Kolkata Crisis Chances Latest Update: বেশি ‘বন্যা’, ভয়ংকর বৃষ্টি, জলের আকাল- ২১০০ সালের মধ্যে কলকাতার হাল ভয়াবহ হতে পারে
Kolkata Crisis Chances Latest Update: গ্লোবাল ওয়ার্মিংয়ের জেরে কলকাতার পরিস্থিতি ভয়াবহ হতে পারে ২১০০ সালের মধ্যে। আইআইটি খড়্গপুরের গবেষণা অনুযায়ী, শহরাঞ্চলে জল জমতে পারে দীর্ঘদিন। আবার কৃষিকাজ মারাত্মক সমস্যার মুখে পড়তে পারে।
Kolkata Crisis Chances Latest Update: ভয়ংকর বৃষ্টি, দীর্ঘদিন ধরে জলের তলায় থাকা এবং মিষ্টি জলের আকাল- বায়ুমণ্ডলীয় আর্দ্রতা ২৫ শতাংশের মতো বৃদ্ধি পাওয়ার জেরে ২,১০০ সালের মধ্যেই কলকাতার পরিস্থিতি ভয়াবহ হবে বলে আইআইটি খড়্গপুরের গবেষণায় আশঙ্কাপ্রকাশ করা হল। সার্বিকভাবে পুরো পশ্চিমবঙ্গের জন্যই পরিস্থিতি সুখকর থাকবে না। বরং ওই গবেষণায় আশঙ্কাপ্রকাশ করা হয়েছে যে নদিয়া, দুই ২৪ পরগনার নীচু অংশ জলের তলায় যেতে পারে। আবার বাঁকুড়া, পুরুলিয়া, ঝাড়গ্রামের মতো রাঢ়বঙ্গের জেলাগুলিতে জলের সংকট দেখা দিতে পারে বলে আশঙ্কাপ্রকাশ করা হয়েছে।

IIT খড়্গপুরের তরফে সেই গবেষণা চালানো হয়
সংবাদমাধ্যম দ্য টাইমস অফ ইন্ডিয়ার প্রতিবেদন অনুযায়ী, আইআইটি খড়্গপুরের কোরাল (সেন্টার অফ ওশেন, রিভার, অ্যাটমোস্ফিয়ার অ্যান্ড ল্যান্ড সায়েন্সেস) বিভাগের অধ্যাপক জয়নারায়ণন কুট্টিপুরাথের নেতৃত্বে সেই গবেষণা চালানো হয়েছে। যা প্রকাশিত হয়েছে 'জার্নাল অফ হাইড্রোলজি'-তে। তবে পুরো বিশ্বের নিরিখেই সেই গবেষণা চালানো হয়েছে। বিস্তারিতভাবে যে তথ্য উঠে এসেছে, তার নিরিখে পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে কলকাতা ও পশ্চিমবঙ্গ নিয়ে।
চাষের জমি ডুবে থাকতে পারে দীর্ঘদিন ধরে
ওই প্রতিবেদন অনুযায়ী, আইআইটি খড়্গপুরের গবেষণায় শঙ্কাপ্রকাশ করা হয়েছে যে বিশ্ব উষ্ণায়নের জেরে বায়ুমণ্ডলীয় আর্দ্রতা বৃদ্ধি পাওয়ায় সমাজের বিভিন্ন স্তরের মানুষের উপরে প্রভাব পড়বে। শহরাঞ্চলে যেমন দীর্ঘদিন জল জমে থাকতে পারে, সেরকমভাবে অনেকদিন ধরে ডুবে থাকতে পারে চাষের জমি। কোথাও আবার জলের আকালের জন্য চাষবাস সমস্যাদায়ক হয়ে উঠতে পারে।
আরও পড়ুন: এসএফআই-সিপিএমের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দিলেন বুদ্ধদেবপুত্র সুচেতন, শিল্পায়নে ভরসা বিজেপি সরকারের উপর!
কোন জেলায় কীরকম সংকট হতে পারে?
সেই গবেষণায় উঠে এসেছে যে ভারী বৃষ্টির জেরে নদিয়া, দক্ষিণ ২৪ পরগনা এবং উত্তর ২৪ পরগনার নীচু এলাকার একাংশে বন্যার আশঙ্কা বৃদ্ধি পাবে। জলের তলায় চলে যেতে পারে ফসলের জমি। আবার বাঁকুড়া, পুরুলিয়া, ঝাড়গ্রাম এবং পশ্চিম বীরভূমের মতো জায়গায় দীর্ঘদিন শুষ্ক আবহাওয়ার জেরে সেচের জন্য প্রয়োজনীয় মিষ্টি জল পাওয়াও কষ্টকর হয়ে উঠতে পারে। আবার সুন্দরবনে লবণাক্ত জলের পরিমাণ বৃদ্ধি পাওয়ায় চাষবাস সমস্যাদায়ক হয়ে উঠবে বলে আশঙ্কাপ্রকাশ করা হয়েছে।
আরও পড়ুন: বিকল ইন্ডিগোর বিমানের ইঞ্জিন! ৩ সাংসদ-সহ ৬৭ যাত্রী ছিলেন সেই কলকাতা-শিলং উড়ানে
ওই প্রতিবেদন অনুযায়ী, আইআইটি খড়্গপুরের অধ্যাপক কুট্টিপুরাথ জানিয়েছেন যে পশ্চিমবঙ্গে কৃষিকাজের ভবিষ্যৎ নির্ভর করবে কখন বৃষ্টি হচ্ছে, কত জোরে বৃষ্টি হচ্ছে এবং কতটা জল শুষ্ক সময়ের জন্য সঞ্চয় করে রাখা যাবে, তার উপরে।
ABOUT THE AUTHORAyan Dasঅয়ন দাস হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রোডিউসার। প্রায় এক দশক ধরে সাংবাদিকতার সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত আছেন। সাংবাদিক হিসেবে তিনি মূলত পশ্চিমবঙ্গ-সহ ভারতের রাজনীতি, সমসাময়িক ঘটনাপ্রবাহ এবং পরিকাঠামো উন্নয়ন সংক্রান্ত বিভিন্ন খবর পাঠকদের সামনে তুলে ধরেন। ট্রেন, মেট্রো, আবহাওয়া, খেলাধুলোর প্রতি বিশেষ আগ্রহ রয়েছে। নিয়মিত সেইসব বিষয়েও প্রতিবেদন লিখে থাকেন। পেশাদার অভিজ্ঞতা: কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময় দ্য টাইমস অফ ইন্ডিয়া, ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন অফ বেঙ্গল (সিএবি), স্পোর্টসকিডার মতো সংস্থায় ইন্টার্নশিপ করার পরে ২০১৮ সাল থেকে অয়নের পেশাদার জীবনের সূচনা হয়। পেশাদার সাংবাদিক জীবনের শুরুটা হয় ইটিভি ভারতে। সেখানে এক বছর দু'মাস কাজ করার পরে ২০১৯ সালের ১১ নভেম্বর যোগ দেন হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায়। চারদিন পরে আনুষ্ঠানিকভাবে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা চালু হয়। অর্থাৎ একেবারে প্রথম থেকেই হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় আছেন। বর্তমানে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে পশ্চিমবঙ্গের রাজ্য-রাজনীতি, ভারতের রাজনীতি, ট্রেন-মেট্রো-শিল্প সংক্রান্ত পরিকাঠামো-নির্ভর খবর, চাকরির খবর, ক্রিকেট-ফুটবলের মতো খেলাধুলোর খবরের প্রতিবেদন লিখে থাকেন। বিশেষ করে ব্রেকিং নিউজ, রাজনৈতিক বিশ্লেষণ এবং সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনের উপরে প্রভাব ফেলে, এমন খবর লেখার ক্ষেত্রে তিনি বিশেষভাবে পারদর্শী। শিক্ষাগত যোগ্যতা: নঙ্গী হাইস্কুল এবং নিউ আলিপুর মাল্টিপারপাস স্কুল থেকে প্রাথমিক পড়াশোনার পরে আশুতোষ কলেজ থেকে সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে অয়ন স্নাতক হয়েছেন। তারপর একই বিষয়ে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছেন। ব্যক্তিগত পছন্দ এবং নেশা: অয়ন মনেপ্রাণে পাহাড়প্রেমিক। সুযোগ পেলেই পাহাড়ে ঘুরতে চলে যান। বরফ ও তুষারপাতের প্রতি বিশেষ জায়গা রয়েছে হৃদয়ে। তাছাড়াও ভারতীয় সেনা, ভারতীয় বায়ুসেনা ও ভারতীয় নৌসেনার প্রতি বিশেষ টান রয়েছে। ভারতীয় জওয়ানদের বীরত্ব, তাঁদের লড়াই নিয়ে বই পড়তে বা তথ্যচিত্র দেখতে ভালোবাসেন। ছোটোবেলায় নিজেরও ভারতীয় সেনায় যোগ দেওয়ার ইচ্ছা ছিল।Read More
E-Paper


