Trinamool Bhawan Controversy: ‘তৃণমূল ভবন’ ফেরত চেয়ে পুলিশের দ্বারস্থ মালিক, চুক্তি শেষের পরও বাড়ি না ছাড়ার অভিযোগ
বাইপাস সংলগ্ন উত্তর পঞ্চান্ন গ্রামে অবস্থিত তৃণমূলের পুরনো সদর দফতর ভেঙে নতুন করে নির্মাণের কাজ শুরু হওয়ায় ২০২১ সালে মেট্রোপলিটনের ওই ভবনটিকে অস্থায়ী দলীয় কার্যালয় হিসেবে ব্যবহার করা শুরু হয়। ভবনটির মালিক মনোতোষ সাহার দাবি, তৃণমূলের সঙ্গে তাঁর চুক্তির মেয়াদ ২০২৫ সালেই শেষ হয়ে যায়।
কলকাতার মেট্রোপলিটন এলাকায় অবস্থিত যে ভবনটি গত প্রায় পাঁচ বছর ধরে তৃণমূল কংগ্রেসের অস্থায়ী কার্যালয় হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে আসছে, সেই ভবন ফেরত চেয়ে থানার দ্বারস্থ হতে চলেছেন মালিক মনোতোষ সাহা ওরফে মন্টু। সোমবার তিনি এ বিষয়ে একটি জেনারেল ডায়েরি (জিডি) করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। তাঁর অভিযোগ, চুক্তির মেয়াদ শেষ হয়ে যাওয়ার পরেও তৃণমূল ভবনটি খালি করেনি।

জানা গিয়েছে, বাইপাস সংলগ্ন উত্তর পঞ্চান্ন গ্রামে অবস্থিত তৃণমূলের পুরনো সদর দফতর ভেঙে নতুন করে নির্মাণের কাজ শুরু হওয়ায় ২০২১ সালে মেট্রোপলিটনের ওই ভবনটিকে অস্থায়ী দলীয় কার্যালয় হিসেবে ব্যবহার করা শুরু হয়। ভবনটির মালিক মনোতোষ সাহার দাবি, তৃণমূলের সঙ্গে তাঁর চুক্তির মেয়াদ ২০২৫ সালেই শেষ হয়ে যায়। কিন্তু এক বছর পেরিয়ে গেলেও ভবনটি এখনও দলীয় কার্যালয় হিসেবেই ব্যবহৃত হচ্ছে।
মনোতোষের অভিযোগ, সাম্প্রতিক নির্বাচনের ফল ঘোষণার পর তিনি তৃণমূল নেতৃত্বকে ভবন খালি করার অনুরোধ জানিয়েছিলেন। কিন্তু সেই বিষয়ে দলের তরফে কোনও স্পষ্ট প্রতিক্রিয়া বা পদক্ষেপ দেখা যায়নি। ফলে বাধ্য হয়েই তিনি প্রশাসনের দ্বারস্থ হওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।
উল্লেখযোগ্যভাবে, মনোতোষ সাহার ‘মডার্ন ডেকরেটার্স’ সংস্থা দীর্ঘদিন ধরে তৃণমূলের বিভিন্ন রাজনৈতিক কর্মসূচিতে মাইক, চেয়ার, টেবিল, মণ্ডপ এবং অন্যান্য প্রয়োজনীয় সামগ্রী সরবরাহ করত। শুধু দলীয় অনুষ্ঠান নয়, বিভিন্ন সরকারি কর্মসূচিতেও তাঁর সংস্থা কাজের বরাত পেয়েছিল বলে জানা যায়। এই প্রেক্ষাপটেই তিনি নিজের ভবনটি দলকে ব্যবহারের জন্য দিয়েছিলেন বলে রাজনৈতিক মহলের ধারণা।
তবে মনোতোষের দাবি, বিভিন্ন কর্মসূচির জন্য প্রাপ্য অর্থের একটি অংশ এখনও তিনি পাননি। বহুবার দাবি জানানো সত্ত্বেও সেই বকেয়া মেটানো হয়নি বলে অভিযোগ তাঁর। পাশাপাশি ভবন খালি করার বিষয়েও কোনও উদ্যোগ না নেওয়ায় তিনি অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন। এই পরিস্থিতিতে সোমবার থানায় জিডি করার সিদ্ধান্তকে ঘিরে রাজনৈতিক মহলে নতুন করে জল্পনা তৈরি হয়েছে। এখন দেখার, অভিযোগের পর তৃণমূলের তরফে কী পদক্ষেপ করা হয় এবং বিষয়টি কোন দিকে গড়ায়।
ABOUT THE AUTHORAbhijit Chowdhury২০২১ সাল থেকে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন অভিজিৎ চৌধুরী। ২০১৮ সালে সালে তাঁর পেশাদার জীবনের শুরু। জাতীয়, আন্তর্জাতিক বিষয়, বাংলার রাজনীতি এবং খেলাধুলোর বিষয়ে লেখার ক্ষেত্রে ৮ বছরের অভিজ্ঞতা রয়েছে তাঁর। আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে আমেরিকা, পাকিস্তান এবং বাংলাদেশের বিষয়ে তাঁর আগ্রহ সবচেয়ে বেশি। কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সাংবাদিকতায় স্নাতকোত্তর ডিগ্রি পাশ করেই সাংবাদিকতার জগতে প্রবেশ করেছেন অভিজিৎ। হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় যোগদানের আগে ওয়ানইন্ডিয়া এবং ইটিভি ভারতে কাজ করার অভিজ্ঞতা রয়েছে অভিজিতের। এছাড়া আকাশবাণীতে রেডিও জকি হিসেবেও কাজ করেছিলেন তিনি। খবরের জগৎ ছাড়া খেলাধুলো, ইতিহাসে অভিজিতের আগ্রহ রয়েছে। শিক্ষাগত যোগ্যতা: সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন নিয়ে অভিজিৎ তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন আশুতোষ কলেজ থেকে। এরপর কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে একই বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: ক্রিকেট, ফুটবল, টেনিস ছাড়া প্রায় সব ধরনের খেলা দেখতে তিনি ভীষণ ভালোবাসেন। কাজের বাইরে তাঁর অবসর কাটে বই পড়ে এবং বিভিন্ন বিষয়ে ডকুমেন্টারি দেখে।Read More
E-Paper


