WB 5th Pay Commission DA Arrear Case: বকেয়া DA মামলায় রাজ্যের ‘সব রাস্তা বন্ধ’, সামনে বড় আপডেট, এবার কী হবে?
পঞ্চম বেতন কমিশনের আওতায় বকেয়া মহার্ঘ ভাতা (ডিয়ারনেস অ্যালোওয়েন্স বা ডিএ) মামলার রায়ের অপেক্ষায় আছেন পশ্চিমবঙ্গের রাজ্য সরকারি কর্মচারীরা। ২০২৫ সালের সেপ্টেম্বরে ডিএ মামলার শুনানি শেষ হয়ে যায় সুপ্রিম কোর্টে। তবে এখনও রায়দান হয়নি।
সুপ্রিম কোর্টে বকেয়া মহার্ঘ ভাতা (ডিয়ারনেস অ্যালোওয়েন্স বা ডিএ) মামলায় সরকারের সব রাস্তা বন্ধ হয়ে গিয়েছে। এমনই দাবি করলেন রাজ্য সরকারি কর্মচারীদের সংগঠন কনফেডারেশন অফ স্টেট গভর্নমেন্ট এমপ্লয়িজের সাধারণ সম্পাদক মলয় মুখোপাধ্যায়। উত্তর দিনাজপুরের জেলা সম্মেলনের মঞ্চ থেকে কনফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক দাবি করেছেন, তাঁদের আইনজীবী বলেছেন যে ‘(পঞ্চম বেতন কমিশনের আওতায় বকেয়া ডিএ মামলায়) সরকারের রাস্তা বন্ধ। শুনানি শেষ হয়ে গিয়েছে। এবার রায়টা বেরোবে। (সুপ্রিম কোর্টের) রায়টা বেরনোর পরে পরবর্তী পদক্ষেপ করা হবে।’

‘বেশিদিন সময় লাগবে না…’, ডিএ মামলা নিয়ে হুঁশিয়ারি
এমনিতে রাজ্য সরকারি কর্মচারীদের একাংশ আশা করেছিলেন যে ২০২৫ সালের মধ্যেই ডিএ মামলার রায়দান হয়ে যাবে। যদিও এখনও রায়দান করা হয়নি। সেই আবহে কনফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক জানিয়েছেন, তাঁদের বিকাশরঞ্জন ভট্টাচার্য বলেছেন যে ‘ডিএ মামলার রায় তোমাদের পক্ষে যাবে বলে আমার বিশেষ ধারণা আছে। এখন এই সরকার দেবে কি দেবে না, সেটা বলতে পারব না। না দিলে আমরা আদালত অবমাননার জোরদার মামলা করব। ছাড়া হবে না। নির্দিষ্ট সময় যে দেওয়া হবে, তার মধ্যে (রাজ্য সরকার ডিএ না দিলে) আমরা আদালত অবমাননার মামলা দাখিল করব। বেশিদিন সময় লাগবে না।’
'ডিএ মামলায় রিভিউ করে সরকারের কোনও লাভ হবে না'
পুরো বিষয়টি ব্যাখ্যা করে উত্তর দিনাজপুরের জেলা সম্মেলনের মঞ্চ থেকে কনফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক দাবি করেছেন, তাঁদের আইনজীবী জানিয়েছেন যে ডিএ মামলার রায়ের পরে সরকার রিভিউ করতে পারে। কিন্তু রিভিউয়ে কোনও লাভ হবে না বলে জানিয়েছেন কনফেডারেশনের আইনজীবী।
বকেয়া ডিএ মামলা ও সেই মামলার ইতিবৃত্ত
২০১৬ সাল থেকে পঞ্চম বেতন কমিশনের আওতায় বকেয়া ডিএ মামলা চলছে। প্রাথমিকভাবে স্টেট অ্যাডমিনিস্ট্রেটিভ ট্রাইবুনালে (স্যাট) মামলা দায়ের করা হয়েছিল। স্যাট হয়ে সেই মামলা পৌঁছেছিল কলকাতা হাইকোর্টে। ফের স্যাট হয়ে হাইকোর্টে গিয়েছিল। হাইকোর্টে জিতে যান রাজ্য সরকারি কর্মচারীরা। হাইকোর্ট নির্দেশ দিয়েছিল যে তিন মাসের মধ্যে বকেয়া মহার্ঘ ভাতা মিটিয়ে দিতে হবে। তবে সেই পথে হাঁটেনি পশ্চিমবঙ্গ সরকার। ২০২২ সালের নভেম্বরে সুপ্রিম কোর্টে স্পেশাল লিভ পিটিশন দাখিল করে। তারপর ২০২৫ সালের সেপ্টেম্বরে ডিএ মামলার শুনানি শেষ হয়ে যায়। তবে এখনও রায়দান হয়নি।
ABOUT THE AUTHORAyan Dasঅয়ন দাস হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রোডিউসার। প্রায় এক দশক ধরে সাংবাদিকতার সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত আছেন। সাংবাদিক হিসেবে তিনি মূলত পশ্চিমবঙ্গ-সহ ভারতের রাজনীতি, সমসাময়িক ঘটনাপ্রবাহ এবং পরিকাঠামো উন্নয়ন সংক্রান্ত বিভিন্ন খবর পাঠকদের সামনে তুলে ধরেন। ট্রেন, মেট্রো, আবহাওয়া, খেলাধুলোর প্রতি বিশেষ আগ্রহ রয়েছে। নিয়মিত সেইসব বিষয়েও প্রতিবেদন লিখে থাকেন। পেশাদার অভিজ্ঞতা: কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময় দ্য টাইমস অফ ইন্ডিয়া, ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন অফ বেঙ্গল (সিএবি), স্পোর্টসকিডার মতো সংস্থায় ইন্টার্নশিপ করার পরে ২০১৮ সাল থেকে অয়নের পেশাদার জীবনের সূচনা হয়। পেশাদার সাংবাদিক জীবনের শুরুটা হয় ইটিভি ভারতে। সেখানে এক বছর দু'মাস কাজ করার পরে ২০১৯ সালের ১১ নভেম্বর যোগ দেন হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায়। চারদিন পরে আনুষ্ঠানিকভাবে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা চালু হয়। অর্থাৎ একেবারে প্রথম থেকেই হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় আছেন। বর্তমানে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে পশ্চিমবঙ্গের রাজ্য-রাজনীতি, ভারতের রাজনীতি, ট্রেন-মেট্রো-শিল্প সংক্রান্ত পরিকাঠামো-নির্ভর খবর, চাকরির খবর, ক্রিকেট-ফুটবলের মতো খেলাধুলোর খবরের প্রতিবেদন লিখে থাকেন। বিশেষ করে ব্রেকিং নিউজ, রাজনৈতিক বিশ্লেষণ এবং সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনের উপরে প্রভাব ফেলে, এমন খবর লেখার ক্ষেত্রে তিনি বিশেষভাবে পারদর্শী। শিক্ষাগত যোগ্যতা: নঙ্গী হাইস্কুল এবং নিউ আলিপুর মাল্টিপারপাস স্কুল থেকে প্রাথমিক পড়াশোনার পরে আশুতোষ কলেজ থেকে সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে অয়ন স্নাতক হয়েছেন। তারপর একই বিষয়ে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছেন। ব্যক্তিগত পছন্দ এবং নেশা: অয়ন মনেপ্রাণে পাহাড়প্রেমিক। সুযোগ পেলেই পাহাড়ে ঘুরতে চলে যান। বরফ ও তুষারপাতের প্রতি বিশেষ জায়গা রয়েছে হৃদয়ে। তাছাড়াও ভারতীয় সেনা, ভারতীয় বায়ুসেনা ও ভারতীয় নৌসেনার প্রতি বিশেষ টান রয়েছে। ভারতীয় জওয়ানদের বীরত্ব, তাঁদের লড়াই নিয়ে বই পড়তে বা তথ্যচিত্র দেখতে ভালোবাসেন। ছোটোবেলায় নিজেরও ভারতীয় সেনায় যোগ দেওয়ার ইচ্ছা ছিল।Read More
E-Paper


