TMC MLA Threatens BJP: মমতার কথাও নাকি শুনবেন না, বাংলায় বিজেপি নেতা-কর্মীদের 'নিকেশের' নিদান তৃণমূল বিধায়কের

ভিনরাজ্যের বিজেপি নেতা এনে বাংলায় সভা করলে বিজেপি নেতাকর্মীদের ‘নিকেশে’র নিদান দিলেন অরুণাভ। এমনকী তিনি বলেন, বিজেপি নেতাদের মারতে গেলে যদি মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বারণ করেন, সেই কথাও শোনা হবে না।

Published on: Jan 11, 2026, 10:04:44 IST
Share
Share via
  • facebook
  • twitter
  • linkedin
  • whatsapp
Copy link
  • copy link

বাংলার বেশ কয়েকজন পরিযায়ী শ্রমিকদের ভিনরাজ্যে হামলার শিকার হতে হয়েছে। বাংলাদেশি সন্দেহে আবার অনেক পশ্চিমবঙ্গবাসীকে আটক করেছে অন্য রাজ্যের পুলিশ। অনেককে বাংলাদেশে পুশব্যাকও করা হয়েছে। এই নিয়ে তৃণমূল কংগ্রেস বারবার সরব হয়েছে। এই পরিস্থিতিতে এবার বিতর্কিত মন্তব্য করে বসলেন বাগনানের তৃণমূল বিধায়ক অরুনাভ সেন। ভিনরাজ্যের বিজেপি নেতা এনে বাংলায় সভা করলে বিজেপি নেতাকর্মীদের ‘নিকেশে’র নিদান দিলেন অরুণাভ। এমনকী তিনি বলেন, বিজেপি নেতাদের মারতে গেলে যদি মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বারণ করেন, সেই কথাও শোনা হবে না।

বিতর্কিত মন্তব্য করে বসলেন বাগনানের তৃণমূল বিধায়ক অরুনাভ সেন।
বিতর্কিত মন্তব্য করে বসলেন বাগনানের তৃণমূল বিধায়ক অরুনাভ সেন।

অরুণাভ বলেন, 'আমার এলাকার পরিযায়ী শ্রমিকরা বিজেপিশাসিত রাজ্যে কাজ করতে গিয়ে মার খাবেন, রাতের অন্ধকারে বাংলাদেশে পাঠিয়ে দেবে, আপনি এখানে এসে বাতেলা মারবেন। বাংলা আর বসে বসে মার খাবে না। মার কা বদলা মার হবে আগামী দিনে। যারা সেসব রাজ্যে বাঙালি নিধন চালাচ্ছেন, আর যারা তাঁদের ডেকে নিয়ে আসবেন, সেই ঘরশত্রু বিভীষণকে নিকেশ করব। তারপর বাকিটা বুঝব। ২০২১ সালে দিদি বারণ করে দিয়েছিলেন বলে ছেড়ে দিয়েছি। ২০২৬ সালে দিদি ক্ষমা করবেন। আমি আপনার কথাও শুনব না। ২৬-এ আমরা দলের কর্মীরা আমরা আমাদের মতো চলব। দু’মাস দিদির কথা শুনব না। দিদি ক্ষমা করবেন।' বিজেপি নেতাদের বাড়ি ভেঙে দেওয়ার কথাও বলেন অরুণাভ।

প্রসঙ্গত, অপারেশন সিঁদুরের পর থেকেই ক্রমাগত বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারীদের ধরে ধরে পুশ ব্যাক করছে ভারতীয় কর্তৃপক্ষ। যা নিয়ে প্রথমদিকে বেশ আপত্তি জানিয়েছিল বাংলাদেশ। তবে এখন সেরকম কোনও আওয়াজ শোনা যাচ্ছে না কাঁটাতারের ওপার থেকে। এছাড়া চোরাচালান নিয়েও দুই দেশের মধ্যে বিরোধ রয়েছে। বাংলাদেশি পাচারকারীদের ভারতীয় সীমান্তরক্ষীরা গুলি করলে তা নিয়ে আপত্তি রয়েছে ঢাকার। এদিকে নিজেদের দেশের চোরাচালানকারীদের নিয়ন্ত্রণে রাখতে পারে না বাংলাদেশ। শুধু তাই নয়, বিভিন্ন সময় বিজিবির বিরুদ্ধে অভিযোগ ওঠে, টাকা নিয়ে পাচারকারীদের ভারতে অনুপ্রবেশের 'অনুমতি' দেয় তারাই। এই সবের মাঝে পশ্চিমবঙ্গে এসআইআর শুরু হতে অনুপ্রবেশকারীরা নিজেরাই ভারত ছেড়ে পালিয়ে যেতে শুরু করেছে। এই সবের মাঝে বিধানসভা ভোটের প্রাক্কালে তৃণমূল বনাম বিজেপির রাজনৈতিক তরজা ক্রমেই বাড়ছে।

  • Abhijit Chowdhury
    ABOUT THE AUTHOR
    Abhijit Chowdhury

    ২০২১ সাল থেকে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন অভিজিৎ চৌধুরী। ২০১৮ সালে সালে তাঁর পেশাদার জীবনের শুরু। জাতীয়, আন্তর্জাতিক বিষয়, বাংলার রাজনীতি এবং খেলাধুলোর বিষয়ে লেখার ক্ষেত্রে ৮ বছরের অভিজ্ঞতা রয়েছে তাঁর। আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে আমেরিকা, পাকিস্তান এবং বাংলাদেশের বিষয়ে তাঁর আগ্রহ সবচেয়ে বেশি। কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সাংবাদিকতায় স্নাতকোত্তর ডিগ্রি পাশ করেই সাংবাদিকতার জগতে প্রবেশ করেছেন অভিজিৎ। হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় যোগদানের আগে ওয়ানইন্ডিয়া এবং ইটিভি ভারতে কাজ করার অভিজ্ঞতা রয়েছে অভিজিতের। এছাড়া আকাশবাণীতে রেডিও জকি হিসেবেও কাজ করেছিলেন তিনি। খবরের জগৎ ছাড়া খেলাধুলো, ইতিহাসে অভিজিতের আগ্রহ রয়েছে। শিক্ষাগত যোগ্যতা: সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন নিয়ে অভিজিৎ তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন আশুতোষ কলেজ থেকে। এরপর কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে একই বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: ক্রিকেট, ফুটবল, টেনিস ছাড়া প্রায় সব ধরনের খেলা দেখতে তিনি ভীষণ ভালোবাসেন। কাজের বাইরে তাঁর অবসর কাটে বই পড়ে এবং বিভিন্ন বিষয়ে ডকুমেন্টারি দেখে।Read More