West Bengal Governor R.N. Ravi: 'রাজনীতি নিয়ে...,' বাংলার পালাবদলের পরই বাঙালি সাজে কালীঘাটে সস্ত্রীক পুজো রাজ্যপালের

West Bengal Governor R.N. Ravi: গত পয়লা বৈশাখে লোকভবনের এক অনুষ্ঠানে পরিবর্তনের ডাক দিয়েছিলেন রাজ্যপাল। জিডিপির হারের কথা উল্লেখ করে রাজ্যের 'করুণ' পরিস্থিতি তুলে ধরেন। তরুণ প্রজন্মকে পরিবর্তনের কর্মযজ্ঞে শামিল হওয়া আহ্বান জানান।

Published on: May 5, 2026, 12:03:27 IST
Share
Share via
  • facebook
  • twitter
  • linkedin
  • whatsapp
Copy link
  • copy link

West Bengal Governor R.N. Ravi: ছাব্বিশের বিধানসভা নির্বাচনের মাত্র কয়েকদিন আগে বাংলায় পরিবর্তনের ডাক দিয়েছিলেন নবনিযুক্ত রাজ্যপাল আর এন রবি। এবার রাজ্যের পালাবদলের পরদিনই একেবারে বাঙালি সাজে ধুতি পাঞ্জাবি পরে কালীঘাটে সস্ত্রীক পুজো দিলেন রাজ্যপাল আর এন রবি। মায়ের মন্দিরে বাংলার শ্রীবৃদ্ধি ও সমৃদ্ধির কামনা করলেন তিনি।

কালীঘাটে সস্ত্রীক পুজো রাজ্যপালের (সৌজন্যে টুইটার)
কালীঘাটে সস্ত্রীক পুজো রাজ্যপালের (সৌজন্যে টুইটার)

যদিও মঙ্গলবার সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে রাজনীতি নিয়ে কিছু বলতে চাননি রাজ্যপাল। তিনি বলেন, 'রাজনীতি নিয়ে কিছু বলব না। এখানে এসেছি মায়ের আরাধনা করতে।' এদিন লোকভবনের তরফেও এক্স হ্যান্ডেলে ছবি শেয়ার করা হয়। রাজ্যপাল লেখেন, 'আর এন রবি এবং স্ত্রী লক্ষ্মী রবি কালীঘাট মন্দিরে মা কালীর দর্শন করেন। এবং শ্রদ্ধার্ঘ্য নিবেদন করে পশ্চিমবঙ্গের জনগণের সামগ্রিক কল্যাণ এবং রাজ্যের উত্তরোত্তর শ্রীবৃদ্ধি ও সমৃদ্ধির কামনায় প্রার্থনা জানান।' তবে বাংলার ভোটে বিজেপির অভাবনীয় সাফল্যের পরদিন রাজ্যপালের কালীঘাট মন্দিরে পুজো দেওয়া যে যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ, সে বিষয়ে কোনও সন্দেহ নেই। এর আগে পয়লা বৈশাখেও কালীঘাটে পুজো দেন রাজ্যপাল। প্রত্যেক বাঙালির কাছে পয়লা বৈশাখ একটি বিশেষ দিন। সেই বাঙালি আবেগকে ছুঁয়ে দিয়ে এ বছর নতুন ১৫ এপ্রিল কালীঘাটে পুজো দেন রাজ্যপাল। বছরের শুরুতেই সেদিন কালীঘাট মন্দিরে ভিড় ছিল সাধারণ মানুষের। সেদিনও স্ত্রীকে নিয়ে কালীঘাটে পৌঁছে যান রাজ্যপাল।

গত পয়লা বৈশাখে লোকভবনের এক অনুষ্ঠানে পরিবর্তনের ডাক দিয়েছিলেন রাজ্যপাল। জিডিপির হারের কথা উল্লেখ করে রাজ্যের 'করুণ' পরিস্থিতি তুলে ধরেন। তরুণ প্রজন্মকে পরিবর্তনের কর্মযজ্ঞে শামিল হওয়া আহ্বান জানান। তিনি বলেন, 'ইতিবাচক হওয়ার প্রতিজ্ঞা করুন। পরিবর্তনের অংশ হোন। গৌরব পুনরুদ্ধার, উন্নততর হওয়ার পরিবর্তনের জন্য আমাদের প্রতিজ্ঞা করতেই হবে। যখন গোটা দেশ এতটা এগিয়ে গিয়েছে, তখন বাংলা পিছিয়ে থাকতে পারে না। বাংলাকেও সঙ্গী হতে হবে। নেতৃত্ব দিতে হবে হয়তো। এগিয়ে আসুন। শপথ নিন।' তা নিয়ে রাজনৈতিক তরজাও কিছু কম হয়নি। কয়েক ঘণ্টা পর উত্তর দিনাজপুরের ইসলামপুরের সভামঞ্চ থেকে রাজ্যপালকে নাম না করে 'লাটসাহেব' কটাক্ষ করেন তৃণমূল কংগ্রেস সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।