TMC Head Office Row: তৃণমূলের অস্থায়ী সদর দপ্তরের বাড়ি খালি করতে বললেন মালিক, তপসিয়ায় ফেরার তোড়জোড় ঘাসফুল শিবিরের
২০০২ সালের ২০ মে তপসিয়ার ৩৬জি তপসিয়া রোডে দলের পুরনো ভবনের উদ্বোধন হয়েছিল। পরে ২০২১ সালে বিধানসভা নির্বাচনে জয়ের পর সেই পুরনো বাড়ি ভেঙে নতুনভাবে সংস্কার ও বহুতল ভবন তৈরির সিদ্ধান্ত নেয় তৃণমূল নেতৃত্ব।
তৃণমূল কংগ্রেসের সদর দপ্তর আবার তপসিয়ার পুরনো ঠিকানায় ফিরতে চলেছে। রিপোর্ট অনুযায়ী, দুর্গাপুজোর আগেই নবনির্মিত ভবনে দলীয় অফিস সরিয়ে নেওয়ার পরিকল্পনা করা হয়েছে। বর্তমানে সাউথ ক্যানাল রোডে বাইপাসের ধারে যে গেস্ট হাউসে তৃণমূলের অস্থায়ী কার্যালয় চলছে, তা ছেড়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলেই জানা গিয়েছে। অবশ্য, জানা গিয়েছে, যে ভবনে অস্থায়ী অফিসটি রয়েছে, তার মালিক নাকি তৃণমূলকে ভবনটি খালি করার জন্য বলেছেন। এই মন্টু সাহা দীর্ঘদিন ধরে তৃণমূলের বিভিন্ন অনুষ্ঠানে ক্যাটারিংয়ের বরাত পেয়ে এসেছেন। তবে তাঁর অভিযোগ, তৃণমূল কংগ্রেস বা মমতার সরকার বিভিন্ন অনুষ্ঠানে তাঁর বকেয়া মেটায়নি।

২০০২ সালের ২০ মে তপসিয়ার ৩৬জি তপসিয়া রোডে দলের পুরনো ভবনের উদ্বোধন হয়েছিল। পরে ২০২১ সালে বিধানসভা নির্বাচনে জয়ের পর সেই পুরনো বাড়ি ভেঙে নতুনভাবে সংস্কার ও বহুতল ভবন তৈরির সিদ্ধান্ত নেয় তৃণমূল নেতৃত্ব। সেই সময় থেকেই দলীয় কাজ চালানোর জন্য সায়েন্স সিটির কাছে মেট্রোপলিটন এলাকায় একটি গেস্ট হাউস ভাড়া নেওয়া হয়।
দলীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, নতুন আটতলা ভবনের কাজ এখন অনেকটাই শেষ। বর্তমান অস্থায়ী অফিসের তুলনায় নতুন ভবনে অনেক বেশি জায়গা পাওয়া যাবে। প্রথমে চলতি বিধানসভা নির্বাচন পরিচালনার কাজও নতুন ভবন থেকেই করার পরিকল্পনা ছিল। কিন্তু পরে সেই সিদ্ধান্ত বদলে ভোট মিটে যাওয়ার পর পুরনো ঠিকানায় ফেরার প্রস্তুতি নেওয়া হয়।
এদিকে সাম্প্রতিক সময়ে সাউথ ক্যানাল রোডের ওই গেস্ট হাউস ঘিরে নানা জল্পনা ছড়ায়। বাড়ির মালিক মন্টু সাহা নাকি ভবন ফেরত চেয়েছেন বলে খবর ছড়ায়। যদিও তৃণমূলের রাজ্য সহ-সভাপতি জয়প্রকাশ মজুমদার সেই দাবি অস্বীকার করে বলেন, দলই বরং বাড়িটি ছেড়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। তাঁর কথায়, নতুন ভবনের কিছু কাজ শেষ করতে আরও কয়েক মাস সময় লাগবে, তারপরই পুরনো ঠিকানায় ফিরবে তৃণমূল।
ABOUT THE AUTHORAbhijit Chowdhury২০২১ সাল থেকে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন অভিজিৎ চৌধুরী। ২০১৮ সালে সালে তাঁর পেশাদার জীবনের শুরু। জাতীয়, আন্তর্জাতিক বিষয়, বাংলার রাজনীতি এবং খেলাধুলোর বিষয়ে লেখার ক্ষেত্রে ৮ বছরের অভিজ্ঞতা রয়েছে তাঁর। আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে আমেরিকা, পাকিস্তান এবং বাংলাদেশের বিষয়ে তাঁর আগ্রহ সবচেয়ে বেশি। কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সাংবাদিকতায় স্নাতকোত্তর ডিগ্রি পাশ করেই সাংবাদিকতার জগতে প্রবেশ করেছেন অভিজিৎ। হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় যোগদানের আগে ওয়ানইন্ডিয়া এবং ইটিভি ভারতে কাজ করার অভিজ্ঞতা রয়েছে অভিজিতের। এছাড়া আকাশবাণীতে রেডিও জকি হিসেবেও কাজ করেছিলেন তিনি। খবরের জগৎ ছাড়া খেলাধুলো, ইতিহাসে অভিজিতের আগ্রহ রয়েছে। শিক্ষাগত যোগ্যতা: সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন নিয়ে অভিজিৎ তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন আশুতোষ কলেজ থেকে। এরপর কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে একই বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: ক্রিকেট, ফুটবল, টেনিস ছাড়া প্রায় সব ধরনের খেলা দেখতে তিনি ভীষণ ভালোবাসেন। কাজের বাইরে তাঁর অবসর কাটে বই পড়ে এবং বিভিন্ন বিষয়ে ডকুমেন্টারি দেখে।Read More
E-Paper


