Abhishek vote chori allegation: EVM নয়, ভোটচুরি হচ্ছে ভোটার তালিকায়, বাকিরা ধরতে পারেনি বলেই BJP জিতেছে, হুংকার অভিষেকের
ইভিএম নয়, আসল ভোটচুরি হচ্ছে ভোটার তালিকায়। আর সেই বিষয়টা বাকিরা ধরতে পারেনি বলেই বিজেপি জিতে যাচ্ছে। কিন্তু পশ্চিমবঙ্গে সেটা হবে না। হুংকার দিলেন তৃণমূল কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়।
ইভিএম নয়, আসল ভোটচুরি হচ্ছে ভোটার তালিকায়। আর সেই বিষয়টা বাকিরা ধরতে পারেনি বলেই অন্যান্য রাজ্যের বিধানসভা নির্বাচনে বিজেপি জিতে যাচ্ছে। কিন্তু পশ্চিমবঙ্গে সেটা হবে না। ভোটচুরির বিষয়টা হাতেনাতে ধরে ফেলেছে তৃণমূল কংগ্রেস। এমনই দাবি করলেন তৃণমূল কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। বুধবার দিল্লিতে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারদের সঙ্গে সাক্ষাতের পরে সাংবাদিক বৈঠকে ডায়মন্ড হারবারের তৃণমূল সাংসদ বলেন, ‘এসব ভুল কংগ্রেস করেছে। দিল্লিতে আপ (আম আদমি পার্টি) ধরতে পারেনি। বিহারে আরজেডি-কংগ্রেস ধরতে পারেনি। সেজন্য বিজেপির স্ট্রাইক রেট ছিল ৮০ শতাংশ। ভোটচুরি ইভিএমে হচ্ছে না। ভোটার তালিকায় চুরি হচ্ছে। এখানে হচ্ছে। এই বিষয়টা কোনও রাজনৈতিক দলই ধরতে পারছে না। যদি ধরতে পারত, তাহলে বিজেপি জিতত না।’

টিভিতে জ্ঞান দিয়ে কিছু হবে না, খোঁচা অভিষেকের
সেইসঙ্গে বিরোধীদের পরামর্শ দিয়ে অভিষেক বলেন যে তৃণমূলের মতো অন্যান্য দলগুলিকে লড়তে হবে। শুধু অভিযোগ করলেই হবে না। মাঠে নেমে লড়াই করতে হবে। তৃণমূলের নেতা-কর্মীরা মাঠে নেমে লড়াই করেছেন। শুধু টিভিতে জ্ঞান দিয়ে বা সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করে কোনও লাভ হবে না। তৃণমূল লড়াই করেছে বলেই ভোটচুরির বিষয়টা ধরতে পেরেছে বলে দাবি করেন অভিষেক।
সফটওয়্যারের মাধ্যমে কারচুপি, দাবি অভিষেকের
তিনি দাবি করেন, পশ্চিমবঙ্গে খসড়া ভোটার তালিকা প্রায় ৫৮ লাখ নাম বাদ দেওয়া হয়েছে। কিন্তু ঘণ্টাখানেকে কোন জাদুবলে ডিসক্রিপ্যান্সি তালিকায় ১.৩ লাখ ভোটারের নাম খুঁজে পেল কমিশন? মুখ্য নির্বাচন কমিশনারদের হাতে তো কোনও জাদুকাঠি নেই? আর সেই পুরো কারচুপি সফটওয়্যারের মাধ্যমে করা হয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক।
হোয়্যাটসঅ্যাপে চলছে কমিশন, তোপ অভিষেকের
তারইমধ্যে অভিষেক জানিয়েছেন যে মুখ্য নির্বাচন কমিশনারের সঙ্গে আড়াই ঘণ্টার বৈঠকে ১০টি বিষয় নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে। কিন্তু দুই থেকে তিনটি বিষয় ছাড়া কোনও ব্যাপারে স্পষ্ট উত্তর দিতে পারেনি। পাশাপাশি এসআইআরের শুনানিতে কেন বিএল২ থাকবে না, তা নিয়ে প্রশ্ন তোলা হয়। আর যদি বিএলএ২-কে থাকতে না দেওয়া হয়, তাহলে সার্কুলার জারি করতে বলেছে তৃণমূলের প্রতিনিধি দল।
কিন্তু কেন কমিশন সার্কুলার জারি করছে না, তার ব্যাখ্যা নিজেই দিয়েছেন অভিষেক। তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক দাবি করেছেন, কমিশন সার্কুলার জারি করতে পারবে না কারণ তাহলে সেটির বিরুদ্ধে আদালতে মামলা করা হবে। তাই ইচ্ছাকৃতভাবে হোয়্যাটসঅ্যাপের মাধ্যমে সার্কুলার ছড়িয়ে দেওয়া হচ্ছে। হোয়্যাটসঅ্যাপের মাধ্যমে সরকার চালানোর চেষ্টা করছে কেন্দ্রীয় সরকার এবং নির্বাচন কমিশন।












