WB 5th Pay Commission DA Case: সরকারি কর্মীদের মুখে হাসি ফুটিয়ে ডিএ মামলায় বড় রায় সুপ্রিম কোর্টের! এবার কী করবেন মমতা?
২০২৫ সালেই বকেয়া ডিএ-র অন্তত ২৫ শতাংশ মেটানোর নির্দেশ দিয়েছিল সুপ্রিম কোর্ট। সেই নির্দেশ সরকার মানেনি। এই আবহে এই মামলার শুনানি চলাকালীন সরকারকে কার্যত 'মহাজন' আখ্যা দিয়েছিল শীর্ষ আদালত।
ডিএ মামলায় বড় ধাক্কা খেল রাজ্য সরকার। বিচারপতি সঞ্জয় কারোল এবং বিচারপতি প্রশান্ত কুমার মিশ্রের বেঞ্চ নির্দেশ দিয়েছে, রাজ্য সরকারি কর্মীদের বকেয়া ডিএ মেটাতে হবে। আগামী ৩১ মার্চের মধ্যে বকেয়া ডিএ-র ২৫ শতাংশ মিটিয়ে দিতে হবে রাজ্যকে। পরে বাকি বকেয়াও মেটাতে হবে। বকেয়া ডিএ দেওয়ার বিষয়ে নতুন কমিটি গঠনের সিদ্ধান্ত নিল সুপ্রিম কোর্ট। এই কমিটি গঠিত হবে অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতিদের নিয়ে। এদিকে রায়দানের সময় শীর্ষ আদালত নিজের পর্যবেক্ষণে বলে, রোপা রুল নিয়ে অনুযায়ী ডিএ রাজ্য সরকারি কর্মচারীদের অধিকার।

এর আগে ডিএ মামলায় সুপ্রিম কোর্টের ভর্ৎসনার মুখে পড়তে হয়েছিল রাজ্য সরকারকে। কারণ, ২০২৫ সালেই বকেয়া ডিএ-র অন্তত ২৫ শতাংশ মেটানোর নির্দেশ দিয়েছিল সুপ্রিম কোর্ট। সেই নির্দেশ সরকার মানেনি। এই আবহে এই মামলার শুনানি চলাকালীন সরকারকে কার্যত 'মহাজন' আখ্যা দিয়েছিল শীর্ষ আদালত। বিচারপতি সঞ্জয় করোল বলেছিলেন, 'আপনারা যে কোনও পরিমাণ ডিএ দিতে পারেন। কিন্তু প্লিজ দিন। আপনার ক্লায়েন্টকে (রাজ্য সরকার) বলুন।' রাজ্যের বক্তব্য ছিল, 'রাজ্য কোথা থেকে টাকা দেবে? রাজ্যকে ধার করতে হবে। রাজ্যকে তার জন্য রিজার্ভ ব্যাঙ্কের কাছে যেতে হবে। রিজার্ভ ব্যাঙ্ক আমাদের ঋণ পাওয়ার ক্ষমতা দেখে আমাদের ঋণ দেবে। তারপর আমাদের বিধানসভায় অ্যাপ্রোপ্রিয়েশন বিল আনতে হবে। তারপর টাকা দেওয়া হবে। এই পুরো প্রক্রিয়া যথেষ্ট সময় সাপেক্ষ।' এই আবহে বিচারপতি পর্যবেক্ষণ করেছিলেন, 'আগেকার দিনের মহাজনদের মতো রাজ্য সরকার আচরণ করছে। টাকা জমিয়ে রেখে অন্য জায়গায় টাকা খাটানো হচ্ছে।'
প্রসঙ্গত, দীর্ঘ কয়েক বছর ধরে সুপ্রিম কোর্টে ঝুলে ছিল পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য সরকার কর্মীদের বকেয়া ডিএ মামলা। উল্লেখ্য, সুপ্রিম কোর্টে রাজ্য সরকারি কর্মচারীদের ডিএ সংক্রান্ত যে মামলাটি চলছে, সেটা পঞ্চম বেতন কমিশন সংক্রান্ত। ২০১৬ সাল থেকে সেই মামলা চলছে। এই মামলাটি স্টেট অ্যাডমিনিস্ট্রেটিভ ট্রাইবুনাল, কলকাতা হাইকোর্ট হয়ে সুপ্রিম কোর্টে এসেছে। প্রথমে স্যাটে জয় পেয়েছিল রাজ্য সরকার। তারপর থেকে প্রতিটি ক্ষেত্রে জয় পেয়েছেন রাজ্য সরকারি কর্মচারীরা।
ABOUT THE AUTHORAbhijit Chowdhury২০২১ সাল থেকে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন অভিজিৎ চৌধুরী। ২০১৮ সালে সালে তাঁর পেশাদার জীবনের শুরু। জাতীয়, আন্তর্জাতিক বিষয়, বাংলার রাজনীতি এবং খেলাধুলোর বিষয়ে লেখার ক্ষেত্রে ৮ বছরের অভিজ্ঞতা রয়েছে তাঁর। আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে আমেরিকা, পাকিস্তান এবং বাংলাদেশের বিষয়ে তাঁর আগ্রহ সবচেয়ে বেশি। কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সাংবাদিকতায় স্নাতকোত্তর ডিগ্রি পাশ করেই সাংবাদিকতার জগতে প্রবেশ করেছেন অভিজিৎ। হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় যোগদানের আগে ওয়ানইন্ডিয়া এবং ইটিভি ভারতে কাজ করার অভিজ্ঞতা রয়েছে অভিজিতের। এছাড়া আকাশবাণীতে রেডিও জকি হিসেবেও কাজ করেছিলেন তিনি। খবরের জগৎ ছাড়া খেলাধুলো, ইতিহাসে অভিজিতের আগ্রহ রয়েছে। শিক্ষাগত যোগ্যতা: সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন নিয়ে অভিজিৎ তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন আশুতোষ কলেজ থেকে। এরপর কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে একই বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: ক্রিকেট, ফুটবল, টেনিস ছাড়া প্রায় সব ধরনের খেলা দেখতে তিনি ভীষণ ভালোবাসেন। কাজের বাইরে তাঁর অবসর কাটে বই পড়ে এবং বিভিন্ন বিষয়ে ডকুমেন্টারি দেখে।Read More
E-Paper


