WB 5th Pay Commission DA Arrear Case: বকেয়া DA মামলার রায় কবে ও কখন? জানাল আদালত, একইদিনে ৩ সুখবর সরকারি কর্মীদের?
পঞ্চম বেতন কমিশনের আওতায় বকেয়া মহার্ঘ ভাতার (ডিয়ারনেস অ্যালোওয়েন্স বা ডিএ) মামলার রায়দান করা হবে। ২০১৬ সাল থেকে বকেয়া মহার্ঘ ভাতা নিয়ে আইনি লড়াই চলছে। তাছাড়াও একইদিনে আরও দুটি সুখবর পেতে পারেন রাজ্য সরকারি কর্মচারীরা।
বৃহস্পতিবার বকেয়া মহার্ঘ ভাতার (ডিয়ারনেস অ্যালোওয়েন্স বা ডিএ) মামলার রায়দান করা হবে। সুপ্রিম কোর্টের তরফে যে কজলিস্ট প্রকাশ করা হয়েছে, তাতে জানানো হয়েছে, আগামিকাল সকাল ১০ টা ৩০ মিনিটে পঞ্চম বেতন কমিশনের আওতায় বকেয়া ডিএ মামলার রায়দান করবে শীর্ষ আদালতের বিচারপতি সঞ্জয় কারোল এবং বিচারপতি প্রশান্তকুমার মিশ্রের ডিভিশন বেঞ্চ। ডিএ মামলার রায়দানের জন্য সেই বিশেষ বেঞ্চ গঠন করা হয়েছে। ডিএয়ের রায়দানের পরে ১১ নম্বর আদালতকক্ষের নিয়মিত বেঞ্চ অন্যান্য মামলা শুনবে বলে সুপ্রিম কোর্টের তরফে জানানো হয়েছে।

একইদিনে ৩ সুখবর পাবেন রাজ্য সরকারি কর্মচারীরা?
আর সেই পরিস্থিতিতে রাজ্য সরকারি কর্মচারীরা আশায় বুক বাঁধছেন যে একইদিনে তিন সুখবর মিলবে। প্রথমত, পঞ্চম বেতন কমিশনের আওতায় বকেয়া ডিএ মামলায় জয় আসবে। দ্বিতীয়ত, রাজ্য বাজেটে (ভোট অন অ্যাকাউন্ট) ষষ্ঠ বেতন কমিশনের আওতায় ডিএ ঘোষণা করা হবে। তৃতীয়ত, সপ্তম বেতন কমিশনের ঘোষণা করা হবে রাজ্য বাজেটে। যদিও শেষ দুটি বিষয় নিয়ে রাজ্য সরকারের তরফে সরকারিভাবে কিছু জানানো হয়নি।
‘আমরা চাই কর্মচারীরা তাঁদের অধিকার ফিরে পাক’, আশায় সরকারি কর্মীরা
বিষয়টি নিয়ে রাজ্য সরকারি কর্মচারীদের সংগঠন শিক্ষানুরাগী ঐক্য মঞ্চের সাধারণ সম্পাদক কিংকর অধিকারী বলেন, ‘আগামিকাল (৫ ফেব্রুয়ারি) সকাল সাড়ে ১০ টায় বহু প্রতীক্ষিত ডিএ মামলার রায় ঘোষণা করবে সুপ্রিম কোর্ট। আমরা চাই কর্মচারীরা তাঁদের অধিকার ফিরে পাক। রাজ্য সরকার বাজেটে সমস্ত বকেয়া মহার্ঘ ভাতা মিটিয়ে দেওয়ার ঘোষণা করুক এবং নতুন পে কমিশন (বেতন কমিশন) গঠন করুক।’
এমনিতে বকেয়া ডিএ মামলার রায়ের জন্য প্রায় চার-পাঁচ মাস ধরে অপেক্ষা করছেন রাজ্য সরকারি কর্মচারীরা। গত সেপ্টেম্বরে ডিএ মামলার শুনানি শেষ হয়ে গিয়েছিল। তবে পঞ্চম বেতন কমিশনের আওতায় বকেয়া ডিএ নিয়ে আইনি লড়াই চলছে সেই ২০১৬ সাল থেকে। স্টেট অ্যাডমিনিস্ট্রেটিভ ট্রাইবুনালে (স্যাট) দায়ের হয়েছিল মামলা। সেখানে হেরে গিয়েছিলেন রাজ্য সরকারি কর্মচারীরা। তারপর তাঁরা কলকাতা হাইকোর্টে মামলা করেছিলেন। সেখান থেকে তাঁদের জয়যাত্রা শুরু হয়েছিল।
সেই ২০১৬ সাল থেকে ডিএ মামলার আইনি লড়াই চলছে
সেই রেশ ধরে ২০২২ সালে হাইকোর্টের ডিভিশন বেঞ্চ নির্দেশ দিয়েছিল যে তিন মাসের মধ্যে রাজ্য সরকারি কর্মীদের বকেয়া ডিএ মিটিয়ে দিতে হবে। যদিও সেই রায়ের বিরুদ্ধে হাইকোর্টে ফের মামলা করেছিল রাজ্য সরকার। কিন্তু তাতেও লাভ হয়নি। সেই পরিস্থিতিতে ২০২২ সালেই সুপ্রিম কোর্টে স্পেশাল লিভ পিটিশন (এসএলপি) দাখিল করেছিল। অবশেষে সেই মামলার রায়দান করা হবে।
ABOUT THE AUTHORAyan Dasঅয়ন দাস হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রোডিউসার। প্রায় এক দশক ধরে সাংবাদিকতার সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত আছেন। সাংবাদিক হিসেবে তিনি মূলত পশ্চিমবঙ্গ-সহ ভারতের রাজনীতি, সমসাময়িক ঘটনাপ্রবাহ এবং পরিকাঠামো উন্নয়ন সংক্রান্ত বিভিন্ন খবর পাঠকদের সামনে তুলে ধরেন। ট্রেন, মেট্রো, আবহাওয়া, খেলাধুলোর প্রতি বিশেষ আগ্রহ রয়েছে। নিয়মিত সেইসব বিষয়েও প্রতিবেদন লিখে থাকেন। পেশাদার অভিজ্ঞতা: কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময় দ্য টাইমস অফ ইন্ডিয়া, ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন অফ বেঙ্গল (সিএবি), স্পোর্টসকিডার মতো সংস্থায় ইন্টার্নশিপ করার পরে ২০১৮ সাল থেকে অয়নের পেশাদার জীবনের সূচনা হয়। পেশাদার সাংবাদিক জীবনের শুরুটা হয় ইটিভি ভারতে। সেখানে এক বছর দু'মাস কাজ করার পরে ২০১৯ সালের ১১ নভেম্বর যোগ দেন হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায়। চারদিন পরে আনুষ্ঠানিকভাবে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা চালু হয়। অর্থাৎ একেবারে প্রথম থেকেই হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় আছেন। বর্তমানে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে পশ্চিমবঙ্গের রাজ্য-রাজনীতি, ভারতের রাজনীতি, ট্রেন-মেট্রো-শিল্প সংক্রান্ত পরিকাঠামো-নির্ভর খবর, চাকরির খবর, ক্রিকেট-ফুটবলের মতো খেলাধুলোর খবরের প্রতিবেদন লিখে থাকেন। বিশেষ করে ব্রেকিং নিউজ, রাজনৈতিক বিশ্লেষণ এবং সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনের উপরে প্রভাব ফেলে, এমন খবর লেখার ক্ষেত্রে তিনি বিশেষভাবে পারদর্শী। শিক্ষাগত যোগ্যতা: নঙ্গী হাইস্কুল এবং নিউ আলিপুর মাল্টিপারপাস স্কুল থেকে প্রাথমিক পড়াশোনার পরে আশুতোষ কলেজ থেকে সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে অয়ন স্নাতক হয়েছেন। তারপর একই বিষয়ে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছেন। ব্যক্তিগত পছন্দ এবং নেশা: অয়ন মনেপ্রাণে পাহাড়প্রেমিক। সুযোগ পেলেই পাহাড়ে ঘুরতে চলে যান। বরফ ও তুষারপাতের প্রতি বিশেষ জায়গা রয়েছে হৃদয়ে। তাছাড়াও ভারতীয় সেনা, ভারতীয় বায়ুসেনা ও ভারতীয় নৌসেনার প্রতি বিশেষ টান রয়েছে। ভারতীয় জওয়ানদের বীরত্ব, তাঁদের লড়াই নিয়ে বই পড়তে বা তথ্যচিত্র দেখতে ভালোবাসেন। ছোটোবেলায় নিজেরও ভারতীয় সেনায় যোগ দেওয়ার ইচ্ছা ছিল।Read More
E-Paper


