WB 7th Pay Commission Update: সরকারি কর্মীদের জন্য আপডেট,ঘোষণার ৮ দিনের মাথায় সপ্তম বেতন কমিশনে বড় বদল শুভেন্দুর সরকারে

পে কমিশনের চেয়ারম্যান পদে বদল আনল রাজ্য সরকার। অবসরপ্রাপ্ত আইএএস অফিসার এবং অর্থমন্ত্রকের প্রাক্তন সচিব অতনু চক্রবর্তীর পরিবর্তে এবার কমিশনের নেতৃত্বে থাকবেন প্রাক্তন আইএএস অফিসার নবীন প্রকাশ। মাত্র আট দিনের ব্যবধানে এই পরিবর্তন হওয়ায় বিষয়টি নিয়ে প্রশাসনিক মহলে জল্পনা শুরু হয়েছে।

Published on: Jul 30, 2026, 09:07:13 IST
Share
Share via
  • facebook
  • twitter
  • linkedin
  • whatsapp
Copy link
  • copy link

WB State Govt Employees 7th Pay Commission: পশ্চিমবঙ্গের সপ্তম বেতন কমিশন গঠনের পর বড় প্রশাসনিক পরিবর্তন ঘটল। কমিশনের চেয়ারম্যান পদে বদল আনল রাজ্য সরকার। অবসরপ্রাপ্ত আইএএস অফিসার এবং অর্থমন্ত্রকের প্রাক্তন সচিব অতনু চক্রবর্তীর পরিবর্তে এবার কমিশনের নেতৃত্বে থাকবেন প্রাক্তন আইএএস অফিসার নবীন প্রকাশ। মাত্র আট দিনের ব্যবধানে এই পরিবর্তন হওয়ায় বিষয়টি নিয়ে প্রশাসনিক মহলে জল্পনা শুরু হয়েছে। তবে রাজ্য সরকারের তরফে স্পষ্ট জানানো হয়েছে, শুধু চেয়ারম্যান বদল ছাড়া কমিশনের কাজের পরিধি, দায়িত্ব বা নীতিগত কোনও পরিবর্তন করা হচ্ছে না।

সপ্তম পে কমিশনের চেয়ারম্যান পদে বদল আনল রাজ্য সরকার।
সপ্তম পে কমিশনের চেয়ারম্যান পদে বদল আনল রাজ্য সরকার।

গত ২২ জুলাই রাজ্য সরকার সপ্তম বেতন কমিশনের সদস্যদের নাম ঘোষণা করেছিল। অর্থ দপ্তরের বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছিল, কমিশনের চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব নেবেন অবসরপ্রাপ্ত আইএএস অফিসার তথা কেন্দ্রের অর্থমন্ত্রকের প্রাক্তন সচিব অতনু চক্রবর্তী। কিন্তু সেই ঘোষণার ঠিক আট দিনের মাথায় নতুন নির্দেশিকা জারি করে জানানো হয়েছে, কমিশনের নতুন চেয়ারম্যান হচ্ছেন নবীন প্রকাশ। যদিও এই পরিবর্তনের কারণ সম্পর্কে সরকারিভাবে কোনও ব্যাখ্যা দেওয়া হয়নি।

রাজ্যে রাজনৈতিক পালাবদলের পর থেকেই সরকারি কর্মীদের মধ্যে নতুন বেতন কমিশন এবং মহার্ঘ ভাতা (ডিএ) নিয়ে প্রত্যাশা তৈরি হয়েছিল। সেই প্রত্যাশার প্রতিফলন দেখা যায় নতুন সরকারের প্রথম বাজেটে। বাজেট পেশ করার সময় অর্থমন্ত্রী স্বপন দাশগুপ্ত এক ধাক্কায় ২০ শতাংশ ডিএ বৃদ্ধির ঘোষণা করেন। একই দিনে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী জানিয়ে দেন, খুব শীঘ্রই সপ্তম বেতন কমিশন গঠন করা হবে।

সরকারের সেই প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী ইতিমধ্যেই কমিশনের ‘টার্মস অব রেফারেন্স’ বা কাজের পরিধি এবং দায়িত্ব নির্ধারণ করা হয়েছে। কমিশনের দায়িত্ব হবে রাজ্য সরকারি, সরকার-পোষিত এবং আধা-সরকারি প্রতিষ্ঠানের কর্মীদের বেতন কাঠামো পর্যালোচনা করা। পাশাপাশি পেনশনভোগীদের পেনশন বৃদ্ধি, বিভিন্ন পদে পদোন্নতির নীতি এবং অন্যান্য আর্থিক সুবিধা সম্পর্কেও সুপারিশ করবে এই কমিশন।

সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হল, সরকারি কর্মীদের ডিএ এবং অবসরপ্রাপ্তদের ডিআর বৃদ্ধির হার নির্ধারণের সুপারিশও করবে সপ্তম বেতন কমিশন। রাজ্য সরকার কমিশনকে আগামী ছয় মাসের মধ্যে তাদের চূড়ান্ত রিপোর্ট জমা দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে। ফলে সব কিছু পরিকল্পনামাফিক চললে আগামী কয়েক মাসের মধ্যেই সরকারি কর্মীদের জন্য নতুন বেতন কাঠামো এবং অন্যান্য আর্থিক সুবিধা নিয়ে স্পষ্ট ছবি সামনে আসতে পারে।

কমিশনের কাজের পরিধিতে আরও একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় উল্লেখ করা হয়েছে। বেতন বৃদ্ধি সংক্রান্ত সুপারিশ করার আগে একই পদে কর্মরত কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মীদের বেতন কাঠামোও খতিয়ে দেখতে বলা হয়েছে। অর্থাৎ রাজ্যের নতুন বেতন কাঠামো নির্ধারণের ক্ষেত্রে কেন্দ্রের বেতন ব্যবস্থাকেও একটি গুরুত্বপূর্ণ মানদণ্ড হিসেবে বিবেচনা করা হবে।

দীর্ঘদিন ধরে নতুন বেতন কমিশনের দাবি জানিয়ে আসছিলেন রাজ্য সরকারি কর্মচারীরা। কমিশন গঠনের পাশাপাশি এবার চেয়ারম্যান নিয়োগের পরিবর্তন হলেও সরকারের দাবি, কমিশনের কাজ নির্ধারিত সময়েই এগোবে এবং কর্মীদের স্বার্থে দ্রুত সুপারিশ জমা দেওয়া হবে। ফলে বেতন কাঠামো সংশোধন, ডিএ বৃদ্ধি, পেনশন পুনর্বিন্যাস এবং পদোন্নতির নতুন নীতির অপেক্ষায় থাকা লক্ষাধিক সরকারি কর্মচারী ও পেনশনভোগীর নজর এখন সপ্তম বেতন কমিশনের দিকেই।

  • Abhijit Chowdhury
    ABOUT THE AUTHOR
    Abhijit Chowdhury

    ২০২১ সাল থেকে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন অভিজিৎ চৌধুরী। ২০১৮ সালে সালে তাঁর পেশাদার জীবনের শুরু। জাতীয়, আন্তর্জাতিক বিষয়, বাংলার রাজনীতি এবং খেলাধুলোর বিষয়ে লেখার ক্ষেত্রে ৮ বছরের অভিজ্ঞতা রয়েছে তাঁর। আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে আমেরিকা, পাকিস্তান এবং বাংলাদেশের বিষয়ে তাঁর আগ্রহ সবচেয়ে বেশি। কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সাংবাদিকতায় স্নাতকোত্তর ডিগ্রি পাশ করেই সাংবাদিকতার জগতে প্রবেশ করেছেন অভিজিৎ। হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় যোগদানের আগে ওয়ানইন্ডিয়া এবং ইটিভি ভারতে কাজ করার অভিজ্ঞতা রয়েছে অভিজিতের। এছাড়া আকাশবাণীতে রেডিও জকি হিসেবেও কাজ করেছিলেন তিনি। খবরের জগৎ ছাড়া খেলাধুলো, ইতিহাসে অভিজিতের আগ্রহ রয়েছে। শিক্ষাগত যোগ্যতা: সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন নিয়ে অভিজিৎ তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন আশুতোষ কলেজ থেকে। এরপর কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে একই বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: ক্রিকেট, ফুটবল, টেনিস ছাড়া প্রায় সব ধরনের খেলা দেখতে তিনি ভীষণ ভালোবাসেন। কাজের বাইরে তাঁর অবসর কাটে বই পড়ে এবং বিভিন্ন বিষয়ে ডকুমেন্টারি দেখে।Read More