WB Yuvasathi application process: ‘বেকার ভাতা’ মিলবে এপ্রিল থেকেই, ৯০,০০০ টাকা কীভাবে আবেদন করবেন? কবে থেকে?
পয়লা এপ্রিল থেকেই যুবসাথী প্রকল্প চালু হয়ে যাচ্ছে। যে প্রকল্পের আওতায় মাসিক ১,৫০০ টাকা ভাতা পাবেন। কীভাবে সেই ভাতা পাওয়ার জন্য আবেদন করতে হবে? কবে থেকে শিবির চলবে? অনলাইনেও আবেদন করা যাবে কি? সেইসব তথ্য জেনে নিন।
পয়লা এপ্রিল থেকেই মিলবে বেকার ভাতা। দিনকয়েক আগে রাজ্য বাজেটে ঘোষণা করা হয়েছিল যে আগামী ১৫ অগস্ট থেকে 'যুবসাথী' প্রকল্প চালু করা হবে। তবে মঙ্গলবার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জানিয়েছেন, নয়া অর্থবর্ষের (২০২৬-২৭ সাল) প্রথম দিন থেকেই 'যুবসাথী' প্রকল্প চালু করা হচ্ছে। অর্থাৎ সাড়ে চার মাস আগে থেকেই 'যুবসাথী' প্রকল্পের আওতায় বেকার ভাতা হিসেবে মাসিক ১,৫০০ টাকা দেওয়া হবে বলে ঘোষণা করেছেন মুখ্যমন্ত্রী। কীভাবে সেই ভাতা পাওয়া যাবে, কীভাবে আবেদন করতে হবে, তাও মুখ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন নবান্নের সাংবাদিক বৈঠক থেকে।

কীভাবে যুবসাথী প্রকল্পের জন্য আবেদন করতে হবে?
মুখ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন, যুবসাথী প্রকল্পের আওতায় অনলাইনে আবেদনের বিষয় থাকছে না আপাতত। অফলাইনেই আবেদন করতে হবে। সেজন্য সংবাদমাধ্যমে বিজ্ঞাপন দেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। তিনি জানিয়েছেন, বিভিন্ন সংবাদপত্রে বিজ্ঞাপন দেওয়া হবে। প্রতিটি বিধানসভা কেন্দ্রেই একটি শিবির তৈরি করবে রাজ্য সরকার। সেখানে গিয়ে যুবসাথী প্রকল্পের আবেদন করতে পারবেন।
কতদিন যুবসাথী প্রকল্পের শিবির চলবে?
মুখ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন, ছুটির দিনগুলো বাদ দিয়ে আগামী ১৫ ফেব্রুয়ারি থেকে আগামী ২৬ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত রাজ্যের প্রতিটি বিধানসভা কেন্দ্রে বিশেষ শিবির (মোট ২৯৪টি শিবির) চলবে। সকাল ১০ টা থেকে বিকেল ৫ টা পর্যন্ত শিবির খোলা থাকবে। যাঁরা আবেদন জমা দেবেন, তাঁরা রশিদ পাবেন। আবেদনপত্রের ডিজিটালাইজেশন করা হবে।
আর কী কারণে অনলাইনে আবেদনের বিষয়টি এখনই চালু করা হচ্ছে, তার ব্যাখ্যাও দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। তিনি জানিয়েছেন, হাতে সময় কম আছে। অনলাইনে আবেদন করলে বেকার ভাতা দিতে সময় বেশি লাগত। দ্রুত যাতে বেকার ভাতা দেওয়া যায়, সেজন্যই এখন ‘একটু কষ্ট করে’ সশরীরে শিবিরে গিয়ে আবেদন করে যাওয়ার আর্জি জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী।
কারা যুবসাথী প্রকল্পের জন্য আবেদন করতে পারবেন?
১) মাধ্যমিক বা দশম শ্রেণি উত্তীর্ণরা আবেদন করতে পারবেন। বয়স হতে হবে ২১ থেকে ৪০-র মধ্যে।
২) প্রাথমিকভাবে পাঁচ বছরের জন্য মাসিক ১,৫০০ টাকা ভাতা মিলবে। পাঁচ বছর ভাতা দেওয়ার অর্থ হল যে ৬০ মাস টাকা দেওয়া হবে। অর্থাৎ মোট ৯০,০০০ টাকা মিলবে।
৩) মুখ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন, আবেদনকারীরা যে কোনও স্কলারশিপ পেতে পারেন - সে ঐক্যশ্রী হোক, মেধাশ্রী হোক, স্মার্টকার্ড হোক বা শিক্ষাশ্রী হোক বা স্বামী বিবেকানন্দ মেরিট স্কলারশিপ হোক। সেগুলির কোনও প্রভাব পড়বে না। কিন্তু অন্য কোনও প্রকল্পে টাকা না পেলে যুবসাথীর আওতায় মাসিক ১,৫০০ টাকা মিলবে।
ABOUT THE AUTHORAyan Dasঅয়ন দাস হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রোডিউসার। প্রায় এক দশক ধরে সাংবাদিকতার সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত আছেন। সাংবাদিক হিসেবে তিনি মূলত পশ্চিমবঙ্গ-সহ ভারতের রাজনীতি, সমসাময়িক ঘটনাপ্রবাহ এবং পরিকাঠামো উন্নয়ন সংক্রান্ত বিভিন্ন খবর পাঠকদের সামনে তুলে ধরেন। ট্রেন, মেট্রো, আবহাওয়া, খেলাধুলোর প্রতি বিশেষ আগ্রহ রয়েছে। নিয়মিত সেইসব বিষয়েও প্রতিবেদন লিখে থাকেন। পেশাদার অভিজ্ঞতা: কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময় দ্য টাইমস অফ ইন্ডিয়া, ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন অফ বেঙ্গল (সিএবি), স্পোর্টসকিডার মতো সংস্থায় ইন্টার্নশিপ করার পরে ২০১৮ সাল থেকে অয়নের পেশাদার জীবনের সূচনা হয়। পেশাদার সাংবাদিক জীবনের শুরুটা হয় ইটিভি ভারতে। সেখানে এক বছর দু'মাস কাজ করার পরে ২০১৯ সালের ১১ নভেম্বর যোগ দেন হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায়। চারদিন পরে আনুষ্ঠানিকভাবে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা চালু হয়। অর্থাৎ একেবারে প্রথম থেকেই হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় আছেন। বর্তমানে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে পশ্চিমবঙ্গের রাজ্য-রাজনীতি, ভারতের রাজনীতি, ট্রেন-মেট্রো-শিল্প সংক্রান্ত পরিকাঠামো-নির্ভর খবর, চাকরির খবর, ক্রিকেট-ফুটবলের মতো খেলাধুলোর খবরের প্রতিবেদন লিখে থাকেন। বিশেষ করে ব্রেকিং নিউজ, রাজনৈতিক বিশ্লেষণ এবং সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনের উপরে প্রভাব ফেলে, এমন খবর লেখার ক্ষেত্রে তিনি বিশেষভাবে পারদর্শী। শিক্ষাগত যোগ্যতা: নঙ্গী হাইস্কুল এবং নিউ আলিপুর মাল্টিপারপাস স্কুল থেকে প্রাথমিক পড়াশোনার পরে আশুতোষ কলেজ থেকে সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে অয়ন স্নাতক হয়েছেন। তারপর একই বিষয়ে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছেন। ব্যক্তিগত পছন্দ এবং নেশা: অয়ন মনেপ্রাণে পাহাড়প্রেমিক। সুযোগ পেলেই পাহাড়ে ঘুরতে চলে যান। বরফ ও তুষারপাতের প্রতি বিশেষ জায়গা রয়েছে হৃদয়ে। তাছাড়াও ভারতীয় সেনা, ভারতীয় বায়ুসেনা ও ভারতীয় নৌসেনার প্রতি বিশেষ টান রয়েছে। ভারতীয় জওয়ানদের বীরত্ব, তাঁদের লড়াই নিয়ে বই পড়তে বা তথ্যচিত্র দেখতে ভালোবাসেন। ছোটোবেলায় নিজেরও ভারতীয় সেনায় যোগ দেওয়ার ইচ্ছা ছিল।Read More
E-Paper


