WB 5th Pay Commission DA Arrear Case: '৬০০০ কোটি টাকা বকেয়া ডিএ দেওয়া হয়েছে', সুপ্রিম কোর্টে জানাল রাজ্য সরকার
WB 5th Pay Commission: রাজ্যের আইনজীবী বলেন, 'যে কর্মচারীদের রেকর্ড রয়েছে, তাঁদের ইতিমধ্যেই টাকা দেওয়া হয়েছে।' তবে ডিএ মামলায় আদালত অবমাননার আবেদন জমা দিয়েছেন বলে জানান আইনজীবী বিকাশরঞ্জন ভট্টাচার্য। তাঁর বক্তব্য, কর্মচারীদের মধ্যে বিভাজন করা হচ্ছে।
WB 5th Pay Commission DA Arrear Case: বকেয়া ডিএ মেটানো নিয়ে সুপ্রিম কোর্টে আজ হলফনামা পেশ করল রাজ্য সরকার। সর্বোচ্চ আদালতে রাজ্য সরকারের আইনজীবী কপিল সিব্বল জানান, রাজ্য সরকারি কর্মীদের বকেয়া ডিএ বাবদ ৬০০০ কোটি টাকা দেওয়া হয়েছে। এই আবহে প্রিম কোর্টের বিচারপতি সঞ্জয় করোল এবং পি কে মিশ্রার বেঞ্চ জানাল, রাজ্য সরকারের হলফনামায় আপত্তি থাকলে মামলায় যুক্ত অন্য পক্ষ তাদের বক্তব্য হলফনামা আকারে জানাতে পারেন।

উল্লেখ্য, সব সরকারি কর্মচারী এখনও বকেয়া ডিএ-র কিস্তি পাননি। এই নিয়ে রাজ্যের আইনজীবী বলেন, 'যে কর্মচারীদের রেকর্ড রয়েছে, তাঁদের ইতিমধ্যেই টাকা দেওয়া হয়েছে।' তাহলে বাকি সরকারি কর্মীদের ডিএ-র কী হবে? এই নিয়ে কপিল সিব্বল বলেন, 'পরবর্তী গাইডলাইন অনুযায়ী বাকিদের ডিএ দেওয়া হবে।' তবে ডিএ মামলায় আদালত অবমাননার আবেদন জমা দিয়েছেন বলে জানান আইনজীবী বিকাশরঞ্জন ভট্টাচার্য। তাঁর বক্তব্য, কর্মচারীদের মধ্যে বিভাজন করা হচ্ছে। রাজ্য সরকার বলে, প্রাক্তন বিচারপতি ইন্দু মালহোত্রার নেতৃত্বাধীন কমিটির প্রস্তাব অনুযায়ী ডিএ দিয়েছে রাজ্য। তবে সরকারি কর্মীদের বক্তব্য, কমিটির কাছে নিজেদের বক্তব্যই পেশ করতে পারেনি তাঁরা।
প্রসঙ্গত, দীর্ঘ কয়েক বছর ধরে সুপ্রিম কোর্টে ঝুলে ছিল পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য সরকার কর্মীদের বকেয়া ডিএ মামলা। উল্লেখ্য, সুপ্রিম কোর্টে রাজ্য সরকারি কর্মচারীদের ডিএ সংক্রান্ত যে মামলাটি চলছে, সেটা পঞ্চম বেতন কমিশন সংক্রান্ত। ২০১৬ সাল থেকে সেই মামলা চলছে। এই মামলাটি স্টেট অ্যাডমিনিস্ট্রেটিভ ট্রাইবুনাল, কলকাতা হাইকোর্ট হয়ে সুপ্রিম কোর্টে এসেছে। প্রথমে স্যাটে জয় পেয়েছিল রাজ্য সরকার। তারপর থেকে প্রতিটি ক্ষেত্রে জয় পেয়েছেন রাজ্য সরকারি কর্মচারীরা। এর আগে ডিএ মামলায় সুপ্রিম কোর্টের ভর্ৎসনার মুখে পড়তে হয়েছিল রাজ্য সরকারকে। কারণ, ২০২৫ সালেই বকেয়া ডিএ-র অন্তত ২৫ শতাংশ মেটানোর নির্দেশ দিয়েছিল সুপ্রিম কোর্ট। সেই নির্দেশ সরকার মানেনি। পরে ফের সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিল মমতার সরকর। তবে সেখানেও সরকারের হার হয় শেষ পর্যন্ত। এই আবহে বকেয়া ডিএ মেটাতে শুরু করে রাজ্য সরকার।
ABOUT THE AUTHORAbhijit Chowdhury২০২১ সাল থেকে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন অভিজিৎ চৌধুরী। ২০১৮ সালে সালে তাঁর পেশাদার জীবনের শুরু। জাতীয়, আন্তর্জাতিক বিষয়, বাংলার রাজনীতি এবং খেলাধুলোর বিষয়ে লেখার ক্ষেত্রে ৮ বছরের অভিজ্ঞতা রয়েছে তাঁর। আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে আমেরিকা, পাকিস্তান এবং বাংলাদেশের বিষয়ে তাঁর আগ্রহ সবচেয়ে বেশি। কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সাংবাদিকতায় স্নাতকোত্তর ডিগ্রি পাশ করেই সাংবাদিকতার জগতে প্রবেশ করেছেন অভিজিৎ। হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় যোগদানের আগে ওয়ানইন্ডিয়া এবং ইটিভি ভারতে কাজ করার অভিজ্ঞতা রয়েছে অভিজিতের। এছাড়া আকাশবাণীতে রেডিও জকি হিসেবেও কাজ করেছিলেন তিনি। খবরের জগৎ ছাড়া খেলাধুলো, ইতিহাসে অভিজিতের আগ্রহ রয়েছে। শিক্ষাগত যোগ্যতা: সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন নিয়ে অভিজিৎ তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন আশুতোষ কলেজ থেকে। এরপর কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে একই বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: ক্রিকেট, ফুটবল, টেনিস ছাড়া প্রায় সব ধরনের খেলা দেখতে তিনি ভীষণ ভালোবাসেন। কাজের বাইরে তাঁর অবসর কাটে বই পড়ে এবং বিভিন্ন বিষয়ে ডকুমেন্টারি দেখে।Read More
E-Paper


