TMC Show cause Notice: দলের শোচনীয় হারের পর থেকেই বেসুরো মুখপাত্ররা, শোকজ নোটিশ কোহিনুর-ঋজু সহ ৫ জনকে
TMC Show cause Notice: ঋজু দত্ত, কৃষ্ণেন্দু চৌধুরী, কোহিনুর মজুমদার, পাপিয়া ঘোষ এবং কার্তিক ঘোষকে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে জবাব দিতে বলা হয়েছে। দলের শৃঙ্খলারক্ষাকারী কমিটির তরফে ডেরেক ও’ব্রায়েন এই নোটিশ পাঠিয়েছিলেন।
TMC Show cause Notice: বিজেপির কাছে শোচনীয় হারের পর থেকেই তৃণমূলের একেক জন নেতার সুরে তাল কেটেছে। এই আবহে পাঁচ মুখপাত্রকে কারণ দর্শানোর নোটিশ পাঠাল দলের শীর্ষ নেতৃত্ব। রিপোর্ট অনুযায়ী, ঋজু দত্ত, কৃষ্ণেন্দু চৌধুরী, কোহিনুর মজুমদার, পাপিয়া ঘোষ এবং কার্তিক ঘোষকে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে জবাব দিতে বলা হয়েছে। দলের শৃঙ্খলারক্ষাকারী কমিটির তরফে ডেরেক ও’ব্রায়েন এই নোটিশ পাঠিয়েছিলেন।

উল্লেখ্য, এর আগে কোহিনুর বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে তোপ দেগেছেন। তিনি আরও দাবি করেন, নির্বাচনে জেতার পরে বিজেপি নয় বরং তৃণমূলের ওপর হামলা চালাচ্ছে 'নব্য বিজেপি'। তাঁর দাবি, তৃণমূলের কর্মীরাই গেরুয়া আবির লাগিয়ে তাণ্ডব চালাচ্ছে। এদিকে তিনি আরও দাবি করেন, সুব্রত বক্সী এবং দলের বর্ষীয়ান নেতাদের গুরুত্ব কমানো হচ্ছে দলে। তিনি দাবি করেছিলেন, অভিষেক কারও সঙ্গে দেখা করেন না।
এদিকে বিজেপি কর্মীদের 'সৌজন্যবোধ' নিয়ে দরাজ সার্টিফিকেট দেন ঋজু। এরই সঙ্গে তিনি দাবি করেন, তাঁর বাড়ির সামনে এসে 'তৎকাল বিজেপি' হুমকি দিয়ে যায়। তবে বিজেপি নেতারা নাকি তাঁর নিরাপত্তা নিশ্চিত করেছেন। এমনকী তাঁর শ্বশুরকে গিয়ে মারধর করে তৃণমূল থেকে হওয়া বিজেপি হওয়া কর্মীরা। সেই সময় সজল ঘোষ এবং রাজর্ষি লাহিড়ী তাঁকে সাহায্য করে বলে দাবি করেন ঋজু। তিনি উল্লেখ করেন যে, বিশাল জয়ের পরেও বিজেপি কর্মীরা সংযত ছিলেন এবং তাঁকে হেনস্থা করেননি। বিজেপি নেতারা তাঁকে ও তাঁর পরিবারকে আশ্বস্ত করেছেন যে তাদের কোনো ক্ষতি হবে না।
ঋজু দত্ত বলেন, 'বিজেপির বিধায়কদের এত ব্যস্ততা, আগামী ৯ তারিখ তাঁদের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠান রয়েছে। কিন্তু এর মধ্যেও যতজন বিজেপি বিধায়ককে আমি ফোন করেছি। প্রতিটি বিজেপি বিধায়ক যাদের আমি ফোন করেছি, তারা দুটো রিংয়ের মধ্যে আমার ফোন ধরেছে। বিজেপির দিল্লির শীর্ষ নেতৃত্ব এবং বিজেপির বাংলার শীর্ষ নেতৃত্ব, আমাকে ওপেনলি বলেছে, তুমি বুক ফুলিয়ে তৃণমূল কংগ্রেস করো। তোমার পরিবারের উপরে কোনও আঁচ আসবে না।'
তৃণমূল নেতা বলেন, তিনি বিজেপি নেতার কাছে চিরকৃতজ্ঞ থাকবেন। তাঁর অভিযোগ, তৃণমূলের শীর্ষ নেতৃত্ব তাঁকে সাহায্য করেনি। তবে বিজেপির বিধায়ক রিতেশ তিওয়ারি তাঁকে অভয় দেন। ঋজু বলেন, 'বিজেপি যে সৌজন্য দেখিয়েছে, বিজেপি যে উদারতা দেখিয়েছে, বিজেপি যে প্রোটেকশন দিয়েছে, যে সহযোগিতা তাঁর সাথে করেছে এই ঋণ আমি জানি না শোধ করতে পারব কিনা।' তিনি অভিযোগ করেন, তৃণমূলের অনেক নেতা নাকি বিজেপিতে যোগদান করতে চেয়েছেন। এদিকে প্রচারের সময় ব্যক্তিগত আক্রমণ করার জন্যে ক্ষমা চেয়ে নিয়েছেন।
ABOUT THE AUTHORAbhijit Chowdhury২০২১ সাল থেকে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন অভিজিৎ চৌধুরী। ২০১৮ সালে সালে তাঁর পেশাদার জীবনের শুরু। জাতীয়, আন্তর্জাতিক বিষয়, বাংলার রাজনীতি এবং খেলাধুলোর বিষয়ে লেখার ক্ষেত্রে ৮ বছরের অভিজ্ঞতা রয়েছে তাঁর। আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে আমেরিকা, পাকিস্তান এবং বাংলাদেশের বিষয়ে তাঁর আগ্রহ সবচেয়ে বেশি। কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সাংবাদিকতায় স্নাতকোত্তর ডিগ্রি পাশ করেই সাংবাদিকতার জগতে প্রবেশ করেছেন অভিজিৎ। হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় যোগদানের আগে ওয়ানইন্ডিয়া এবং ইটিভি ভারতে কাজ করার অভিজ্ঞতা রয়েছে অভিজিতের। এছাড়া আকাশবাণীতে রেডিও জকি হিসেবেও কাজ করেছিলেন তিনি। খবরের জগৎ ছাড়া খেলাধুলো, ইতিহাসে অভিজিতের আগ্রহ রয়েছে। শিক্ষাগত যোগ্যতা: সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন নিয়ে অভিজিৎ তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন আশুতোষ কলেজ থেকে। এরপর কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে একই বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: ক্রিকেট, ফুটবল, টেনিস ছাড়া প্রায় সব ধরনের খেলা দেখতে তিনি ভীষণ ভালোবাসেন। কাজের বাইরে তাঁর অবসর কাটে বই পড়ে এবং বিভিন্ন বিষয়ে ডকুমেন্টারি দেখে।Read More
E-Paper


