US Company in Kolkata: বাংলার স্টার্ট-আপের সঙ্গে কাজ করতে চায় US-র সংস্থা, কলকাতায় আরও ১ অফিসের লক্ষ্য

স্থানীয় স্টার্ট-আপ কোম্পানির সঙ্গে হাত মিলিয়ে বাংলায় নিজেদের উপস্থিতি আরও বাড়াতে চাইছে মার্কিন সংস্থা। সম্প্রতি পূর্ব ভারতের মধ্যে ওই মার্কিন সংস্থার প্রথম অফিস কলকাতায় চালু করা হয়েছে। খোলা হতে পারে আরও একটি অফিস।

Published on: Feb 12, 2026, 21:11:36 IST
Share
Share via
  • facebook
  • twitter
  • linkedin
  • whatsapp
Copy link
  • copy link

স্থানীয় স্টার্ট-আপ কোম্পানির সঙ্গে হাত মিলিয়ে বাংলায় নিজেদের উপস্থিতি আরও বাড়াতে চাইছে মার্কিন সংস্থা। সংবাদমাধ্যম দ্য টাইমস অফ ইন্ডিয়ার প্রতিবেদন অনুযায়ী, পাবলিসিস স্যাপিয়েন্ট নামে ওই মার্কিন সংস্থা পশ্চিমবঙ্গের গ্লোবাল কেপেবিলিটি সেন্টার (জিসিসি) ক্ষেত্রে প্রবেশ করতে চাইছে। সেই রেশ ধরে পূর্ব ভারতে নিজেদের ব্যবসার হাব হিসেবে কলকাতার উপরে ফোকাস করতে চাইছে। এমনকী কলকাতার সিলিকন ভ্যালিতে আগামিদিনে নয়া অফিস খোলারও ভাবনাচিন্তা রয়েছে বলে জানিয়েছেন পাবলিসিস স্যাপিয়েন্টের ভারতীয় শাখার ম্যানেজিং ডিরেক্টর এবং এক্সিজিকিউটিভ ভাইস-প্রেসিডেন্ট সঞ্জয় মেনন।

স্থানীয় স্টার্ট-আপ কোম্পানির সঙ্গে হাত মিলিয়ে বাংলায় নিজেদের উপস্থিতি আরও বাড়াতে চাইছে মার্কিন সংস্থা। (ছবিটি প্রতীকী, সৌজন্যে ব্লুমবার্গ)
স্থানীয় স্টার্ট-আপ কোম্পানির সঙ্গে হাত মিলিয়ে বাংলায় নিজেদের উপস্থিতি আরও বাড়াতে চাইছে মার্কিন সংস্থা। (ছবিটি প্রতীকী, সৌজন্যে ব্লুমবার্গ)

জোর দেওয়া হচ্ছে AI ও GCC-র উপরে

আর তিনি সেই মন্তব্য করেছেন কলকাতায় পাবলিসিস স্যাপিয়েন্টের প্রথম অফিস খোলার পরে। সম্প্রতি পূর্ব ভারতের মধ্যে ওই মার্কিন সংস্থার প্রথম অফিস কলকাতায় চালু করা হয়েছে। সেই রেশ ধরে ওই সংবাদমাধ্যমে পাবলিসিস স্যাপিয়েন্টের ভারতীয় শাখার ম্যানেজিং ডিরেক্টর এবং এক্সিজিকিউটিভ ভাইস-প্রেসিডেন্ট জানিয়েছেন, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (আর্টিফিসিয়াল ইনটেলিজেন্স বা এআই) এবং জিসিসি ক্ষেত্রের উপরে জোর দিচ্ছে মার্কিন সংস্থা। যা বিভিন্ন বেসরকারি সংস্থার ডিজিটাল পরিবর্তনের আকর্ষণের কেন্দ্রবিন্দুতে আছে।

স্টার্ট-আপের সঙ্গে গাঁটছড়া বাঁধার উপরে জোর

সেই রেশ ধরে তিনি জানান, নিজেদের ব্যবসার বহর বাড়াতে স্টার্ট-আপের সঙ্গে গাঁটছড়া বাঁধার উপরে জোর দেওয়া হচ্ছে। তার ফলে আরও ভালোভাবে তাঁদের ব্যবসায়িক মডেল কার্যকর করা যাবে। আবার মার্কিন সংস্থার যে বিশাল নেটওয়ার্ক আছে, সেটারও সুবিধা পাবে বিভিন্ন স্টার্ট-আপ। ফলে সেই যৌথ উদ্যোগের মাধ্যমে দু'পক্ষই লাভবান হবে বলে দাবি করেছেন পাবলিসিস স্যাপিয়েন্টের ভারতীয় শাখার ম্যানেজিং ডিরেক্টর এবং এক্সিজিকিউটিভ ভাইস-প্রেসিডেন্ট।

কলকাতার সিলিকন ভ্যালিতেও অফিস নেওয়া হতে পারে

মার্কিন সংস্থার শীর্ষকর্তা জানিয়েছেন, ভারতে পাবলিসিস স্যাপিয়েন্টের মোট আটটি অফিস আছে (কলকাতার অফিসকে ধরে)। গত তিন বছর ধরে ডিজিটাল রূপান্তরের ক্ষেত্রে দ্রুতগতিতে এগিয়ে চলেছে ওই মার্কিন সংস্থা। সেই ধারা অব্যাহত রেখে আরও এগিয়ে যাওয়ার জন্য পূর্ব ভারতে ব্যবসার হিসেবে কলকাতাকে গড়ে তোলা হচ্ছে। আর সেই যাত্রাটা স্রেফ শুরু হয়েছে। কলকাতার ব্যবসায়িক পরিবেশ এবং দক্ষ যুবক-যুবতীর কারণেই মার্কিন সংস্থা বেছে নিয়েছে 'সিটি অফ জয়'-কে। এমনকী বাংলায় বিনিয়োগ বৃদ্ধি করারও পরিকল্পনা রয়েছে। অফিস নেওয়া হতে পারে সিলিকন ভ্যালিতে।

  • Ayan Das
    ABOUT THE AUTHOR
    Ayan Das

    অয়ন দাস হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রোডিউসার। প্রায় এক দশক ধরে সাংবাদিকতার সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত আছেন। সাংবাদিক হিসেবে তিনি মূলত পশ্চিমবঙ্গ-সহ ভারতের রাজনীতি, সমসাময়িক ঘটনাপ্রবাহ এবং পরিকাঠামো উন্নয়ন সংক্রান্ত বিভিন্ন খবর পাঠকদের সামনে তুলে ধরেন। ট্রেন, মেট্রো, আবহাওয়া, খেলাধুলোর প্রতি বিশেষ আগ্রহ রয়েছে। নিয়মিত সেইসব বিষয়েও প্রতিবেদন লিখে থাকেন। পেশাদার অভিজ্ঞতা: কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময় দ্য টাইমস অফ ইন্ডিয়া, ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন অফ বেঙ্গল (সিএবি), স্পোর্টসকিডার মতো সংস্থায় ইন্টার্নশিপ করার পরে ২০১৮ সাল থেকে অয়নের পেশাদার জীবনের সূচনা হয়। পেশাদার সাংবাদিক জীবনের শুরুটা হয় ইটিভি ভারতে। সেখানে এক বছর দু'মাস কাজ করার পরে ২০১৯ সালের ১১ নভেম্বর যোগ দেন হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায়। চারদিন পরে আনুষ্ঠানিকভাবে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা চালু হয়। অর্থাৎ একেবারে প্রথম থেকেই হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় আছেন। বর্তমানে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে পশ্চিমবঙ্গের রাজ্য-রাজনীতি, ভারতের রাজনীতি, ট্রেন-মেট্রো-শিল্প সংক্রান্ত পরিকাঠামো-নির্ভর খবর, চাকরির খবর, ক্রিকেট-ফুটবলের মতো খেলাধুলোর খবরের প্রতিবেদন লিখে থাকেন। বিশেষ করে ব্রেকিং নিউজ, রাজনৈতিক বিশ্লেষণ এবং সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনের উপরে প্রভাব ফেলে, এমন খবর লেখার ক্ষেত্রে তিনি বিশেষভাবে পারদর্শী। শিক্ষাগত যোগ্যতা: নঙ্গী হাইস্কুল এবং নিউ আলিপুর মাল্টিপারপাস স্কুল থেকে প্রাথমিক পড়াশোনার পরে আশুতোষ কলেজ থেকে সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে অয়ন স্নাতক হয়েছেন। তারপর একই বিষয়ে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছেন। ব্যক্তিগত পছন্দ এবং নেশা: অয়ন মনেপ্রাণে পাহাড়প্রেমিক। সুযোগ পেলেই পাহাড়ে ঘুরতে চলে যান। বরফ ও তুষারপাতের প্রতি বিশেষ জায়গা রয়েছে হৃদয়ে। তাছাড়াও ভারতীয় সেনা, ভারতীয় বায়ুসেনা ও ভারতীয় নৌসেনার প্রতি বিশেষ টান রয়েছে। ভারতীয় জওয়ানদের বীরত্ব, তাঁদের লড়াই নিয়ে বই পড়তে বা তথ্যচিত্র দেখতে ভালোবাসেন। ছোটোবেলায় নিজেরও ভারতীয় সেনায় যোগ দেওয়ার ইচ্ছা ছিল।Read More