TMC MLAs want to Join ISF: একাধিক সংখ্যালঘু বিধায়ক তৃণমূল ছেড়ে যোগ দিতে চান ISF-এ,দাবি নওশাদের দলের
আইএসএফ সূত্রে দাবি করা হয়েছে, সম্প্রতি তৃণমূলের একাধিক সংখ্যালঘু বিধায়ক তাদের সঙ্গে যোগাযোগ করেছেন এবং দলে যোগদানের আগ্রহ প্রকাশ করেছেন। তবে সরাসরি তাঁদের দলে নেওয়ার ব্যাপারে আপাতত সতর্ক অবস্থান নিয়েছে আইএসএফ নেতৃত্ব।
বিধানসভা নির্বাচনের পর রাজ্যের রাজনৈতিক মহলে নতুন জল্পনা তৈরি হয়েছে তৃণমূলের কয়েকজন সংখ্যালঘু বিধায়ককে ঘিরে। আইএসএফ সূত্রে দাবি করা হয়েছে, সম্প্রতি তৃণমূলের একাধিক সংখ্যালঘু বিধায়ক তাদের সঙ্গে যোগাযোগ করেছেন এবং দলে যোগদানের আগ্রহ প্রকাশ করেছেন। তবে সরাসরি তাঁদের দলে নেওয়ার ব্যাপারে আপাতত সতর্ক অবস্থান নিয়েছে আইএসএফ নেতৃত্ব।

এবারের নির্বাচনে তৃণমূলের হয়ে জয়ী হয়েছেন মোট ৩১ জন সংখ্যালঘু বিধায়ক। তাঁদের অনেকেই বুধবার বিধানসভায় শপথ নিয়েছেন। কিন্তু তার আগেই কয়েকজন বিধায়ক আইএসএফ নেতৃত্বের সঙ্গে যোগাযোগ করেছেন বলে দাবি উঠেছে। যদিও দলবদলের ক্ষেত্রে আইএসএফ স্পষ্ট করে জানিয়েছে, শুধুমাত্র যোগদানের ইচ্ছা প্রকাশ করলেই দলে জায়গা মিলবে না।
আইএসএফের এক শীর্ষনেতার বক্তব্য, যেসব বিধায়ক এখন দলে আসতে চাইছেন, তাঁদের অনেকের বিরুদ্ধেই অতীতে আইএসএফ কর্মীদের উপর অত্যাচারের অভিযোগ রয়েছে। সেই কারণেই কোনও বিধায়ককে সরাসরি দলে নেওয়া হলে তৃণমূল স্তরের কর্মীদের মধ্যে অসন্তোষ তৈরি হতে পারে বলে আশঙ্কা করছে দল। তাই সম্ভাব্য দলবদলকারীদের জন্য বিশেষ শর্ত রাখা হয়েছে।
দলীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, আইএসএফে যোগ দিতে চাইলে সংশ্লিষ্ট বিধায়কদের আগে নিজেদের পদ থেকে ইস্তফা দিতে হবে। এরপর উপনির্বাচনে পুনরায় জয়ী হয়ে আসতে পারলেই তাঁদের গ্রহণ করার বিষয়ে ভাবা হবে। নেতৃত্বের মতে, এতে সাধারণ কর্মীদের মধ্যে দলের প্রতি আস্থা আরও বাড়বে এবং সংগঠনের বার্তাও স্পষ্ট হবে।
এই প্রসঙ্গে আইএসএফের একমাত্র বিধায়ক নওশাদ সিদ্দিকি জানিয়েছেন, চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে দলই। তাঁর কথায়, বর্তমানে আইএসএফের প্রধান লক্ষ্য হল জনসমর্থন বৃদ্ধি করা। আগামী দিনে সংখ্যালঘু ভোটের সমীকরণে বড় পরিবর্তন আসতে পারে বলেও তিনি ইঙ্গিত দিয়েছেন।
উল্লেখ্য, বিগত নির্বাচনগুলিতে সংখ্যালঘু ভোট একচেটিয়া ভাবেই প্রায় পেয়ে এসেছিল তৃণমূল কংগ্রেস। তবে গত বিধানসভা নির্বাচনে তৃণমূলের সেই 'ভোট ব্যাঙ্কে' ভাঙন ধরে। মুর্শিদাবাদে বাম, কংগ্রেসের খাতা খোলে। দলত্যাগ করে নতুন দল গড়া হুমায়ুন কবীর দুটি বিধানসভা আসন থেকে জয়ী হন। এদিকে মুর্শিদাবাদের বেশ কয়েকজন সংখ্যালঘু বিধায়ক আবার শুভেন্দু অধিকারীর সঙ্গে দেখা করেছিলেন বিধানসভায়। এই সব কিছুর মাধে আইএসএফের দাবি ঘিরে জোর জল্পনা বঙ্গ রাজনীতিতে।
ABOUT THE AUTHORAbhijit Chowdhury২০২১ সাল থেকে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন অভিজিৎ চৌধুরী। ২০১৮ সালে সালে তাঁর পেশাদার জীবনের শুরু। জাতীয়, আন্তর্জাতিক বিষয়, বাংলার রাজনীতি এবং খেলাধুলোর বিষয়ে লেখার ক্ষেত্রে ৮ বছরের অভিজ্ঞতা রয়েছে তাঁর। আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে আমেরিকা, পাকিস্তান এবং বাংলাদেশের বিষয়ে তাঁর আগ্রহ সবচেয়ে বেশি। কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সাংবাদিকতায় স্নাতকোত্তর ডিগ্রি পাশ করেই সাংবাদিকতার জগতে প্রবেশ করেছেন অভিজিৎ। হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় যোগদানের আগে ওয়ানইন্ডিয়া এবং ইটিভি ভারতে কাজ করার অভিজ্ঞতা রয়েছে অভিজিতের। এছাড়া আকাশবাণীতে রেডিও জকি হিসেবেও কাজ করেছিলেন তিনি। খবরের জগৎ ছাড়া খেলাধুলো, ইতিহাসে অভিজিতের আগ্রহ রয়েছে। শিক্ষাগত যোগ্যতা: সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন নিয়ে অভিজিৎ তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন আশুতোষ কলেজ থেকে। এরপর কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে একই বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: ক্রিকেট, ফুটবল, টেনিস ছাড়া প্রায় সব ধরনের খেলা দেখতে তিনি ভীষণ ভালোবাসেন। কাজের বাইরে তাঁর অবসর কাটে বই পড়ে এবং বিভিন্ন বিষয়ে ডকুমেন্টারি দেখে।Read More
E-Paper


