WB Winter Weather Forecast till 21st Jan: রবি থেকেই শীতের ভোল পালটাবে বাংলায়, ঠান্ডা বাড়বে? কোন কোন জেলায় কুয়াশার দাপট?
বুধবারের থেকে পশ্চিমবঙ্গের একাংশে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা কিছুটা কমেছে। তবে আপাতত বঙ্গে ঝপ করে পারদ পতনের সম্ভাবনা নেই। বরং রবিবার থেকে পশ্চিমবঙ্গের বিভিন্ন জেলার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা (রাতের তাপমাত্রা) বৃদ্ধি পাবে।
বুধবারের থেকে পশ্চিমবঙ্গের একাংশে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা কিছুটা কমেছে। তবে আপাতত বঙ্গে ঝপ করে পারদ পতনের সম্ভাবনা নেই। বরং রবিবার থেকে পশ্চিমবঙ্গের বিভিন্ন জেলার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা (রাতের তাপমাত্রা) বৃদ্ধি পাবে। আলিপুর আবহাওয়া দফতরের তরফে জানানো হয়েছে, আগামী তিনদিনে উত্তরবঙ্গের জেলাগুলির রাতের তাপমাত্রার (সর্বনিম্ন তাপমাত্রা) তেমন কোনও পরিবর্তন হবে না। পরবর্তী তিনদিনে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ধাপে-ধাপে দুই থেকে তিন ডিগ্রি বেড়ে যাবে। দক্ষিণবঙ্গের ক্ষেত্রেও একইরকম থাকবে আবহাওয়া। অর্থাৎ শনিবার পর্যন্ত সর্বনিম্ন তাপমাত্রা মোটামুটি একই স্তরে থাকতে চলেছে। রবিবার থেকে সামান্য চড়বে পারদ।

সার্বিকভাবে আগামী ২১ জানুয়ারি পর্যন্ত পশ্চিমবঙ্গের আবহাওয়া শুষ্ক থাকবে। আবহাওয়া দফতরের তরফে জানানো হয়েছে, বুধবার পর্যন্ত শুষ্ক থাকবে উত্তরবঙ্গের প্রতিটি জেলার (দার্জিলিং, জলপাইগুড়ি, কালিম্পং, আলিপুরদুয়ার, কোচবিহার, উত্তর দিনাজপুর, দক্ষিণ দিনাজপুর এবং মালদা) আবহাওয়া। একইভাবে দক্ষিণবঙ্গের সব জেলার (কলকাতা, হুগলি, উত্তর ২৪ পরগনা, দক্ষিণ ২৪ পরগনা, পূর্ব মেদিনীপুর, পশ্চিম মেদিনীপুর, ঝাড়গ্রাম, পুরুলিয়া, বাঁকুড়া, পূর্ব বর্ধমান, পশ্চিম বর্ধমান, বীরভূম, মুর্শিদাবাদ এবং নদিয়া) আবহাওয়া শুষ্ক থাকবে।
এই সপ্তাহান্তে কোন কোন জেলায় ঘন কুয়াশার দাপট থাকবে?
শুক্রবার, শনিবার, রবিবার, সোমবার এবং মঙ্গলবার সকালের দিকে পশ্চিমবঙ্গের সব জেলার একটি বা দুটি অংশে হালকা থেকে মাঝারি কুয়াশা পড়বে। আবার শুক্রবার কোচবিহার ও উত্তর দিনাজপুর এবং শনিবার দার্জিলিং, জলপাইগুড়ি, কোচবিহার, উত্তর দিনাজপুর, দক্ষিণ দিনাজপুর, মালদা, পূর্ব বর্ধমান, পশ্চিম বর্ধমান, বীরভূম ও মুর্শিদাবাদের একটি বা দুটি অংশে ঘন কুয়াশার দাপট থাকবে। কমে যাবে দৃশ্যমানতা। সেজন্য জারি করা হয়েছে হলুদ সতর্কতা।
আবার রবিবার দার্জিলিং, জলপাইগুড়ি, কোচবিহার, উত্তর দিনাজপুর, দক্ষিণ দিনাজপুর, মালদা, হুগলি, উত্তর ২৪ পরগনা, পূর্ব বর্ধমান, পশ্চিম বর্ধমান, বীরভূম, মুর্শিদাবাদ ও নদিয়া এবং সোমবার দার্জিলিং, জলপাইগুড়ি, কোচবিহার, উত্তর দিনাজপুর, পূর্ব বর্ধমান, পশ্চিম বর্ধমান, বীরভূম, মুর্শিদাবাদ ও নদিয়ার একটি বা দুটি অংশে ঘন কুয়শার দাপট চলবে। ওই জেলাগুলিতে হলুদ সতর্কতা জারি করা হয়েছে।
ABOUT THE AUTHORAyan Dasঅয়ন দাস হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রোডিউসার। প্রায় এক দশক ধরে সাংবাদিকতার সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত আছেন। সাংবাদিক হিসেবে তিনি মূলত পশ্চিমবঙ্গ-সহ ভারতের রাজনীতি, সমসাময়িক ঘটনাপ্রবাহ এবং পরিকাঠামো উন্নয়ন সংক্রান্ত বিভিন্ন খবর পাঠকদের সামনে তুলে ধরেন। ট্রেন, মেট্রো, আবহাওয়া, খেলাধুলোর প্রতি বিশেষ আগ্রহ রয়েছে। নিয়মিত সেইসব বিষয়েও প্রতিবেদন লিখে থাকেন। পেশাদার অভিজ্ঞতা: কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময় দ্য টাইমস অফ ইন্ডিয়া, ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন অফ বেঙ্গল (সিএবি), স্পোর্টসকিডার মতো সংস্থায় ইন্টার্নশিপ করার পরে ২০১৮ সাল থেকে অয়নের পেশাদার জীবনের সূচনা হয়। পেশাদার সাংবাদিক জীবনের শুরুটা হয় ইটিভি ভারতে। সেখানে এক বছর দু'মাস কাজ করার পরে ২০১৯ সালের ১১ নভেম্বর যোগ দেন হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায়। চারদিন পরে আনুষ্ঠানিকভাবে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা চালু হয়। অর্থাৎ একেবারে প্রথম থেকেই হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় আছেন। বর্তমানে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে পশ্চিমবঙ্গের রাজ্য-রাজনীতি, ভারতের রাজনীতি, ট্রেন-মেট্রো-শিল্প সংক্রান্ত পরিকাঠামো-নির্ভর খবর, চাকরির খবর, ক্রিকেট-ফুটবলের মতো খেলাধুলোর খবরের প্রতিবেদন লিখে থাকেন। বিশেষ করে ব্রেকিং নিউজ, রাজনৈতিক বিশ্লেষণ এবং সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনের উপরে প্রভাব ফেলে, এমন খবর লেখার ক্ষেত্রে তিনি বিশেষভাবে পারদর্শী। শিক্ষাগত যোগ্যতা: নঙ্গী হাইস্কুল এবং নিউ আলিপুর মাল্টিপারপাস স্কুল থেকে প্রাথমিক পড়াশোনার পরে আশুতোষ কলেজ থেকে সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে অয়ন স্নাতক হয়েছেন। তারপর একই বিষয়ে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছেন। ব্যক্তিগত পছন্দ এবং নেশা: অয়ন মনেপ্রাণে পাহাড়প্রেমিক। সুযোগ পেলেই পাহাড়ে ঘুরতে চলে যান। বরফ ও তুষারপাতের প্রতি বিশেষ জায়গা রয়েছে হৃদয়ে। তাছাড়াও ভারতীয় সেনা, ভারতীয় বায়ুসেনা ও ভারতীয় নৌসেনার প্রতি বিশেষ টান রয়েছে। ভারতীয় জওয়ানদের বীরত্ব, তাঁদের লড়াই নিয়ে বই পড়তে বা তথ্যচিত্র দেখতে ভালোবাসেন। ছোটোবেলায় নিজেরও ভারতীয় সেনায় যোগ দেওয়ার ইচ্ছা ছিল।Read More
E-Paper


