Riju Dutta on TMC Suspension: 'নেপো কিড...', তৃণমূল সাসপেন্ড করতেই ফের বিস্ফোরক ঋজু দত্ত, হুংকার 'আবার...'

Riju Dutta on TMC Suspension: 'নেপো কিড...', তৃণমূল সাসপেন্ড করতেই ফের বিস্ফোরক ঋজু দত্ত, হুংকার 'আবার...'

Published on: May 09, 2026 8:59 PM IST
Share
Share via
  • facebook
  • twitter
  • linkedin
  • whatsapp
Copy link
  • copy link

ছয় বছরের জন্য সাসপেনশনের নির্দেশ পেয়ে ফের তৃণমূব কংগ্রেসের বিরুদ্ধে ফোঁস করলেন ঋজু দত্ত। সদ্য সাসপেন্ড হওয়া নেতা বলেন, ‘আমার প্রাণপ্রিয় দল। যে দল কে আমার যৌবনের ১৩টা বছর দিয়েছি। নিরন্তর পরিশ্রম করেছি নিজেকে প্রমাণ করার জন্য। শুধুমাত্র নিজের কাজ ও পারফরম্যান্সের জোরে ধাপে ধাপে উপরে উঠেছি — কারণ আমি কোনও নেপো কিড নই। আর আজ আমার প্রিয় দলই আমায় ছয় বছরের জন্য সাসপেন্ড করল! কেন? কারণ আমি সত্যিটা বলেছি। সাসপেনশনের নোটিশে বলা হয়েছে আমি নাকি শৃঙ্খলারক্ষা কমিটির সামনে হাজির হইনি। অথচ নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই আমি ৯ মে সকাল ১১ টা ২৭ মিনিটে পার্টির সদর দফতরে (তৃণমূল ভবন) আমার জবাব জমা দিয়েছি। সম্ভবত আমার জবাব পড়ার আগেই নোটিশটা টাইপ করা হয়ে গিয়েছিল। ধন্যবাদ, অল ইন্ডিয়া তৃণমূল কংগ্রেস! আমি কথা দিচ্ছি - আবার দেখা হবে।'

ঋজু দত্ত।
ঋজু দত্ত।

আর সেই 'নেপো কিড' মন্তব্য নিয়ে ঋজু কাকে নিশানা করেছেন, তা নিয়ে জল্পনা শুরু হয়েছে। কেউ-কেউ প্রশ্ন তুলেছেন, দলের একেবারে শীর্ষস্তরের নেতাকে কি আক্রমণ শানালেন ঋজু? সেই উত্তরের জবাব অবশ্য মেলেনি। যে ঋজু দিনকয়েক আগেই বিজেপি কর্মীদের 'সৌজন্যবোধ' নিয়ে দরাজ সার্টিফিকেট দিয়েছিলেন। এমনকী বিজেপির নেতাদের কাছে চিরকৃতজ্ঞ থাকবেন বলে দাবি করেছিলেন ঋজু।

একটি ভিডিয়োবার্তায় তিনি বলেছিলেন, 'বিজেপির বিধায়কদের এত ব্যস্ততা, আগামী ৯ তারিখ তাঁদের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠান রয়েছে। কিন্তু এর মধ্যেও যতজন বিজেপি বিধায়ককে আমি ফোন করেছি। প্রতিটি বিজেপি বিধায়ক যাদের আমি ফোন করেছি, তারা দুটো রিংয়ের মধ্যে আমার ফোন ধরেছে। বিজেপির দিল্লির শীর্ষ নেতৃত্ব এবং বিজেপির বাংলার শীর্ষ নেতৃত্ব, আমাকে ওপেনলি বলেছে, তুমি বুক ফুলিয়ে তৃণমূল কংগ্রেস করো। তোমার পরিবারের উপরে কোনও আঁচ আসবে না।'

সেইসঙ্গে তিনি বলেছিলেন যে বিজেপি নেতাদের কাছে চিরকৃতজ্ঞ থাকবেন। তাঁর অভিযোগ, তৃণমূলের শীর্ষ নেতৃত্ব তাঁকে সাহায্য করেনি। তবে বিজেপির বিধায়ক রীতেশ তিওয়ারি তাঁকে অভয় দেন। ঋজু বলেছিলে, 'বিজেপি যে সৌজন্য দেখিয়েছে, বিজেপি যে উদারতা দেখিয়েছে, বিজেপি যে প্রোটেকশন দিয়েছে, যে সহযোগিতা তাঁর সাথে করেছে এই ঋণ আমি জানি না শোধ করতে পারব কিনা।' পাশাপাশি তিনি অভিযোগ করেছিলেন, তৃণমূলের অনেক নেতা নাকি বিজেপিতে যোগদান করতে চেয়েছেন। এদিকে প্রচারের সময় ব্যক্তিগত আক্রমণ করার জন্যে ক্ষমাও চেয়ে নেন।

আর সেই মন্তব্যের বিষয়টি ভালো চোখে দেখেনি তৃণমূল।

  • Ayan Das
    ABOUT THE AUTHOR
    Ayan Das

    অয়ন দাস হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রোডিউসার। প্রায় এক দশক ধরে সাংবাদিকতার সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত আছেন। সাংবাদিক হিসেবে তিনি মূলত পশ্চিমবঙ্গ-সহ ভারতের রাজনীতি, সমসাময়িক ঘটনাপ্রবাহ এবং পরিকাঠামো উন্নয়ন সংক্রান্ত বিভিন্ন খবর পাঠকদের সামনে তুলে ধরেন। ট্রেন, মেট্রো, আবহাওয়া, খেলাধুলোর প্রতি বিশেষ আগ্রহ রয়েছে। নিয়মিত সেইসব বিষয়েও প্রতিবেদন লিখে থাকেন। পেশাদার অভিজ্ঞতা: কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময় দ্য টাইমস অফ ইন্ডিয়া, ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন অফ বেঙ্গল (সিএবি), স্পোর্টসকিডার মতো সংস্থায় ইন্টার্নশিপ করার পরে ২০১৮ সাল থেকে অয়নের পেশাদার জীবনের সূচনা হয়। পেশাদার সাংবাদিক জীবনের শুরুটা হয় ইটিভি ভারতে। সেখানে এক বছর দু'মাস কাজ করার পরে ২০১৯ সালের ১১ নভেম্বর যোগ দেন হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায়। চারদিন পরে আনুষ্ঠানিকভাবে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা চালু হয়। অর্থাৎ একেবারে প্রথম থেকেই হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় আছেন। বর্তমানে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে পশ্চিমবঙ্গের রাজ্য-রাজনীতি, ভারতের রাজনীতি, ট্রেন-মেট্রো-শিল্প সংক্রান্ত পরিকাঠামো-নির্ভর খবর, চাকরির খবর, ক্রিকেট-ফুটবলের মতো খেলাধুলোর খবরের প্রতিবেদন লিখে থাকেন। বিশেষ করে ব্রেকিং নিউজ, রাজনৈতিক বিশ্লেষণ এবং সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনের উপরে প্রভাব ফেলে, এমন খবর লেখার ক্ষেত্রে তিনি বিশেষভাবে পারদর্শী। শিক্ষাগত যোগ্যতা: নঙ্গী হাইস্কুল এবং নিউ আলিপুর মাল্টিপারপাস স্কুল থেকে প্রাথমিক পড়াশোনার পরে আশুতোষ কলেজ থেকে সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে অয়ন স্নাতক হয়েছেন। তারপর একই বিষয়ে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছেন। ব্যক্তিগত পছন্দ এবং নেশা: অয়ন মনেপ্রাণে পাহাড়প্রেমিক। সুযোগ পেলেই পাহাড়ে ঘুরতে চলে যান। বরফ ও তুষারপাতের প্রতি বিশেষ জায়গা রয়েছে হৃদয়ে। তাছাড়াও ভারতীয় সেনা, ভারতীয় বায়ুসেনা ও ভারতীয় নৌসেনার প্রতি বিশেষ টান রয়েছে। ভারতীয় জওয়ানদের বীরত্ব, তাঁদের লড়াই নিয়ে বই পড়তে বা তথ্যচিত্র দেখতে ভালোবাসেন। ছোটোবেলায় নিজেরও ভারতীয় সেনায় যোগ দেওয়ার ইচ্ছা ছিল।Read More