TMC Rajya Sabha MP Resigns: সুখেন্দু-সুস্মিতার পরে পদত্যাগ আরও এক সাংসদের, রাজ্যসভায় তৃণমূল নেমে ১০
আলিপুরদুয়ার জেলার কুমারগ্রাম এলাকার বাসিন্দা প্রকাশ চিক বরাইক দীর্ঘদিন চা-বাগান শ্রমিকদের বিভিন্ন দাবি-দাওয়া নিয়ে আন্দোলনের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। তৃণমূল কংগ্রেসের শ্রমিক সংগঠনের মাধ্যমে তিনি ধীরে ধীরে সংগঠনের গুরুত্বপূর্ণ মুখ হয়ে ওঠেন।
রাজ্যসভার সদস্যপদ থেকে ইস্তফা আরও এক তৃণমূল সাংসদের। রিপোর্ট অনুযায়ী, এবার উত্তরবঙ্গের তৃণমূল নেতা প্রকাশচিক বরাইক পদত্যাগ করেছেন। এই আবহে সংসদের উচ্চকক্ষে তৃণমূলের সংখ্যা নেমে দাঁড়াল ১০-এ। উল্লেখ্য, উত্তরবঙ্গের ডুয়ার্স অঞ্চলের রাজনীতিতে প্রকাশ চিক বরাইকের উত্থান অনেকের কাছেই অনুপ্রেরণার গল্প। এক সময় চা-বাগানের সাধারণ শ্রমিক হিসেবে কর্মজীবন শুরু করা এই আদিবাসী নেতা আজ জাতীয় রাজনীতিতে পরিচিত মুখ। অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ই তাঁকে রাজ্যসভায় পাঠানোর জন্য সওয়াল করেছিলেন দলের অন্দরে।

আলিপুরদুয়ার জেলার কুমারগ্রাম এলাকার বাসিন্দা প্রকাশ চিক বরাইক দীর্ঘদিন চা-বাগান শ্রমিকদের বিভিন্ন দাবি-দাওয়া নিয়ে আন্দোলনের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। তৃণমূল কংগ্রেসের শ্রমিক সংগঠনের মাধ্যমে তিনি ধীরে ধীরে সংগঠনের গুরুত্বপূর্ণ মুখ হয়ে ওঠেন। চা-বাগানের শ্রমিকদের সমস্যা, মজুরি বৃদ্ধি এবং সামাজিক উন্নয়ন নিয়ে তাঁর সক্রিয় ভূমিকা তাঁকে স্থানীয় মানুষের কাছে জনপ্রিয় করে তোলে।
২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনের পর তৃণমূল কংগ্রেস উত্তরবঙ্গে নিজেদের সাংগঠনিক শক্তি পুনর্গঠনের উদ্যোগ নেয়। সেই সময় আলিপুরদুয়ার জেলা সভাপতির দায়িত্ব দেওয়া হয় প্রকাশ চিক বরাইককে। তাঁর নেতৃত্বে দল পৌরসভা ও পঞ্চায়েত নির্বাচনে উল্লেখযোগ্য সাফল্য পায়। এর পরেই দলের শীর্ষ নেতৃত্ব তাঁর উপর আরও আস্থা দেখায়। ২০২৩ সালে তৃণমূল কংগ্রেস তাঁকে রাজ্যসভার সাংসদ মনোনীত করে। এর ফলে তিনি আলিপুরদুয়ার জেলার প্রথম রাজ্যসভার সাংসদ হিসেবে ইতিহাস গড়েন।
এদিকে রাজ্যসভায় বাংলার ১৬টি আসন। সেখানে বিজেপির দখলে আছে মাত্র ৩টি আসন। আর এই গত কয়েকদিনে তৃণমূলের তিন সাংসদ পদত্যাগ করলেন। এর জেরে রাজ্যসভায় তৃণমূলের আর মাত্র ১০ জন সদস্য রয়ে গিয়েছেন। এদিকে তৃণমূলের সাংসদদের ছেড়ে দেওয়া রাজ্যসভা আসনগুলিতে এখন উপনির্বাচন হলে সেখানে বিজেপির জয় নিশ্চিত।
ABOUT THE AUTHORAbhijit Chowdhury২০২১ সাল থেকে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন অভিজিৎ চৌধুরী। ২০১৮ সালে সালে তাঁর পেশাদার জীবনের শুরু। জাতীয়, আন্তর্জাতিক বিষয়, বাংলার রাজনীতি এবং খেলাধুলোর বিষয়ে লেখার ক্ষেত্রে ৮ বছরের অভিজ্ঞতা রয়েছে তাঁর। আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে আমেরিকা, পাকিস্তান এবং বাংলাদেশের বিষয়ে তাঁর আগ্রহ সবচেয়ে বেশি। কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সাংবাদিকতায় স্নাতকোত্তর ডিগ্রি পাশ করেই সাংবাদিকতার জগতে প্রবেশ করেছেন অভিজিৎ। হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় যোগদানের আগে ওয়ানইন্ডিয়া এবং ইটিভি ভারতে কাজ করার অভিজ্ঞতা রয়েছে অভিজিতের। এছাড়া আকাশবাণীতে রেডিও জকি হিসেবেও কাজ করেছিলেন তিনি। খবরের জগৎ ছাড়া খেলাধুলো, ইতিহাসে অভিজিতের আগ্রহ রয়েছে। শিক্ষাগত যোগ্যতা: সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন নিয়ে অভিজিৎ তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন আশুতোষ কলেজ থেকে। এরপর কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে একই বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: ক্রিকেট, ফুটবল, টেনিস ছাড়া প্রায় সব ধরনের খেলা দেখতে তিনি ভীষণ ভালোবাসেন। কাজের বাইরে তাঁর অবসর কাটে বই পড়ে এবং বিভিন্ন বিষয়ে ডকুমেন্টারি দেখে।Read More
E-Paper


