West Bengal Election 2026: 'দম আছে?' ভোট চলাকালীন প্রধানমন্ত্রীকে বেনজির চ্যালেঞ্জ TMC সাংসদের

West Bengal Election 2026: বুধবার রাজ্যের ৭টি জেলার ১৪২টি আসনে ভোটগ্রহণ হয়েছে, যার অধিকাংশই তৃণমূলের শক্ত ঘাঁটি। প্রায় ৩ কোটি ২১ লক্ষ ভোটার আজ নির্ধারণ করেছেন ১,৪৪৮ জন প্রার্থীর ভবিষ্যৎ।

Published on: Apr 29, 2026 6:12 PM IST
Share
Share via
  • facebook
  • twitter
  • linkedin
  • whatsapp
Copy link
  • copy link

West Bengal Election 2026: পশ্চিমবঙ্গ মহারণের হাইভোল্টেজ দ্বিতীয় দফার নির্বাচন চলাকালীন সরাসরি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীকে বেনজির চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে দিলেন তৃণমূল কংগ্রেসের রাজ্যসভার দলনেতা ডেরেক ও'ব্রায়েন। তিনি বলেন, যদি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং তৃণমূল কংগ্রেস বাংলায় জয়লাভ করে, তবে প্রধানমন্ত্রীকে 'পদত্যাগ' করতে হবে।

প্রধানমন্ত্রীকে বেনজির চ্যালেঞ্জ TMC সাংসদের ( (X/@derekobrienmp))
প্রধানমন্ত্রীকে বেনজির চ্যালেঞ্জ TMC সাংসদের ( (X/@derekobrienmp))

বুধবার সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি ভিডিও বার্তার মাধ্যমে তৃণমূল সাংসদ এই চ্যালেঞ্জ ঘোষণা করেন। তিনি সরাসরি প্রধানমন্ত্রীকে উদ্দেশ্য করে বলেন, 'নরেন্দ্র, আপনি ঘোষণা করেছিলেন যে আপনি বাংলার ২৯৪টি আসনের সবার প্রার্থী। বড় বড় কথা বলা বন্ধ করুন। এই চ্যালেঞ্জটা গ্রহণ করুন। ৪ মে, যখন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং তৃণমূল বাংলায় জিতবে, তখন প্রধানমন্ত্রীর পদ থেকে পদত্যাগ করুন। সেই সাহস আছে কী?' তৃণমূল সাংসদের এই মন্তব্য ঘিরে জাতীয় রাজনীতিতে রীতিমতো শোরগোল পড়ে গিয়েছে।

বুধবার রাজ্যের ৭টি জেলার ১৪২টি আসনে ভোটগ্রহণ হয়েছে, যার অধিকাংশই তৃণমূলের শক্ত ঘাঁটি। প্রায় ৩ কোটি ২১ লক্ষ ভোটার আজ নির্ধারণ করেছেন ১,৪৪৮ জন প্রার্থীর ভবিষ্যৎ। রাজ্যে বিরোধী দল বিজেপি নির্বাচনকে সামনে রেখে পশ্চিমবঙ্গে ব্যাপক প্রচার চালিয়েছে। খোদ প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী ১৫ মার্চ থেকে ১৯টি জনসভা করেছেন। তাঁকে সামনে রেখেই বিজেপি রাজ্য জুড়ে প্রচার সেরেছে। তাই সরাসরি প্রধানমন্ত্রীকেই চ্যালেঞ্জ করে বসেছেন তৃণমূল সাংসদ।

'আমাদের সব ছেলেদের তুলে নিয়ে যাচ্ছে'

অন্যদিকে, ভবানীপুরের ভোটের দিন সকালে ফের কেন্দ্রীয় বাহিনীর বাহিনীর বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ তুলেছেন মুখ্যমন্ত্রী তথা তৃণমূল কংগ্রেস সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যেপাধ্যায়। তাঁর দাবি, ‘বাইরে থেকে বেশ কয়েকজন পর্যবেক্ষক এসেছেন এবং বিজেপির নির্দেশ অনুযায়ী কাজ করছেন। মানুষের ভোট দেওয়ার কথা, এভাবে কী ভোটগ্রহণ হতে পারে?' তিনি আরও অভিযোগ করেন যে, তাদের দলের সমস্ত পতাকা আগেই সরিয়ে ফেলা হয়েছে এবং কিছু বহিরাগত যা খুশি তাই করছে। তৃণমূল নেত্রী বলেন, ‘তারা ৭০ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলরকে বের হতে দিচ্ছে না। তারা আমাদের সব ছেলেদের তুলে নিয়ে যাচ্ছে। অভিষেক আর আমি সারারাত জেগে ছিলাম।' মুখ্যমন্ত্রীর অভিযোগ, ‘নির্বাচন কমিশন খোলাখুলিভাবে আমাদের হেনস্থা এবং উত্যক্ত করছে। আমরা আদালত অবমাননার নোটিশ পাঠিয়েছি, তবুও এখানে অসংখ্য বহিরাগত পর্যবেক্ষক নিয়ে আসা হয়েছে। তাঁরা পরিষ্কারভাবে বিজেপির ইশারায় নাচছেন।’ তিনি আরও বলেন, 'চক্রবেড়িয়ায় গিয়ে আপনারা নিজেরাই দেখে নিন যে আমাদের সব পোস্টার সরিয়ে দেওয়া হয়েছে। এভাবেই কী নির্বাচন হওয়ার কথা? পুলিশ বা নিরাপত্তা বাহিনী নয়, বরং সাধারণ মানুষই তাঁদের ভোট দেবেন। ওরা বাইরে থেকে কিছু লোক নিয়ে এসেছে, আর এই লোকেরা ভোটারদের মধ্যে ভয় আর আতঙ্ক ছড়ানো ছাড়া আর কিছুই করছে না। ওরা শীঘ্রই চলে যাবে।’