৯ ডিগ্রি।
১৫) মেদিনীপুর: ২৩ ডিগ্রি।
১৬) ডায়মন্ড হারবার: ২২ ডিগ্রি।
১৭) দিঘা: ২২ ডিগ্রি।
১৮) হাওড়া: ২১ ডিগ্রি।
১৯) দমদম: ২২ ডিগ্রি।
২০) কৃষ্ণনগর: ২০ ডিগ্রি।
২১) অশোকনগর: ২১ ডিগ্রি।
২২) সল্টলেক: ২৩ ডিগ্রি।
২৩) আলিপুর: ২২ ডিগ্রি।
২৪) সুন্দরবন: ২২ ডিগ্রি।
ABOUT THE AUTHORAyan Dasঅয়ন দাস হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রোডিউসার। প্রায় এক দশক ধরে সাংবাদিকতার সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত আছেন। সাংবাদিক হিসেবে তিনি মূলত পশ্চিমবঙ্গ-সহ ভারতের রাজনীতি, সমসাময়িক ঘটনাপ্রবাহ এবং পরিকাঠামো উন্নয়ন সংক্রান্ত বিভিন্ন খবর পাঠকদের সামনে তুলে ধরেন। ট্রেন, মেট্রো, আবহাওয়া, খেলাধুলোর প্রতি বিশেষ আগ্রহ রয়েছে। নিয়মিত সেইসব বিষয়েও প্রতিবেদন লিখে থাকেন। পেশাদার অভিজ্ঞতা: কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময় দ্য টাইমস অফ ইন্ডিয়া, ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন অফ বেঙ্গল (সিএবি), স্পোর্টসকিডার মতো সংস্থায় ইন্টার্নশিপ করার পরে ২০১৮ সাল থেকে অয়নের পেশাদার জীবনের সূচনা হয়। পেশাদার সাংবাদিক জীবনের শুরুটা হয় ইটিভি ভারতে। সেখানে এক বছর দু'মাস কাজ করার পরে ২০১৯ সালের ১১ নভেম্বর যোগ দেন হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায়। চারদিন পরে আনুষ্ঠানিকভাবে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা চালু হয়। অর্থাৎ একেবারে প্রথম থেকেই হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় আছেন। বর্তমানে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে পশ্চিমবঙ্গের রাজ্য-রাজনীতি, ভারতের রাজনীতি, ট্রেন-মেট্রো-শিল্প সংক্রান্ত পরিকাঠামো-নির্ভর খবর, চাকরির খবর, ক্রিকেট-ফুটবলের মতো খেলাধুলোর খবরের প্রতিবেদন লিখে থাকেন। বিশেষ করে ব্রেকিং নিউজ, রাজনৈতিক বিশ্লেষণ এবং সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনের উপরে প্রভাব ফেলে, এমন খবর লেখার ক্ষেত্রে তিনি বিশেষভাবে পারদর্শী। শিক্ষাগত যোগ্যতা: নঙ্গী হাইস্কুল এবং নিউ আলিপুর মাল্টিপারপাস স্কুল থেকে প্রাথমিক পড়াশোনার পরে আশুতোষ কলেজ থেকে সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে অয়ন স্নাতক হয়েছেন। তারপর একই বিষয়ে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছেন। ব্যক্তিগত পছন্দ এবং নেশা: অয়ন মনেপ্রাণে পাহাড়প্রেমিক। সুযোগ পেলেই পাহাড়ে ঘুরতে চলে যান। বরফ ও তুষারপাতের প্রতি বিশেষ জায়গা রয়েছে হৃদয়ে। তাছাড়াও ভারতীয় সেনা, ভারতীয় বায়ুসেনা ও ভারতীয় নৌসেনার প্রতি বিশেষ টান রয়েছে। ভারতীয় জওয়ানদের বীরত্ব, তাঁদের লড়াই নিয়ে বই পড়তে বা তথ্যচিত্র দেখতে ভালোবাসেন। ছোটোবেলায় নিজেরও ভারতীয় সেনায় যোগ দেওয়ার ইচ্ছা ছিল।Read More
E-Paper


