SIR Latest: বাংলার এসআইআর-এ ‘অমর্ত্য সেনকে নোটিস’, দাবি অভিষেকের, উঠলেন গর্জে, UPতে খসড়া তালিকায় কত নাম বাদ পড়ল?
এসআইআর নিয়ে কী বললেন অভিষেক?যোগীগড় উত্তর প্রদেশে খসড়া তালিকায় কত নাম বাদ পড়ল?
রাজ্যে চলছে এসআইআর বা নিবিড় স্পেশাল ইনটেনসিভ রিভিশন বা এসআইআর পর্ব। আর এই পর্ব ঘিরে এনুমারেশন ফর্মে ত্রুটি পেলেই ডাক পড়ছে নাগরিকদের। আগেই খবর এসেছিল যে, ভারতের তাবড় ক্রিকেটার মহম্মদ শামি, বাংলার সুপারস্টার দেব সহ বহু জনকেই এই শুনানিতে ডাকা হয়েছে। এরপর রামপুরহাটের সভা থেকে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় দাবি করেছেন, এসআইআর-র শুনানিতে ভারতের নোবেলজয়ী অর্থনীতিবিদ অমর্ত্য সেনকেও নোটিস পাঠানো হয়েছে এই এসআইআর নিয়ে। এদিকে, যোগীগড় উত্তর প্রদেশে এসআইআর ঘিরে যে খসড়া তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে তাতে ২.৮৯ কোটি নাম বাদ পড়েছে।

বীরভূমের রামপুরহাটের সভা থেকে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন,' অমর্ত্য সেনকেও শুনানির নোটিস পাঠিয়েছে! ভাবুন, দেশের জন্য নোবেল পুরস্কার জিতে আসা ব্যক্তিত্বকেও এরা হেনস্থা করতে ছাড়েনি। টলিউডের উজ্জ্বলতম নক্ষত্র, অভিনেতা-সাংসদ দেবকে নোটিস, দেশের মুখ উজ্জ্বল করা ক্রিকেটার মহম্মদ শামিকে নোটিস দিয়েছে। এগুলো কি ষড়যন্ত্র নয়?' ওই সভাতেই অভিষেকের প্রশ্ন,'দুর্ভাগ্যজনক এবং দুঃখজনক যে বিশ্বমঞ্চে দেশের নাম উজ্জ্বল করা নোবেলজয়ী অমর্ত্য সেনকেও কমিশন এসআইআর নোটিস পাঠানো হল!' এদিকে এনডিটিভির খবর অনুযায়ী, নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, অমর্ত্য সেনের ঘটনায় এনুমারেশন ফর্মে বানান ভুল রয়েছে।
এদিকে,যোগীগড় উত্তর প্রদেশে প্রকাশিত হয়েছে এসআইআরএর খসড়া। আর তাতেই সেরাজ্যে ২.৮৯ কোটি মানুষের নাম বাদ গিয়েছে। যার মধ্যে ৪৬ লাখ ভোটার মৃত বলে জানা গিয়েছে। তথ্য বলছে, সেরাজ্যে ২৫. ৪৭ লাখ ভোটারের নাম একাধিক জায়গায় রেজিস্টার রয়েছে। সরকারি পরিসংখ্যান অনুসারে, ২০২৫ সালের ২৭ অক্টোবর যখন SIR ঘোষণা করা হয়েছিল, তখন উত্তরপ্রদেশে প্রায় ১৫.৪৪ কোটি নিবন্ধিত ভোটার ছিল। জানা যাচ্ছে সবচেয়ে বেশি নাম বাদ পড়েছে লখনউ থেকে। উত্তর প্রদেশের রাজধানী লখনউতে সর্বাধিক ভোটারের নাম বাদ গিয়েছে। যখন SIR ঘোষণা করা হয়েছিল, তখন লখনউতে ৩৯.৯ লক্ষ ভোটার ছিল, যা এখন ২৭.৯ লক্ষে নেমে এসেছে , যা প্রায় ৩০ শতাংশ হ্রাস।
ABOUT THE AUTHORSritama Mitraশ্রীতমা মিত্র হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার একজন চিফ কনটেন্ট প্রোডিউসার। ২০২১ সাল থেকে তিনি এই প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যুক্ত। জাতীয় এবং আন্তর্জাতিক সংবাদের পাশাপাশি শ্রীতমার আগ্রহের জায়গা ক্রিকেট। এছাড়াও তিনি জ্যোতিষ বিভাগ দেখাশোনা করেন এবং জীবনযাপন সংক্রান্ত প্রতিবেদন লিখতেও তাঁর আগ্রহ রয়েছে। পেশাদার জীবন: পেশাদার জীবনের শুরুতে শ্রীতমা আকাশবাণী, শান্তিনিকেতনে উপস্থাপিকা হিসেবে কাজ করেছেন। ২০১০ সালে তিনি ইটিভি নিউজ বাংলায় কপি এডিটর হিসেবে যোগদান করেন। পরবর্তীতে ওয়ানইন্ডিয়া-সহ বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে কাজ করার পর তিনি হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় যোগ দেন। শিক্ষাগত যোগ্যতা: শ্রীতমা মিত্র ইংরেজিতে স্নাতক (বি.এ.) এবং বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয়, শান্তিনিকেতন থেকে সাংবাদিকতা ও গণযোগাযোগে স্নাতকোত্তর (এম.এ.) ডিগ্রি অর্জন করেন। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: সাংবাদিকতার বাইরে শ্রীতমা একজন সাহিত্যপ্রেমী, ভ্রমণও তাঁর অন্যতম নেশা। ছুটির দুপুরগুলো তাঁর কাটে গল্পের বই নিয়ে। একটু লম্বা ছুটি পেলে তিনি দেশের ভিতর বা কখনও সখনও দেশের বাইরেও বেড়াতে যেতে ভালোবাসেন। তবে তাঁর প্রতিটা বেড়ানোর পিছনেই কাজ করে কোনও না কোনও বই বা সিনেমা থেকে তৈরি হওয়া কৌতূহল। অজানাকে জানার আগ্রহই তাঁকে বার বার নিয়ে গিয়ে ফেলে নানা অচেনা শহরে। সেই সব অভিজ্ঞতাকে লেখার রূপ দিতেও পিছপা হন না শ্রীতমা।Read More
E-Paper


