'RDX রাখা, বিস্ফোরণ একটু পরেই', SIR-র মধ্যে কলকাতা-সহ জেলার অনেক আদালতে থ্রেট

আরডিএক্স রাখা আছে, দুপুরেই সব উড়ে যাবে - মঙ্গলবার কলকাতা-সহ জেলার একাধিক আদালতে এমনই হুমকিবার্তা এল। পশ্চিম বর্ধমান জেলা ও দায়রা জজ আদালত, কলকাতার নগর ও দায়রা আদালত, দুর্গাপুর আদালত, চুঁচুড়া আদালতের মতো একাধিক সেরকম উড়ো ইমেল এসেছে।

Published on: Feb 24, 2026, 14:20:27 IST
Share
Share via
  • facebook
  • twitter
  • linkedin
  • whatsapp
Copy link
  • copy link

আরডিএক্স রাখা আছে, দুপুরেই সব উড়ে যাবে - মঙ্গলবার কলকাতা-সহ জেলার একাধিক আদালতে এমনই হুমকিবার্তা এল। সূত্রের খবর, পশ্চিম বর্ধমান জেলা ও দায়রা জজ আদালত, কলকাতার নগর ও দায়রা আদালত, দুর্গাপুর আদালত, চুঁচুড়া আদালতের মতো একাধিক সেরকম উড়ো ইমেল এসেছে। সেই পরিস্থিতিতে দ্রুত তল্লাশি শুরু হয়েছে। কড়া নিরাপত্তায় মুড়ে ফেলা হয়েছে আদালত চত্বর। আনা হয়েছে পুলিশ কুকুরও। ফাঁকা করে দেওয়া হয়েছে আদালত চত্বর। তবে পুলিশের একটি মহলের দাবি, ভুয়ো মেল ছিল। আতঙ্ক ছড়ানোর জন্য এরকম কাজ করা হয়েছিল।

মঙ্গলবার কলকাতা-সহ জেলার একাধিক আদালতে হুমকিবার্তা এল। (ছবিটি প্রতীকী, সৌজন্যে পিটিআই)
মঙ্গলবার কলকাতা-সহ জেলার একাধিক আদালতে হুমকিবার্তা এল। (ছবিটি প্রতীকী, সৌজন্যে পিটিআই)

SIR মামলায় কী কী বলল সুপ্রিম কোর্ট?

আর এমন একটা সময সেই ঘটনা ঘটেছে, যখন ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সমীক্ষার (এসআইআর) কাজে বিচারকরা যুক্ত আছেন। আজ সুপ্রিম কোর্টে সেই এসআইআর সংক্রান্ত মামলার শুনানিও ছিল। কলকাতা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি সুজয় পালের রিপোর্টের প্রেক্ষিতে মঙ্গলবার সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি সূর্যকান্ত, বিচারপতি জয়মাল্য বাগচী এবং বিচারপতি বিপুল এম পাঞ্চোলির ডিভিশন বেঞ্চ জানায়, রিপোর্টে জানানো হয়েছে যে নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে কাজ শেষ করার জন্য পর্যাপ্ত জুডিশিয়াল অফিসার নেই। প্রত্যেক জুডিশিয়াল অফিসার যদি ২৫০টি মামলার নিষ্পত্তি করেন, তাহলেও পুরো প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে ৮০ দিনের মতো লাগবে। সেই পরিস্থিতিতে ঝাড়খণ্ড এবং ওড়িশার জুডিশিয়াল অফিসারদের নিয়োগেরও সবুজ সংকেত দিয়েছে শীর্ষ আদালত।

শীর্ষ আদালত জানিয়েছে, ওড়িশা এবং ঝাড়খণ্ড থেকে জুডিশিয়াল অফিসার নিয়োগ করার বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিতে পারবেন কলকাতা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি। সেইসঙ্গে ওড়িশা এবং ঝাড়খণ্ড হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতিদের প্রতি শীর্ষ আদালত বলেছে যে কলকতা থেকে যদি এই মর্মে কোনও আর্জি জানানো হয়, তাহলে যেন জরুরি ভিত্তিতে ও সহানুভূতির ভিত্তিতে বিবেচনা করা হয়।

'৫০ লাখের মতো কাজ করতে হবে'

প্রাথমিকভাবে বাংলার বিচারকদের দিয়ে সেই কাজ করতে বলেছিল সুপ্রিম কোর্ট। দিনকয়েক আগে সুপ্রিম কোর্ট নির্দেশ দিয়েছিল যে বাংলার জুডিশিয়াল অফিসারদের এসআইআরের তথ্যগত অসঙ্গতির (লজিক্যাল ডিসক্রিপ্যান্সি) নথি যাচাই এবং নিষ্পত্তি সংক্রান্ত কাজে ব্যবহার করা যাবে। তবে আজ শীর্ষ আদালত জানিয়েছে, ৫০ লাখের মতো কাজ করতে হবে। সেই পরিস্থিতিতেই পড়শি দুই রাজ্যের বিচারকদেরও নিয়োগের অনুমতি দিয়েছে শীর্ষ আদালত।

'একই প্রশাসনিক কাঠামোয় ছিল বাংলা, ঝাড়খণ্ড ও ওড়িশা'

যদিও তাঁরা ভাষা বুঝতে পারবেন কিনা, তা নিয়ে সংশয় প্রকাশ করেন আইনজীবী কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি সওয়াল করেন যে ওড়িশা এবং ঝাড়খণ্ডের জুডিশিয়াল অফিসাররা বুঝতে পারবেন না বাংলা। শীর্ষ আদালত অবশ্য জানিয়েছে, এই বিষয়ে তাদের কিছু করার নেই। অতীতে একটা সময় একই প্রশাসনিক কাঠামোর অংশ ছিল পশ্চিমবঙ্গ, ওড়িশা এবং ঝাড়খণ্ড। ফলে পশ্চিমবঙ্গের বিষয়ে ওই রাজ্যের জুডিশিয়াল অফিসারদের ধারণা আছে বলে মনে করছে সুপ্রিম কোর্ট।

  • Ayan Das
    ABOUT THE AUTHOR
    Ayan Das

    অয়ন দাস হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রোডিউসার। প্রায় এক দশক ধরে সাংবাদিকতার সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত আছেন। সাংবাদিক হিসেবে তিনি মূলত পশ্চিমবঙ্গ-সহ ভারতের রাজনীতি, সমসাময়িক ঘটনাপ্রবাহ এবং পরিকাঠামো উন্নয়ন সংক্রান্ত বিভিন্ন খবর পাঠকদের সামনে তুলে ধরেন। ট্রেন, মেট্রো, আবহাওয়া, খেলাধুলোর প্রতি বিশেষ আগ্রহ রয়েছে। নিয়মিত সেইসব বিষয়েও প্রতিবেদন লিখে থাকেন। পেশাদার অভিজ্ঞতা: কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময় দ্য টাইমস অফ ইন্ডিয়া, ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন অফ বেঙ্গল (সিএবি), স্পোর্টসকিডার মতো সংস্থায় ইন্টার্নশিপ করার পরে ২০১৮ সাল থেকে অয়নের পেশাদার জীবনের সূচনা হয়। পেশাদার সাংবাদিক জীবনের শুরুটা হয় ইটিভি ভারতে। সেখানে এক বছর দু'মাস কাজ করার পরে ২০১৯ সালের ১১ নভেম্বর যোগ দেন হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায়। চারদিন পরে আনুষ্ঠানিকভাবে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা চালু হয়। অর্থাৎ একেবারে প্রথম থেকেই হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় আছেন। বর্তমানে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে পশ্চিমবঙ্গের রাজ্য-রাজনীতি, ভারতের রাজনীতি, ট্রেন-মেট্রো-শিল্প সংক্রান্ত পরিকাঠামো-নির্ভর খবর, চাকরির খবর, ক্রিকেট-ফুটবলের মতো খেলাধুলোর খবরের প্রতিবেদন লিখে থাকেন। বিশেষ করে ব্রেকিং নিউজ, রাজনৈতিক বিশ্লেষণ এবং সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনের উপরে প্রভাব ফেলে, এমন খবর লেখার ক্ষেত্রে তিনি বিশেষভাবে পারদর্শী। শিক্ষাগত যোগ্যতা: নঙ্গী হাইস্কুল এবং নিউ আলিপুর মাল্টিপারপাস স্কুল থেকে প্রাথমিক পড়াশোনার পরে আশুতোষ কলেজ থেকে সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে অয়ন স্নাতক হয়েছেন। তারপর একই বিষয়ে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছেন। ব্যক্তিগত পছন্দ এবং নেশা: অয়ন মনেপ্রাণে পাহাড়প্রেমিক। সুযোগ পেলেই পাহাড়ে ঘুরতে চলে যান। বরফ ও তুষারপাতের প্রতি বিশেষ জায়গা রয়েছে হৃদয়ে। তাছাড়াও ভারতীয় সেনা, ভারতীয় বায়ুসেনা ও ভারতীয় নৌসেনার প্রতি বিশেষ টান রয়েছে। ভারতীয় জওয়ানদের বীরত্ব, তাঁদের লড়াই নিয়ে বই পড়তে বা তথ্যচিত্র দেখতে ভালোবাসেন। ছোটোবেলায় নিজেরও ভারতীয় সেনায় যোগ দেওয়ার ইচ্ছা ছিল।Read More