WB 6th Pay Commission DA Latest Update: কার্যকর হয়নিষষ্ঠ বেতন কমিশনের পার্ট ২, ডিএ ইস্যুতে জোড়া পদক্ষেপ সরকারি কর্মীদের
ফেব্রুয়ারি মাসের প্রথম বা দ্বিতীয় সপ্তাহে নবান্ন অভিযানের ডাক দিতে পারে সংগ্রামী যৌথ মঞ্চ। এদিকে জানুয়ারির প্রথম সপ্তাহেই রাজ্যপালের সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে চেয়ে আবেদন করা হয়েছে সংগ্রামী যৌথ মঞ্চের চিঠিতে।
পশ্চিমবঙ্গে সরকারি কর্মীদের ডিএ আন্দোলন নতুন করে শুরু হতে চলেছে নির্বাচনের মুখে। এই আবহে সরকারের বিরুদ্ধে জোড়াফলা কর্মচারীদের। রিপোর্ট অনুযায়ী, ন্যায্য ডিএ, ষষ্ঠ বেতন কমিশনের পার্ট ২ কার্যকর সহ একাধিক দাবিতে নবান্ন অভিযানের তোড়জোড় শুরু করেছে সংগ্রামী যৌথ মঞ্চ। এছাড়া রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোসকেও চিঠি দিয়েছে সরকারি কর্মীদের এই সংগঠন। বিভিন্ন ইস্যু নিয়ে রাজ্যপালের সঙ্গে সম্মুখ সাক্ষতের আবেদন জানানো হয়েছে ডিএ আন্দোলনকারীদের তরফ থেকে।

জানা গিয়েছে, ফেব্রুয়ারি মাসের প্রথম বা দ্বিতীয় সপ্তাহে নবান্ন অভিযানের ডাক দিতে পারে সংগ্রামী যৌথ মঞ্চ। সেদিন কোনও অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটলে সেই দায় সরকারের হবে বলেও দাবি করেছে আন্দোলনকারী সরকারি কর্মীরা। এরই মাঝে জানুয়ারির প্রথম সপ্তাহেই রাজ্যপালের সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে চেয়ে আবেদন করা হয়েছে সংগ্রামী যৌথ মঞ্চের চিঠিতে। এরই সঙ্গে সেই চিঠিতে নিজেদের নানা দফার উল্লেখ করেছেন সরকারি কর্মীরা। ভাস্করবাবুরা এই সব সমস্যা নিরসনে রাজ্যপালের হস্তক্ষেপের দাবি জানিয়েছেন।
জানা গিয়েছে, সরকারি কর্মীদের দাবি, সপ্তম বেতন কমিশন কার্যকর করতে হবে রাজ্যে। এদিকে অভিযোগ, এখনও পর্যন্ত রাজ্যে ষষ্ঠ বেতন কমিশনের পার্ট ২ পর্যন্ত কার্যকর হয়নি। এদিকে অল ইন্ডিয়া কনজিউমার প্রাইস ইন্ডেক্সের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে ডিএ মেটানোর দাবি জানাচ্ছে সংগ্রামী যৌথ মঞ্চ। এরই সঙ্গে ডিএ আন্দোলনকারীদের দাবি, দীর্ঘদিন ধরে কাজ করা যোগ্য চুক্তিভিত্তিক এবং পার্টটাইম কর্মীদের চাকরি স্থায়ী করা হোক। এছাড়া প্রায় ছয় লক্ষ শূন্যপদে দুর্নীতি বিহীন ভাবে কর্মী নিয়োগের দাবিও জানানো হয়েছে সংগঠনের তরফ থেকে।
এদিকে রাজ্য সরকারি কর্মীরা পঞ্চম বেতন কমিশনের অধীনে বকেয়া ডিএ পাওয়ার আশায় সুপ্রিম কোর্টের দিকে তাকিয়ে আছেন। শীঘ্রই সেই মামলায় রায়দানের সম্ভাবনা আছে। উল্লেখ্য, গত ১৬ মে সুপ্রিম কোর্ট নির্দেশ দিয়েছিল, পঞ্চম বেতন কমিশন অনুযায়ী বকেয়া ডিএ-র ২৫ শতাংশ মিটিয়ে দিতে হবে রাজ্য সরকারকে। এর জন্য সময়সীমা শেষ হওয়ার কথা ছিল ২৭ জুন। সেদিনই সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয়ে ডিএ মেটানোর সময়সীমা বাড়ানোর আবেদন জানিয়েছিল রাজ্য। এদিকে এর আগে রাজ্য সরকার সুপ্রিম কোর্টে জানিয়েছিল যে তারা ২০০৮ সালের ১লা এপ্রিল থেকে ২০১৯ সালের ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত সময়কালের বকেয়া ডিএ-কে মান্যতা দিচ্ছে। তবে এতকিছুর মধ্যে ডিএ মামলার চূড়ান্ত শুনানি সম্পন্ন হয়েছে।
প্রসঙ্গত, দীর্ঘ ২ বছরেরও বেশি সময় ধরে সুপ্রিম কোর্টে ঝুলে আছে পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য সরকার কর্মীদের বকেয়া ডিএ মামলা। প্রসঙ্গত, সুপ্রিম কোর্টে রাজ্য সরকারি কর্মচারীদের ডিএ সংক্রান্ত যে মামলাটি চলছে, সেটা পঞ্চম বেতন কমিশন সংক্রান্ত। ২০১৬ সাল থেকে সেই মামলা চলছে। এই মামলাটি স্টেট অ্যাডমিনিস্ট্রেটিভ ট্রাইবুনাল, কলকাতা হাইকোর্ট হয়ে সুপ্রিম কোর্টে এসেছে। প্রথমে স্যাটে জয় পেয়েছিল রাজ্য সরকার। তারপর থেকে প্রতিটি ক্ষেত্রে জয় পেয়েছেন রাজ্য সরকারি কর্মচারীরা।
ABOUT THE AUTHORAbhijit Chowdhury২০২১ সাল থেকে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন অভিজিৎ চৌধুরী। ২০১৮ সালে সালে তাঁর পেশাদার জীবনের শুরু। জাতীয়, আন্তর্জাতিক বিষয়, বাংলার রাজনীতি এবং খেলাধুলোর বিষয়ে লেখার ক্ষেত্রে ৮ বছরের অভিজ্ঞতা রয়েছে তাঁর। আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে আমেরিকা, পাকিস্তান এবং বাংলাদেশের বিষয়ে তাঁর আগ্রহ সবচেয়ে বেশি। কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সাংবাদিকতায় স্নাতকোত্তর ডিগ্রি পাশ করেই সাংবাদিকতার জগতে প্রবেশ করেছেন অভিজিৎ। হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় যোগদানের আগে ওয়ানইন্ডিয়া এবং ইটিভি ভারতে কাজ করার অভিজ্ঞতা রয়েছে অভিজিতের। এছাড়া আকাশবাণীতে রেডিও জকি হিসেবেও কাজ করেছিলেন তিনি। খবরের জগৎ ছাড়া খেলাধুলো, ইতিহাসে অভিজিতের আগ্রহ রয়েছে। শিক্ষাগত যোগ্যতা: সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন নিয়ে অভিজিৎ তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন আশুতোষ কলেজ থেকে। এরপর কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে একই বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: ক্রিকেট, ফুটবল, টেনিস ছাড়া প্রায় সব ধরনের খেলা দেখতে তিনি ভীষণ ভালোবাসেন। কাজের বাইরে তাঁর অবসর কাটে বই পড়ে এবং বিভিন্ন বিষয়ে ডকুমেন্টারি দেখে।Read More
E-Paper


