Vande Bharat Sleeper Train: কলকাতার জাদু, বন্দে ভারত স্লিপার ট্রেন নিয়ে বড় পরীক্ষায় রেল! আসবে ২০২৬ সালেই
হাওড়া (কলকাতা)-কামাখ্যা (গুয়াহাটি) বন্দে ভারত স্লিপার ট্রেন সুপারহিট হয়েছে। সেই পরিস্থিতিতে বন্দে ভারত স্লিপার ট্রেন নিয়ে বড় সিদ্ধান্ত নিল ভারতীয় রেল। তার ফলে কী কী লাভ হবে? ২০২৬ সালের মধ্যেই সেটা হয়ে যাবে।
‘সুপারহিট’ হয়েছে হাওড়া-কামাখ্যা বন্দে ভারত স্লিপার ট্রেন। আর তাতেই উচ্ছ্বসিত হয়েই এবার বন্দে ভারত স্লিপার ট্রেনের কোচের সংখ্যা বাড়িয়ে ২৪ করার পথে হাঁটতে চলেছে রেল মন্ত্রক। রেল আধিকারিকদের সূত্র উদ্ধৃত করে সংবাদমাধ্যম দ্য টাইমস অফ ইন্ডিয়ার প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, চলতি বছরের মধ্যেই চেন্নাইয়ের ইন্টিগ্রাল কোচ ফ্যাক্টরি (আইসিএফ) থেকে ২৪ কোচের বন্দে ভারত স্লিপার ট্রেন বেরিয়ে আসবে। আপাতত যে বন্দে ভারত স্লিপার ট্রেনগুলি তৈরি করা হয়েছে, সেগুলিতে ১৬টি কোচ আছে। হাওড়া এবং কামাখ্যার মধ্যে দেশের প্রথম যে বন্দে ভারত স্লিপার ট্রেন ছুটছে, তাতেও রয়েছে ১৬টি কোচ। সবমিলিয়ে ৮২৩টি বার্থ আছে। আর ২৪ কোচের বন্দে ভারত স্লিপার ট্রেনে ১,২২৪টি বার্থ থাকবে। সেইসঙ্গে এসি প্যান্ট্রিকারও থাকবে বলে সূত্র উদ্ধৃত করে ওই প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে।

২৪ কোচের বন্দে ভারত স্লিপার ট্রেন কেমন হবে?
ওই প্রতিবেদন অনুযায়ী, রেলের আধিকারিকরা জানিয়েছেন যে আপাতত বন্দে ভারত স্লিপার ট্রেনের নকশার কাজ চলছে। ২০২৬ সাল শেষ হওয়ার আগেই প্রোটোটাইপ তৈরি করে ফেলার লক্ষ্যমাত্রা নেওয়া হয়েছে। নয়া বন্দে ভারত স্লিপারে ১৭টি এসি থ্রি-টিয়ার কোচ থাকবে। পাঁচটি থাকবে এসি দু'টিয়ার কোচ। সেইসঙ্গে এসি ফার্স্ট ক্লাস কোচ থাকবে একটি। আর কোচের সংখ্যা বৃদ্ধির ফলে আরও বেশি যাত্রী যাতায়াত করতে পারবেন নয়া বন্দে ভারত স্লিপার ট্রেনে। যাত্রীরা যাতে আরও ভালো পরিষেবা পান, সেদিকেও নজর দেওয়া হচ্ছে।
চোখের পলকে প্রথম বন্দে ভারত স্লিপারের টিকিট শেষ
এমনিতে গত ১৭ জানুয়ারি মালদা টাউন থেকে দেশের প্রথম বন্দে ভারত স্লিপার ট্রেনের উদ্বোধন করেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। আর ২২ জানুয়ারি থেকে শুরু হয় বাণিজ্যিক পরিষেবা। প্রাথমিকভাবে ব্যাপক সাড়া মিলেছে হাওড়া-কামাখ্যা বন্দে ভারত স্লিপার ট্রেনে। চোখের পলকে শেষ হয়ে গিয়েছে টিকিট।
টিকিটের চাহিদা ভালোই আছে বন্দে ভারত স্লিপার ট্রেনে
শুক্রবার হাওড়া থেকে যে বন্দে ভারত স্লিপার ট্রেন ছাড়বে, তার কোনও কোচেই টিকিট পড়ে নেই। আগামী শনিবার, রবিবার এবং সোমবারও একই অবস্থা। কোনও টিকিট পড়ে নেই। সেই আগামী মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) হাওড়া-কামাখ্যা বন্দে ভারত স্লিপার ট্রেনের এসি থ্রি-টিয়ারে আপাতত ৮০টি টিকিট পড়ে আছে। এসি দু'টিয়ার কোচে পড়ে আছে পাঁচটি টিকিট। বুধবারও (৪ ফেব্রুয়ারি) এসি থ্রি-টিয়ার এবং দু'টিয়ারে কয়েকটি টিকিট পড়ে আছে।
ABOUT THE AUTHORAyan Dasঅয়ন দাস হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রোডিউসার। প্রায় এক দশক ধরে সাংবাদিকতার সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত আছেন। সাংবাদিক হিসেবে তিনি মূলত পশ্চিমবঙ্গ-সহ ভারতের রাজনীতি, সমসাময়িক ঘটনাপ্রবাহ এবং পরিকাঠামো উন্নয়ন সংক্রান্ত বিভিন্ন খবর পাঠকদের সামনে তুলে ধরেন। ট্রেন, মেট্রো, আবহাওয়া, খেলাধুলোর প্রতি বিশেষ আগ্রহ রয়েছে। নিয়মিত সেইসব বিষয়েও প্রতিবেদন লিখে থাকেন। পেশাদার অভিজ্ঞতা: কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময় দ্য টাইমস অফ ইন্ডিয়া, ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন অফ বেঙ্গল (সিএবি), স্পোর্টসকিডার মতো সংস্থায় ইন্টার্নশিপ করার পরে ২০১৮ সাল থেকে অয়নের পেশাদার জীবনের সূচনা হয়। পেশাদার সাংবাদিক জীবনের শুরুটা হয় ইটিভি ভারতে। সেখানে এক বছর দু'মাস কাজ করার পরে ২০১৯ সালের ১১ নভেম্বর যোগ দেন হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায়। চারদিন পরে আনুষ্ঠানিকভাবে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা চালু হয়। অর্থাৎ একেবারে প্রথম থেকেই হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় আছেন। বর্তমানে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে পশ্চিমবঙ্গের রাজ্য-রাজনীতি, ভারতের রাজনীতি, ট্রেন-মেট্রো-শিল্প সংক্রান্ত পরিকাঠামো-নির্ভর খবর, চাকরির খবর, ক্রিকেট-ফুটবলের মতো খেলাধুলোর খবরের প্রতিবেদন লিখে থাকেন। বিশেষ করে ব্রেকিং নিউজ, রাজনৈতিক বিশ্লেষণ এবং সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনের উপরে প্রভাব ফেলে, এমন খবর লেখার ক্ষেত্রে তিনি বিশেষভাবে পারদর্শী। শিক্ষাগত যোগ্যতা: নঙ্গী হাইস্কুল এবং নিউ আলিপুর মাল্টিপারপাস স্কুল থেকে প্রাথমিক পড়াশোনার পরে আশুতোষ কলেজ থেকে সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে অয়ন স্নাতক হয়েছেন। তারপর একই বিষয়ে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছেন। ব্যক্তিগত পছন্দ এবং নেশা: অয়ন মনেপ্রাণে পাহাড়প্রেমিক। সুযোগ পেলেই পাহাড়ে ঘুরতে চলে যান। বরফ ও তুষারপাতের প্রতি বিশেষ জায়গা রয়েছে হৃদয়ে। তাছাড়াও ভারতীয় সেনা, ভারতীয় বায়ুসেনা ও ভারতীয় নৌসেনার প্রতি বিশেষ টান রয়েছে। ভারতীয় জওয়ানদের বীরত্ব, তাঁদের লড়াই নিয়ে বই পড়তে বা তথ্যচিত্র দেখতে ভালোবাসেন। ছোটোবেলায় নিজেরও ভারতীয় সেনায় যোগ দেওয়ার ইচ্ছা ছিল।Read More
E-Paper


