Viral Audio Controversy: নন্দীগ্রামে হুলুস্থূল! ISF প্রার্থীকে তৃণমূলে যোগদানের প্রস্তাব, ভোটের মুখে প্রকাশ্যে...
Viral Audio Controversy: দু'জনের কথোপকথনের অডিও ইতিমধ্যেই ভাইরাল। তবে যাঁদের মধ্যে এই কথোপকথন হয়েছে তাঁরা দু'জনে তা স্বীকার করেছেন বলে দাবি।
Viral Audio Controversy: হাতেগোনা আর কয়েক দিন তারপরেই রাজ্যজুড়ে দুই দফায় হতে চলেছে ২৬-এর বিধানসভা নির্বাচন। জোর কদমে চলছে প্রার্থীদের ভোট প্রচারের লড়াই। আর ভোটের মুখে একটি অডিও রেকর্ড ভাইরালের ঘটনায় শোরগোল পড়ে গিয়েছে নন্দীগ্রামে। জানা গিয়েছে, যে অডিওটি ভাইরাল হয়েছে সেটি নন্দীগ্রাম বিধানসভা কেন্দ্রের বামফ্রন্ট সমর্থিত আইএসএফ প্রার্থী মহম্মদ শবে মিরাজ আলি খান এবং স্থানীয় সামসাবাদ অঞ্চল তৃণমূল কংগ্রেস সভাপতি শেখ মনসুর আলির টেলিফোনিক কথোপকথন। যা দিন কয়েক আগে হয়েছে। তবে এই অডিওর সত্যতা যাচাই করেনি হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা।

দু'জনের কথোপকথনের অডিও ইতিমধ্যেই ভাইরাল। তবে যাঁদের মধ্যে এই কথোপকথন হয়েছে তাঁরা দু'জনে তা স্বীকার করেছেন বলে দাবি। অডিওয় শোনা গিয়েছে, শেখ মনসুর আলি, মহম্মদ শবে মিরাজকে অন্য দলে না থেকে তৃণমূলকে সমর্থন করার আর্জি জানিয়েছেন। তৃণমূলের নেতা আইএসএফ প্রার্থীকে বারবার অনুরোধ করেছেন। শবে মিরাজ অবশ্য শাসকদলে যোগ দেবেন না বলে ওই কথোপকথনে স্পষ্ট উঠে এসেছে। অডিওতে আইএসএফ প্রার্থীকে বলতে শোনা গিয়েছে, 'আমি বিশ্বাসঘাতকতা করতে পারব না। দল যখন এখানে আমাকে প্রার্থী বলে ঘোষণা করেছে, তখন ভোটে আমাকে লড়তে হবে। জানি হয়তো ক্ষতি হবে। কিন্তু আমি তো একটা নীতি নিয়ে রাজনীতি করি।' তবে বিষয়টি নিয়ে যথেষ্ট সমালোচনা শুরু হয়েছে।
এ বিষয়ে আইএসএফ প্রার্থী বলেন, 'নির্বাচন সংক্রান্ত কথোপকথন হয়েছে মনসুর সাহেবের সঙ্গে। উনি আমাকে তৃণমূলে যোগ দেওয়ার কথা বলেছিলেন। আমি রাজি হইনি। আইএসএফ আমাকে প্রার্থী করেছে। কী করে আমি অন্য দলে যেতে পারি, সেই যুক্তি দেখিয়েছি আমি। তবে মনসুরকে ডাউনে ফেলার জন্য তাঁরই সঙ্গীরা এটা ভাইরাল করতে পারেন।' অন্যদিকে, এই কথোপকথনের প্রসঙ্গ টেনে মনসুর বলেন, 'শবে মিরাজের সঙ্গে আমার কথা হয়েছে। আমি তৃণমূলের ভোট বাড়ানোর জন্য কথা বলেছিলাম। এতে লুকোনোর কিছু নেই। শুভেন্দু অধিকারী ষড়যন্ত্র করে তা ভাইরাল করিয়েছেন। নন্দীগ্রামে তৃণমূল প্রার্থী জিতছে।' এদিকে, শুভেন্দুকে জড়িয়ে মনসুরের অভিযোগ নিয়ে বিজেপির তমলুক সাংগঠনিক জেলার সাধারণ সম্পাদক মেঘনাদ পাল বলেন, 'অডিও ভাইরালের ঘটনায় বিজেপির কোনও যোগ নেই। শুভেন্দু অধিকারীকে জড়িয়ে মিথ্যা অভিযোগ করছে তৃণমূল।'
তবে নন্দীগ্রামে ভোটের আগে এমন রাজনৈতিক হট্টগোল নতুন নয়। ২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনের আগেও এমন একটি ভাইরাল অডিও প্রকাশ্যে এসেছিল। সেবার বিধানসভা নির্বাচনের কয়েকদিন আগে নন্দীগ্রামের বিজেপি নেতা প্রলয় পালকে তৎকালীন নন্দীগ্রামের তৃণমূল প্রার্থী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ভোটে সহযোগিতা করার আহ্বান জানিয়ে ফোন করেছিলেন। সেই কথোপকথনের অডিও ভাইরাল হয়েছিল। ছাব্বিশেও প্রায় একই রকম ঘটনা। এবার আইএসএফের হয়ে ভোট ময়দানে নামা প্রার্থীকেই দল এবং লড়াই ছেড়ে তৃণমূলে যোগ দেওয়ার প্রস্তাব সংক্রান্ত একটি ফোনের ভাইরাল অডিও ঘিরে শোরগোল পড়ে গেল। তবে এ বিষয়ে কোনও তরফেই কোথাও অভিযোগ করা হয়নি।
E-Paper

