WB 5th Pay Commission DA: 'নিশ্চিতভাবে বকেয়া DA মিলবে', আদালত অবমাননার নোটিশের মধ্যেই বড়সড় আশ্বাসবাণী
'নিশ্চিতভাবে পঞ্চম বেতন কমিশনের আওতায় বকেয়া মহার্ঘ ভাতা (ডিয়ারনেস অ্যালোওয়েন্স বা ডিএ) মিলবে', আদালত অবমাননার নোটিশের মধ্যেই বড়সড় আশ্বাসবাণী। গত ৫ ফেব্রুয়ারি বকেয়া ডিএ মামলার রায় দিয়েছিল সুপ্রিম কোর্ট।
সুপ্রিম কোর্টের রায়ের পরে প্রায় দু'সপ্তাহ পার হতে চলল। কিন্তু রাজ্য সরকারের তরফে কোনও উচ্চবাচ্য করা হয়নি। একটি মহলের তরফে দাবি করা হচ্ছে যে পঞ্চম বেতন কমিশনের আওতায় বকেয়া মহার্ঘ ভাতা (ডিয়ারনেস অ্যালোওয়েন্স বা ডিএ) মামলার রায়ের বিরুদ্ধে ফের সুপ্রিম কোর্টে যেতে পারে রাজ্য সরকার। সেই আবহেই রাজ্য সরকারি কর্মচারীদের সংগঠন কনফেডারেশন অফ স্টেট গভর্নমেন্ট এমপ্লয়িজের আইনজীবী ফিরদৌস শামিমের আশ্বস্ত করলেন যে শীর্ষ আদালতের নির্দেশ মেনে রাজ্য সরকারি কর্মচারীদের বকেয়া ডিএ দিতে বাধ্য হবে নবান্ন। সুপ্রিম কোর্টের রায়ের পরে রাজ্য সরকারি কর্মচারীদের সেই অধিকার কেউ খর্ব করতে পারবে না বলেও দাবি করেছেন কনফেডারেশনের আইনজীবী।

‘একেবারে স্পষ্টভাবে বলা হয়েছে….’, DA মামলা নিয়ে কী বললেন?
তাঁর কথায়, ‘রাজ্য সরকারি কর্মচারীরা জানতে চাইছেন যে আমরা এটা (সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ মতো বকেয়া ডিএ মিটিয়ে দেওয়ার বিষয়টি) আদৌও পাব কিনা। আপনি নিশ্চিতভাবেই পাবেন। কারণ আদালতের এই নির্দেশ রয়েছে। আর সেটা একেবারে স্পষ্টভাবে বলা আছে।’
‘রাজ্য সরকারি কর্মচারীদের অধিকার খর্ব করা যাবে না’
সেইসঙ্গে রাজ্য সরকারি কর্মচারীদের আইনজীবী দাবি করেছেন, সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ পালন না করলে এই সরকার কোথাও যেতে পারবে না। একেবারে সময় বেঁধে দেওয়া হয়েছে। সেটা মেনেই রাজ্য সরকারকে কাজ করতে হবে। অবিলম্বে ২৫ শতাংশ বকেয়া ডিএ মিটিয়ে দিতে হবে রাজ্যকে। বাকি ৭৫ শতাংশ ডিএ মিটিয়ে দিতে হবে কমিটির নির্দেশ মতো। রাজ্য সরকারি কর্মচারীদের এই অধিকারকে কেউ খর্ব করতে পারে না বলে দাবি করেছেন রাজ্য সরকারি কর্মচারীদের আইনজীবী।
রাজ্যকে আদালত অবমাননার নোটিশ পাঠালেন রাজ্য সরকারি কর্মীরা
তারইমধ্যে রাজ্য সরকারকে আদালত অবমাননার নোটিশ পাঠানো হয়েছে কনফেডারেশন এবং সংগ্রামী যৌথ মঞ্চের তরফে। সংগ্রামী যৌথ মঞ্চের আহ্বায়ক ভাস্কর ঘোষ বলেছেন, ‘সংগ্রামী যৌথ মঞ্চের পক্ষ থেকে ডিএ মামলায় মুখ্যসচিব ও অর্থ সচিবকে আদালত অবমাননার নোটিশ পাঠানো হল। এই অবমাননার নোটিশ মূলত তৎক্ষণাৎ ২৫ শতাংশ বকেয়া মহার্ঘ ভাতা মেটানোর যে কথা বলা হয়েছিল তার প্রেক্ষিতে পাঠানো। সুপ্রিম কোর্টের রায় বেরোনোর আটদিনের বেশি অতিক্রান্ত হওয়ার পরেও বকেয়া মেটানোর জন্য কোনওরকম কোনও বৈঠক বা সদিচ্ছা সরকারের পক্ষ থেকে দেখতে না পেয়ে সংগ্রামী যৌথ মঞ্চের পক্ষ থেকে এই পদক্ষেপ গ্রহণ করা হল।’
ABOUT THE AUTHORAyan Dasঅয়ন দাস হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রোডিউসার। প্রায় এক দশক ধরে সাংবাদিকতার সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত আছেন। সাংবাদিক হিসেবে তিনি মূলত পশ্চিমবঙ্গ-সহ ভারতের রাজনীতি, সমসাময়িক ঘটনাপ্রবাহ এবং পরিকাঠামো উন্নয়ন সংক্রান্ত বিভিন্ন খবর পাঠকদের সামনে তুলে ধরেন। ট্রেন, মেট্রো, আবহাওয়া, খেলাধুলোর প্রতি বিশেষ আগ্রহ রয়েছে। নিয়মিত সেইসব বিষয়েও প্রতিবেদন লিখে থাকেন। পেশাদার অভিজ্ঞতা: কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময় দ্য টাইমস অফ ইন্ডিয়া, ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন অফ বেঙ্গল (সিএবি), স্পোর্টসকিডার মতো সংস্থায় ইন্টার্নশিপ করার পরে ২০১৮ সাল থেকে অয়নের পেশাদার জীবনের সূচনা হয়। পেশাদার সাংবাদিক জীবনের শুরুটা হয় ইটিভি ভারতে। সেখানে এক বছর দু'মাস কাজ করার পরে ২০১৯ সালের ১১ নভেম্বর যোগ দেন হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায়। চারদিন পরে আনুষ্ঠানিকভাবে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা চালু হয়। অর্থাৎ একেবারে প্রথম থেকেই হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় আছেন। বর্তমানে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে পশ্চিমবঙ্গের রাজ্য-রাজনীতি, ভারতের রাজনীতি, ট্রেন-মেট্রো-শিল্প সংক্রান্ত পরিকাঠামো-নির্ভর খবর, চাকরির খবর, ক্রিকেট-ফুটবলের মতো খেলাধুলোর খবরের প্রতিবেদন লিখে থাকেন। বিশেষ করে ব্রেকিং নিউজ, রাজনৈতিক বিশ্লেষণ এবং সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনের উপরে প্রভাব ফেলে, এমন খবর লেখার ক্ষেত্রে তিনি বিশেষভাবে পারদর্শী। শিক্ষাগত যোগ্যতা: নঙ্গী হাইস্কুল এবং নিউ আলিপুর মাল্টিপারপাস স্কুল থেকে প্রাথমিক পড়াশোনার পরে আশুতোষ কলেজ থেকে সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে অয়ন স্নাতক হয়েছেন। তারপর একই বিষয়ে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছেন। ব্যক্তিগত পছন্দ এবং নেশা: অয়ন মনেপ্রাণে পাহাড়প্রেমিক। সুযোগ পেলেই পাহাড়ে ঘুরতে চলে যান। বরফ ও তুষারপাতের প্রতি বিশেষ জায়গা রয়েছে হৃদয়ে। তাছাড়াও ভারতীয় সেনা, ভারতীয় বায়ুসেনা ও ভারতীয় নৌসেনার প্রতি বিশেষ টান রয়েছে। ভারতীয় জওয়ানদের বীরত্ব, তাঁদের লড়াই নিয়ে বই পড়তে বা তথ্যচিত্র দেখতে ভালোবাসেন। ছোটোবেলায় নিজেরও ভারতীয় সেনায় যোগ দেওয়ার ইচ্ছা ছিল।Read More
E-Paper


