মহুয়া বলেন, 'ওঁর মুখোশ আর পরচুলা—দুটোই খুলে গিয়েছে।' দলের একাংশের বিদ্রোহ এবং একাধিক সাংসদের অবস্থান বদলের জল্পনার মধ্যেই সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়ের কেন্দ্রীয় মন্ত্রী ভূপেন্দ্র যাদবের সঙ্গে বৈঠক নতুন করে বিতর্ক উসকে দেয়। রাজনৈতিক মহলের একাংশের মতে, এই বৈঠক তৃণমূলের অন্দরে চলা অস্থিরতাকে আরও প্রকট করেছে।
Sudip Banerjee Row: তৃণমূল কংগ্রেসের চলমান অভ্যন্তরীণ সংকটের আবহে এবার দলের বর্ষীয়ান সাংসদ সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়কে তীব্র কটাক্ষ করলেন কৃষ্ণনগরের সাংসদ মহুয়া মৈত্র। কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর সঙ্গে সুদীপের বৈঠক ঘিরে রাজনৈতিক জল্পনা যখন তুঙ্গে, তখনই তাঁর উদ্দেশে তোপ দেগে মহুয়া বলেন, 'ওঁর মুখোশ আর পরচুলা—দুটোই খুলে গিয়েছে।' দলের একাংশের বিদ্রোহ এবং একাধিক সাংসদের অবস্থান বদলের জল্পনার মধ্যেই সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়ের কেন্দ্রীয় মন্ত্রী ভূপেন্দ্র যাদবের সঙ্গে বৈঠক নতুন করে বিতর্ক উসকে দেয়। রাজনৈতিক মহলের একাংশের মতে, এই বৈঠক তৃণমূলের অন্দরে চলা অস্থিরতাকে আরও প্রকট করেছে।
সুদীপকে তোপ মহুয়ার
মহুয়া মৈত্র অভিযোগ করেন, দীর্ঘদিন ধরে দলের প্রতি আনুগত্যের কথা বলা হলেও সাম্প্রতিক ঘটনাবলী অন্য ইঙ্গিত দিচ্ছে। তাঁর বক্তব্য, বর্তমান পরিস্থিতিতে কারা দলের সঙ্গে রয়েছেন এবং কারা অন্য রাজনৈতিক সমীকরণের দিকে ঝুঁকছেন, তা ক্রমশ স্পষ্ট হয়ে উঠছে। প্রসঙ্গত, গত কয়েকদিন ধরে তৃণমূলে ভাঙনের জল্পনা তীব্র হয়েছে। বিদ্রোহী সাংসদদের একাংশ এনডিএ-কে সমর্থনের দাবি তুলেছেন বলে খবর। যদিও মহুয়া মৈত্র বারবার দাবি করেছেন, বিদ্রোহী শিবিরের শক্তি নিয়ে যে দাবি করা হচ্ছে তা অতিরঞ্জিত এবং আইনি স্বীকৃতি পাওয়ার মতো পরিস্থিতি এখনও তৈরি হয়নি।
দলত্যাগী ও বিদ্রোহী নেতাদের বিরুদ্ধে আগেও সরব হয়েছেন মহুয়া। তিনি তাঁদের ‘বিশ্বাসঘাতক’ আখ্যা দিয়ে বিজেপির টিকিটে ভোটে লড়ার চ্যালেঞ্জও ছুড়ে দিয়েছিলেন। এদিকে বিদ্রোহের আবহে দলীয় সংগঠনে একাধিক রদবদল শুরু করেছেন তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বিদ্রোহী বলে পরিচিত কয়েকজন নেতাকে গুরুত্বপূর্ণ সাংগঠনিক পদ থেকে সরানো হয়েছে। সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায় এখনও মহুয়ার মন্তব্যের প্রকাশ্য কোনও জবাব দেননি। তবে রাজনৈতিক মহলের মতে, তৃণমূলের অন্দরে সংঘাত এখন আর পর্দার আড়ালে নেই; বরং তা প্রকাশ্য রাজনৈতিক লড়াইয়ের রূপ নিচ্ছে।
২০২১ সাল থেকে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন অভিজিৎ চৌধুরী। ২০১৮ সালে সালে তাঁর পেশাদার জীবনের শুরু। জাতীয়, আন্তর্জাতিক বিষয়, বাংলার রাজনীতি এবং খেলাধুলোর বিষয়ে লেখার ক্ষেত্রে ৮ বছরের অভিজ্ঞতা রয়েছে তাঁর। আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে আমেরিকা, পাকিস্তান এবং বাংলাদেশের বিষয়ে তাঁর আগ্রহ সবচেয়ে বেশি।
কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সাংবাদিকতায় স্নাতকোত্তর ডিগ্রি পাশ করেই সাংবাদিকতার জগতে প্রবেশ করেছেন অভিজিৎ। হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় যোগদানের আগে ওয়ানইন্ডিয়া এবং ইটিভি ভারতে কাজ করার অভিজ্ঞতা রয়েছে অভিজিতের। এছাড়া আকাশবাণীতে রেডিও জকি হিসেবেও কাজ করেছিলেন তিনি। খবরের জগৎ ছাড়া খেলাধুলো, ইতিহাসে অভিজিতের আগ্রহ রয়েছে।
শিক্ষাগত যোগ্যতা:
সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন নিয়ে অভিজিৎ তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন আশুতোষ কলেজ থেকে। এরপর কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে একই বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন।
ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা:
ক্রিকেট, ফুটবল, টেনিস ছাড়া প্রায় সব ধরনের খেলা দেখতে তিনি ভীষণ ভালোবাসেন। কাজের বাইরে তাঁর অবসর কাটে বই পড়ে এবং বিভিন্ন বিষয়ে ডকুমেন্টারি দেখে।Read More