TMC Councilor on Mayor Firhad: পদত্যাগ করতে সম্মত হয়েছিলেন ফিরহাদ হাকিম, বিস্ফোরক দক্ষিণ কলকাতার দাপুটে তৃণমূল নেতা
কলকাতা পুরসভার ১০৮ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর দাবি করেন, সুভাশিস চক্রবর্তী এবং দেবাশিস কুমারের সামনেই নাকি ফিরহাদ হাকিমকে তিনি বলেছিলেন, 'চলো আমরা সবাই মিলে পদত্যাগ করি।' এবং সুশান্তের সেই প্রস্তাবে সম্মত হয়েছিলেন মেয়র।
বরো চেয়ারম্যান পদ থেকে পদত্যাগ করেই বিস্ফোরক দাবি তৃণমূল কাউন্সিলর সুশান্ত ঘোষ। কলকাতা পুরসভার ১০৮ নম্বর ওয়ার্ডের জনপ্রতিনিধি দাবি করেন, সুভাশিস চক্রবর্তী এবং দেবাশিস কুমারের সামনেই নাকি ফিরহাদ হাকিমকে তিনি বলেছিলেন, 'চলো আমরা সবাই মিলে পদত্যাগ করি।' এবং সুশান্তের সেই প্রস্তাবে সম্মত হয়েছিলেন মেয়র। উল্লেখ্য, মেয়র ফিরহাদ হাকিম পদত্যাগ করতে পারেন বলে বেশ কয়েকদিন ধরেই জল্পনা চলছিল। অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়িতকে পুসভার নোটিস এবং শহরজুড়ে বুলডোজার অভিযানের আবহে অস্বস্তিতে ফিরহাদ। এই পরিস্থিতিতে এবিপি আনন্দে সাক্ষাৎকারে সুশান্ত দাবি করেন, ফিরহাদ পদত্যাগ করতে রাজি হয়েছিলেন।

উল্লেখ্য, কলকাতা পুরসভার বিল্ডিং বিভাগ থেকে তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে যুক্ত একাধিক সম্পত্তিতে নোটিস পাঠানোকে কেন্দ্র করেই পরিস্থিতি জটিল হয়ে ওঠে। এই বিষয়ে মেয়র ফিরহাদ হাকিম দাবি করেন, তাঁকে নাকি এই নিয়ে আগে থেকে জানানো হয়নি। এরপর থেকেই পুর প্রশাসনের ভিতরে মতবিরোধের জল্পনা আরও বাড়ে। এদিকে দলের অন্দরেও চাপের মুখে পড়েছেন ফিরহাদ।
এর পাশাপাশি পুর কমিশনার ও মেয়রের মধ্যে প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত নিয়ে দূরত্ব তৈরি হয়েছে বলেও বিভিন্ন মহলে আলোচনা শুরু হয়েছে। সম্প্রতি একাধিক বৈঠক বাতিল হয়েছে, পুরসভার অন্দরে টানাপোড়েন এবং কাউন্সিলরদের নিয়ে আলাদা বৈঠকের ঘটনাও রাজনৈতিকভাবে যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে। এরই মাঝে ২ বরো চেয়ারপার্সন পদত্যাগ করেছেন। ভিন্ন সুর শোনা গিয়েছিল ডেপুটি মেয়র অতীন ঘোষের গলাতেও।
এদিকে কালীঘাটে তৃণমূল নেতৃত্বের জরুরি বৈঠক ডাকা হয়েছিল। সেই বৈঠকে কলকাতা পুরসভার কাউন্সিলরদের ডাকা হয়েছিল। একাধিক রিপোর্টে দাবি করা হয়, পরিস্থিতি সামাল দিতেই দলীয় কাউন্সিলরদের সঙ্গে আলোচনা শুরু করেছে শীর্ষ নেতৃত্ব। তবে এখনও পর্যন্ত তৃণমূল কংগ্রেস বা ফিরহাদ হাকিম নিজে পদত্যাগ প্রসঙ্গে প্রকাশ্যে কোনও মন্তব্য করেননি। এরই মাঝে সুশান্তর মন্তব্য ঘিরে নতুন করে শুরু হল জল্পনা।
ABOUT THE AUTHORAbhijit Chowdhury২০২১ সাল থেকে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন অভিজিৎ চৌধুরী। ২০১৮ সালে সালে তাঁর পেশাদার জীবনের শুরু। জাতীয়, আন্তর্জাতিক বিষয়, বাংলার রাজনীতি এবং খেলাধুলোর বিষয়ে লেখার ক্ষেত্রে ৮ বছরের অভিজ্ঞতা রয়েছে তাঁর। আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে আমেরিকা, পাকিস্তান এবং বাংলাদেশের বিষয়ে তাঁর আগ্রহ সবচেয়ে বেশি। কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সাংবাদিকতায় স্নাতকোত্তর ডিগ্রি পাশ করেই সাংবাদিকতার জগতে প্রবেশ করেছেন অভিজিৎ। হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় যোগদানের আগে ওয়ানইন্ডিয়া এবং ইটিভি ভারতে কাজ করার অভিজ্ঞতা রয়েছে অভিজিতের। এছাড়া আকাশবাণীতে রেডিও জকি হিসেবেও কাজ করেছিলেন তিনি। খবরের জগৎ ছাড়া খেলাধুলো, ইতিহাসে অভিজিতের আগ্রহ রয়েছে। শিক্ষাগত যোগ্যতা: সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন নিয়ে অভিজিৎ তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন আশুতোষ কলেজ থেকে। এরপর কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে একই বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: ক্রিকেট, ফুটবল, টেনিস ছাড়া প্রায় সব ধরনের খেলা দেখতে তিনি ভীষণ ভালোবাসেন। কাজের বাইরে তাঁর অবসর কাটে বই পড়ে এবং বিভিন্ন বিষয়ে ডকুমেন্টারি দেখে।Read More
E-Paper


