TMC Party Office Row Update: তৃণমূলকে বিল্ডিং ছাড়তে বলেন মালিক, পালটা পুলিশের দ্বারস্থ কুণাল-চন্দ্রিমা
ইএম বাইপাস সংলগ্ন উত্তর পঞ্চান্ন গ্রামে তৃণমূলের স্থায়ী সদর দফতর ছিল। নতুন করে সেই কার্যালয় নির্মাণের কাজ শুরু হওয়ায় ২০২১ সালে মেট্রোপলিটনের এই ভবনে অস্থায়ী কেন্দ্রীয় কার্যালয় গড়ে তোলা হয়।
তৃণমূল কংগ্রেসের অস্থায়ী কেন্দ্রীয় কার্যালয় ঘিরে বিতর্ক আরও জোরালো হল। ভবনের মালিক মনোতোষ সাহা অভিযোগ করেছেন, চুক্তির মেয়াদ শেষ হওয়ার পরও তাঁর বহুতল খালি করছে না তৃণমূল। এই অভিযোগ নিয়ে তিনি পুলিশের দ্বারস্থ হওয়ার কথা জানানোর এক দিনের মধ্যেই প্রগতি ময়দান থানায় হাজির হন তৃণমূলের প্রতিনিধিরা। সোমবার থানায় যান তৃণমূলের রাজ্য সভাপতি চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য এবং বেলেঘাটার বিধায়ক কুণাল ঘোষ। তাঁদের সঙ্গে ছিল বাড়ি ভাড়া সংক্রান্ত বিভিন্ন নথিপত্র। সেগুলি থানায় জমা দেওয়ার পাশাপাশি একটি লিখিত আবেদনও করা হয়।

তৃণমূলের তরফে জানানো হয়েছে, মেট্রোপলিটনের ওই বহুতলটি দল দীর্ঘদিন ধরে অস্থায়ী কেন্দ্রীয় কার্যালয় হিসেবে ব্যবহার করছে। বর্তমানে কার্যালয় স্থানান্তরের প্রক্রিয়া চলছে। সেই কারণে পুলিশ বা প্রশাসন যাতে এই মুহূর্তে কোনও হস্তক্ষেপ না করে, সেই আবেদন জানানো হয়েছে। দলের আশঙ্কা, প্রশাসনিক পদক্ষেপ হলে অপ্রয়োজনীয় উত্তেজনা সৃষ্টি হতে পারে। উল্লেখ্য, ইএম বাইপাস সংলগ্ন উত্তর পঞ্চান্ন গ্রামে তৃণমূলের স্থায়ী সদর দফতর ছিল। নতুন করে সেই কার্যালয় নির্মাণের কাজ শুরু হওয়ায় ২০২১ সালে মেট্রোপলিটনের এই ভবনে অস্থায়ী কেন্দ্রীয় কার্যালয় গড়ে তোলা হয়।
অন্যদিকে, ভবনের মালিক মনোতোষ সাহার দাবি, ২০২৫ সালেই তৃণমূলের সঙ্গে তাঁর চুক্তির মেয়াদ শেষ হয়ে গিয়েছে। কিন্তু এক বছর পেরিয়ে গেলেও দল ভবনটি খালি করেনি। তাঁর অভিযোগ, ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনের ফল প্রকাশের পরও তিনি তৃণমূল নেতৃত্বকে একাধিকবার বাড়ি ছাড়ার অনুরোধ জানিয়েছেন, কিন্তু তাতে কোনও সাড়া মেলেনি। সেই কারণেই তিনি পুলিশের দ্বারস্থ হওয়ার সিদ্ধান্ত নেন।
প্রসঙ্গত, মনোতোষ সাহার সংস্থা দীর্ঘদিন ধরে তৃণমূলের বিভিন্ন কর্মসূচিতে মাইক ও ডেকরেটার্স সামগ্রী সরবরাহের দায়িত্ব সামলাত। তাঁর সংস্থা সরকারি অনুষ্ঠানেও কাজের বরাত পেত। সেই সূত্রেই তিনি দলকে নিজের ভবন ব্যবহারের অনুমতি দিয়েছিলেন বলে দাবি। তবে তাঁর অভিযোগ, একাধিক কর্মসূচির বাবদ বকেয়া অর্থ এখনও পাননি। বারবার দাবি জানিয়েও সেই টাকা মেলেনি বলেই অভিযোগ করেছেন তিনি। এই পরিস্থিতিতে ভবন খালি করা এবং চুক্তি সংক্রান্ত বিরোধ কোন দিকে গড়ায়, সেদিকেই নজর রাজনৈতিক মহলের।
ABOUT THE AUTHORAbhijit Chowdhury২০২১ সাল থেকে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন অভিজিৎ চৌধুরী। ২০১৮ সালে সালে তাঁর পেশাদার জীবনের শুরু। জাতীয়, আন্তর্জাতিক বিষয়, বাংলার রাজনীতি এবং খেলাধুলোর বিষয়ে লেখার ক্ষেত্রে ৮ বছরের অভিজ্ঞতা রয়েছে তাঁর। আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে আমেরিকা, পাকিস্তান এবং বাংলাদেশের বিষয়ে তাঁর আগ্রহ সবচেয়ে বেশি। কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সাংবাদিকতায় স্নাতকোত্তর ডিগ্রি পাশ করেই সাংবাদিকতার জগতে প্রবেশ করেছেন অভিজিৎ। হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় যোগদানের আগে ওয়ানইন্ডিয়া এবং ইটিভি ভারতে কাজ করার অভিজ্ঞতা রয়েছে অভিজিতের। এছাড়া আকাশবাণীতে রেডিও জকি হিসেবেও কাজ করেছিলেন তিনি। খবরের জগৎ ছাড়া খেলাধুলো, ইতিহাসে অভিজিতের আগ্রহ রয়েছে। শিক্ষাগত যোগ্যতা: সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন নিয়ে অভিজিৎ তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন আশুতোষ কলেজ থেকে। এরপর কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে একই বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: ক্রিকেট, ফুটবল, টেনিস ছাড়া প্রায় সব ধরনের খেলা দেখতে তিনি ভীষণ ভালোবাসেন। কাজের বাইরে তাঁর অবসর কাটে বই পড়ে এবং বিভিন্ন বিষয়ে ডকুমেন্টারি দেখে।Read More
E-Paper


