WB 5th Pay Commission DA Arrear Case: ‘বকেয়া DA মামলায় জিতবেন রাজ্য সরকারি কর্মীরা, কেন্দ্রীয় হারে মহার্ঘ ভাতা মিলবে’
বকেয়া ডিএ (মহার্ঘ ভাতা বা ডিয়ারনেস অ্যালোওয়েন্স) মামলার রায়ের জন্য সুপ্রিম কোর্টের দিকে তাকিয়ে আছেন পশ্চিমবঙ্গের রাজ্য সরকারি কর্মচারীরা। সুপ্রিম কোর্টে যে ডিএ মামলা চলছে, তা আদতে পঞ্চম বেতন কমিশনের আওতায়। ২০১৬ সাল থেকে সেই বকেয়া ডিএ মামলা চলছে।
সুপ্রিম কোর্টে যে মহার্ঘ ভাতা (ডিয়ারনেস অ্যালোওয়েন্স বা ডিএ) মামলা চলছে, তাতে শেষ হাসি হাসবেন পশ্চিমবঙ্গের রাজ্য সরকারি কর্মচারীরা। এমনই আশাপ্রকাশ করলেন পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভার বিরোধী দলনেতা তথা বিজেপি বিধায়ক শুভেন্দু অধিকারী। সোমবার তিনি বলেন, সুপ্রিম কোর্টে মামলা চলছে বলে এখানে (বারাসত পরিবর্তন সংকল্প যাত্রার সময়) আমি বলিনি। আপনারা জিতবেন। ডিএ আপনার হক, আপনার অধিকার। কর্মচারীরা, শিক্ষক, পেনশনভোগীরা প্রত্যেকে কেন্দ্রীয় হারে ডিএ পাবেন।' সেইসঙ্গে তিনি দাবি করেছেন যে রাজ্য বিজেপি ক্ষমতায় এলে পশ্চিমবঙ্গের সরকারি কর্মচারীদের কেন্দ্রীয় হারে ডিএ প্রদান করা হবে।

বকেয়া ডিএ মামলার রায় দেবে সুপ্রিম কোর্ট
এমনিতে সুপ্রিম কোর্টে যে ডিএ মামলা চলছে, তা আদতে পঞ্চম বেতন কমিশনের আওতায়। ২০১৬ সাল থেকে সেই বকেয়া ডিএ মামলা চলছে। স্টেট অ্যাডমিনিস্ট্রেটিভ ট্রাইবুনাল (স্যাট), কলকাতা হাইকোর্ট হয়ে শীর্ষ আদালতে পৌঁছেছে সেই মামলা। সুপ্রিম কোর্টে সেই মামলার শুনানি শেষ হয়ে গিয়েছে। এবার অপেক্ষা করা হচ্ছে রায়দানের।
কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মীদের সঙ্গে ডিএয়ের ফারাক রাজ্যের কর্মীদের
তারইমধ্যে পশ্চিমবঙ্গের রাজ্য সরকারি কর্মচারীরা যে ষষ্ঠ বেতন কমিশনের আওতায় আছেন, তা নিয়ে অভিযোগ বাড়ছে তাঁদের। কারণ কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মচারীরা সপ্তম বেতন কমিশনের আওতায় বেতন এবং ডিএ পাচ্ছেন। তাঁদের প্রাপ্ত ডিএয়ের হার ৫৮ শতাংশ। সেখানে পশ্চিমবঙ্গের রাজ্য সরকারি কর্মচারীরা ১৮ শতাংশ হারে মহার্ঘ ভাতা পাচ্ছেন। শুধু তাই নয়, অষ্টম বেতন কমিশনের ঘোষণা করা হয়ে গিয়েছে কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মচারীদের জন্য।
'ভোটের আগে ডিএ দিয়ে মন পাওয়া যাবে না', হুংকার ফেডারেশনের নেতার
রাজ্য সরকারি কর্মচারীদের সংগঠন কনফেডারেশন অফ স্টেট গভর্নমেন্ট এমপ্লয়িজের সাধারণ সম্পাদক মলয় মুখোপাধ্যায় দাবি করেছেন, ডিএয়ের বঞ্চনা ক্রমশ বেড়ে যাচ্ছে। মন ভোলানোর জন্য মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকার যদি ভোটের আগে এক কিস্তির ডিএ দেয়, তাতে লাভ হবে না বলে দাবি করেছেন রাজ্য সরকারি কর্মচারীদের সংগঠন কনফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক।
তাঁর কথায়, 'রাজ্যে চলতে থাকা ষষ্ঠ বেতন কমিশনে কেন্দ্রের থেকে ডিয়ের ফারাক ২০২৬ সালের ১ জানুয়ারি পর্যন্ত ৪২ শতাংশ হতে চলেছে। মাত্রাহীন ডিএ বঞ্চনা। ২০২৫ সালের ১ জানুয়ারি এইরাজ্যে এক কিস্তি বা চার শতাংশ ডিএ দেওয়ার পর আর কোনও ডিএ'য়ের দেখা নেই৷ কর্মী মহলের তরফে আশা করা হয়েছিল যে ২০২৬ সালের ১ জানুয়ারি থেকে অন্তত এক কিস্তির ডিএয়ের দেখা মিলবে। কিন্তু ডিএয়ের দেখা নেই। এ বছর ভোট, কথাটা নেত্রী যেন মনে রাখেন।ভোটের আগে এপ্রিল থেকে এক কিস্তি ডিএ ছুড়ে দিলে, তাতে যে কর্মীরা বিন্দুমাত্র খুশি হবেন না, তা বলার অপেক্ষা রাখে না।'
ABOUT THE AUTHORAyan Dasঅয়ন দাস হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রোডিউসার। প্রায় এক দশক ধরে সাংবাদিকতার সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত আছেন। সাংবাদিক হিসেবে তিনি মূলত পশ্চিমবঙ্গ-সহ ভারতের রাজনীতি, সমসাময়িক ঘটনাপ্রবাহ এবং পরিকাঠামো উন্নয়ন সংক্রান্ত বিভিন্ন খবর পাঠকদের সামনে তুলে ধরেন। ট্রেন, মেট্রো, আবহাওয়া, খেলাধুলোর প্রতি বিশেষ আগ্রহ রয়েছে। নিয়মিত সেইসব বিষয়েও প্রতিবেদন লিখে থাকেন। পেশাদার অভিজ্ঞতা: কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময় দ্য টাইমস অফ ইন্ডিয়া, ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন অফ বেঙ্গল (সিএবি), স্পোর্টসকিডার মতো সংস্থায় ইন্টার্নশিপ করার পরে ২০১৮ সাল থেকে অয়নের পেশাদার জীবনের সূচনা হয়। পেশাদার সাংবাদিক জীবনের শুরুটা হয় ইটিভি ভারতে। সেখানে এক বছর দু'মাস কাজ করার পরে ২০১৯ সালের ১১ নভেম্বর যোগ দেন হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায়। চারদিন পরে আনুষ্ঠানিকভাবে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা চালু হয়। অর্থাৎ একেবারে প্রথম থেকেই হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় আছেন। বর্তমানে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে পশ্চিমবঙ্গের রাজ্য-রাজনীতি, ভারতের রাজনীতি, ট্রেন-মেট্রো-শিল্প সংক্রান্ত পরিকাঠামো-নির্ভর খবর, চাকরির খবর, ক্রিকেট-ফুটবলের মতো খেলাধুলোর খবরের প্রতিবেদন লিখে থাকেন। বিশেষ করে ব্রেকিং নিউজ, রাজনৈতিক বিশ্লেষণ এবং সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনের উপরে প্রভাব ফেলে, এমন খবর লেখার ক্ষেত্রে তিনি বিশেষভাবে পারদর্শী। শিক্ষাগত যোগ্যতা: নঙ্গী হাইস্কুল এবং নিউ আলিপুর মাল্টিপারপাস স্কুল থেকে প্রাথমিক পড়াশোনার পরে আশুতোষ কলেজ থেকে সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে অয়ন স্নাতক হয়েছেন। তারপর একই বিষয়ে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছেন। ব্যক্তিগত পছন্দ এবং নেশা: অয়ন মনেপ্রাণে পাহাড়প্রেমিক। সুযোগ পেলেই পাহাড়ে ঘুরতে চলে যান। বরফ ও তুষারপাতের প্রতি বিশেষ জায়গা রয়েছে হৃদয়ে। তাছাড়াও ভারতীয় সেনা, ভারতীয় বায়ুসেনা ও ভারতীয় নৌসেনার প্রতি বিশেষ টান রয়েছে। ভারতীয় জওয়ানদের বীরত্ব, তাঁদের লড়াই নিয়ে বই পড়তে বা তথ্যচিত্র দেখতে ভালোবাসেন। ছোটোবেলায় নিজেরও ভারতীয় সেনায় যোগ দেওয়ার ইচ্ছা ছিল।Read More
E-Paper


