TMC Worker Arrested in BLO Death: বিএলও আত্মহত্যায় নির্বাচন কমিশনকে দুষেছিলেন টিএমসি বিধায়ক, সেই মামলায় ধৃত তৃণমূলকর্মী

ধৃত তৃণমূল সমর্থক মুর্শিদাবাদের রানিতলা থানা এলাকার বাসিন্দা বুলেট খান। বালিগ্রাম পঞ্চায়েত এলাকার ফুলপুর গ্রামের বাড়ি থেকে বুলেট শেখকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তাকে লালবাগ মহকুমা আদালতে তোলা হয়েছিল গত ১২ জানুয়ারি।

Published on: Jan 13, 2026 12:36 PM IST
Share
Share via
  • facebook
  • twitter
  • linkedin
  • whatsapp
Copy link
  • copy link

সম্প্রতি মুর্শিদাবাদে বিএলও হামিমুল ইসলামের মৃত্যুর পরপরই শাসক তৃণমূল সরব হয়েছিল। অভিযোগ করা হয়েছিল, এসআইআর-এর কাজের চাপেই হয়েছে এই আত্মহত্যা। তবে এবার সামনে এল সেই আত্মহত্যার আসল কারণ। এই ঘটনায় গ্রেফতার হয়েছেন তৃণমূলেরই এক কর্মী। ধৃত তৃণমূল সমর্থক মুর্শিদাবাদের রানিতলা থানা এলাকার বাসিন্দা বুলেট খান। বালিগ্রাম পঞ্চায়েত এলাকার ফুলপুর গ্রামের বাড়ি থেকে বুলেট শেখকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তাকে লালবাগ মহকুমা আদালতে তোলা হয়েছিল গত ১২ জানুয়ারি। তাকে পাঁচদিনের পুলিশ হেফাজতে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছে আদালত।

ধৃত তৃণমূল সমর্থক মুর্শিদাবাদের রানিতলা থানা এলাকার বাসিন্দা বুলেট খান।
ধৃত তৃণমূল সমর্থক মুর্শিদাবাদের রানিতলা থানা এলাকার বাসিন্দা বুলেট খান।

উল্লেখ্য, গত ১০ জানুয়ারি রাতে ভগবানগোলা ২ নম্বর ব্লকের আখরিগঞ্জ গ্রাম পঞ্চায়েতের অন্তর্গত আলাইপুর গ্রামের বিএলও হামিমুল ইসলামের মৃতদেহ উদ্ধার হয় স্কুলের ভিতরে থেকে। এরপরই তৃণমূল অভিযোগ তুলেছিল, এসআইআর-এর কাজের চাপে আত্মহত্যা করেন বিএলও। তবে ঘটনার তদন্তে উঠে এল অন্য সত্য। পুলিশের বক্তব্য, এই বিএলও-র কাছ থেকে ২০ লক্ষ টাকা ধার নিয়েছিলেন বুলেট খান। পরবর্তীতে বুলেট খান সেই টাকা ফেরত দেয়নি। এদিকে বুলেটের থেকে টাকা চাইলে হামিমুলকে খুনের হুমকি দেওয়া হয়েছিল। এই আবহে আত্মহত্যায় প্ররোচনার অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে বুলেটের বিরুদ্ধে।

এদিকে স্থানীয়দের কাছে তৃণমূলকর্মী হিসেবে পরিচিত এই বুলেট খান। বুলেটের বিরুদ্ধে আত্মহত্যায় প্ররোচনা দেওয়ার অভিযোগ এনেছেন হামিমুলের স্ত্রী সীমা খাতুন বিবি। রানিতলা থানার এক পুলিশ আধিকারিক বলেন, 'লিখিত অভিযোগের প্রাথমিক প্রমাণ পাওয়া গিয়েছে। এখন দু'পক্ষের ব্যাঙ্ক স্টেটমেন্ট খতিয়ে দেখার কাজ চলছে। বুলেটের বিরুদ্ধে সাইবার প্রতারণার কোনও মামলা রয়েছে কি না, তা জানতে অন্য থানায় মেসেজ করা হয়েছে।'

এর আগে হামিমুলের পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে দেখা করে যান স্থানীয় ভগবানতলা বিধানসভা কেন্দ্রের তৃণমূল বিধায়ক রিয়াজ হোসেন সরকার। পরিবারের পাশে থাকার আশ্বাস দিয়ে শাসক শিবিরের এই বিধায়ক দাবি করেছিলেন, হামিমুলের মৃত্যুর দায় নির্বাচন কমিশনকেই নিতে হবে। এখন পুলিশি তদন্তে সামনে এল অন্য এক ঘটনা। আর তাতে অভিযুক্ত এক তৃণমূলকর্মী।