Mansukh Mandavya: মোহনবাগানকে ‘মোহন বেইগন',ইস্টবেঙ্গলকে.. মাণ্ডব্যের উচ্চারণ নিয়ে ঝোড়ো পোস্ট তৃণমূলের
পোস্টে কোন বার্তা দেয় তৃণমূল?
যাবতীয় জট কাটিয়ে আগামী ১৪ ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু হচ্ছে আইএসএল। এই ফুটবল আসরে ১৪ টি দলই অংশ নেবে। এই বিষয়টি জানিয়ে, মঙ্গলবারই এক সাংবাদিক সম্মেলনে বার্তা দেন কেন্দ্রীয় ক্রীড়ামন্ত্রী মনসুখ মাণ্ডব্য। সেই সাংবাদিক সম্মেলনের একাংশের ক্লিপ (ভিডিয়োর সত্যতা যাচাই করেনি হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা ) পোস্ট করে তৃণমূল কংগ্রেস দাবি করে, কেন্দ্রীয় ক্রীড়ামন্ত্রী ‘মোহনবাগান’ ক্লাবকে ‘মোহন বেইগন’ উচ্চারণ করেছেন, আর ‘ইস্টবেঙ্গল’ ক্লাবকে ‘ইস্ট বেইগন’ উচ্চারণ করেছেন।

তৃণমূল কংগ্রেসের তরফে এদিন এক সোশ্যাল মিডিয়া পোস্ট করে কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর উচ্চারণ নিয়ে বক্তব্য রাখা হয়। ঘাসফুল শিবিরের ওই পোস্টে লেখা হয়,' নরেন্দ্র মোদীর মন্ত্রিসভার কেন্দ্রীয় ক্রীড়ামন্ত্রী মনসুখ মাণ্ডব্য, বাংলার শতাব্দী প্রাচীন আইকনিক ফুটবল ক্লাবগুলির নামও তাদের প্রাপ্য সম্মানের সাথে উচ্চারণ করতে পারেন না।' এখানেই শেষ নয়। পোস্টে এরপর লেখা হয়, মোহনবাগানকে ‘মোহন বেইগন’ উচ্চারণ করেছেন, আর ইস্টবেঙ্গলকে ‘ইস্ট বেইগন’ উচ্চারণ করা হয়েছে। এখানে ‘মোহন বেইগন’, ‘ইস্ট বেইগন’ শব্দগুলি হিন্দিতে লেখা হয় পোস্টে। পোস্টে তৃণমূলের তরফে সাফ বার্তা,'এই ক্লাবগুলি বাংলার প্রতিষ্ঠান, এবং তাই, বাংলা-বিরোধী শক্তির দৃষ্টিতে, কেবল অবজ্ঞার যোগ্য।'
শিয়রে ভোট পশ্চিমবঙ্গে। তার আগে, তৃণমূলের তরফে বার্তা দেওয়া হয়েছে,' ফুটবল বাংলার রক্তে মিশে আছে। আমরা এটি বাঁচি, এটি নিঃশ্বাস নিই, এটিকে জীবনের চেয়েও বেশি প্রিয় মনে করি। কিন্তু এই বহিরাগতরা যাঁরা বাংলাকে চিরকাল ঘৃণার চোখে দেখেন, তাঁরা কখনই তা বুঝতে পারবেন না।' বিজেপিকে খোঁচার সুরে তৃণমূলের ওই পোস্টে লেখা হয়,'আমরা প্রধানমন্ত্রীকে ১৭ জানুয়ারি রাজ্যে তাঁর নির্ধারিত সফরের আগে কিছু প্রাথমিক বাংলা শিক্ষা গ্রহণ করার পরামর্শ দিচ্ছি, পাছে আমাদের মাটিতে ভোট ভিক্ষা করার সময় তিনি আরও না অপমানিত হন।'
ABOUT THE AUTHORSritama Mitraশ্রীতমা মিত্র হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার একজন চিফ কনটেন্ট প্রোডিউসার। ২০২১ সাল থেকে তিনি এই প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যুক্ত। জাতীয় এবং আন্তর্জাতিক সংবাদের পাশাপাশি শ্রীতমার আগ্রহের জায়গা ক্রিকেট। এছাড়াও তিনি জ্যোতিষ বিভাগ দেখাশোনা করেন এবং জীবনযাপন সংক্রান্ত প্রতিবেদন লিখতেও তাঁর আগ্রহ রয়েছে। পেশাদার জীবন: পেশাদার জীবনের শুরুতে শ্রীতমা আকাশবাণী, শান্তিনিকেতনে উপস্থাপিকা হিসেবে কাজ করেছেন। ২০১০ সালে তিনি ইটিভি নিউজ বাংলায় কপি এডিটর হিসেবে যোগদান করেন। পরবর্তীতে ওয়ানইন্ডিয়া-সহ বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে কাজ করার পর তিনি হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় যোগ দেন। শিক্ষাগত যোগ্যতা: শ্রীতমা মিত্র ইংরেজিতে স্নাতক (বি.এ.) এবং বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয়, শান্তিনিকেতন থেকে সাংবাদিকতা ও গণযোগাযোগে স্নাতকোত্তর (এম.এ.) ডিগ্রি অর্জন করেন। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: সাংবাদিকতার বাইরে শ্রীতমা একজন সাহিত্যপ্রেমী, ভ্রমণও তাঁর অন্যতম নেশা। ছুটির দুপুরগুলো তাঁর কাটে গল্পের বই নিয়ে। একটু লম্বা ছুটি পেলে তিনি দেশের ভিতর বা কখনও সখনও দেশের বাইরেও বেড়াতে যেতে ভালোবাসেন। তবে তাঁর প্রতিটা বেড়ানোর পিছনেই কাজ করে কোনও না কোনও বই বা সিনেমা থেকে তৈরি হওয়া কৌতূহল। অজানাকে জানার আগ্রহই তাঁকে বার বার নিয়ে গিয়ে ফেলে নানা অচেনা শহরে। সেই সব অভিজ্ঞতাকে লেখার রূপ দিতেও পিছপা হন না শ্রীতমা।Read More
E-Paper


