WB Election 2026 Result Prediction: তৃণমূলের আসন বাড়বে, বিজেপি ৩০-ও পেরোবে না, বড় পূর্বাভাস বিধানসভা ভোটের আগেই!
আগামী মার্চে পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনের নির্ঘণ্ট ঘোষণা করা হতে পারে। আপাতত যা ইঙ্গিত মিলেছে, তাতে চার দফায় বিধানসভা নির্বাচন হতে পারে। যদিও সরকারিভাবে কিছু জানানো হয়নি নির্বাচন কমিশনের তরফে। তারইমধ্যে ফলাফলের পূর্বাভাস দেওয়া হচ্ছে।
এবার বিধানসভা নির্বাচনে তৃণমূল কংগ্রেসের আসন সংখ্যা আরও বৃদ্ধি পাবে বলে দাবি করলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সংবাদমাধ্যম এবিপি আনন্দের সাক্ষাৎকারে তৃণমূল সুপ্রিমো বলেন, ‘মানুষের উপরে বিশ্বাস, ভরসা, আস্থা সবটাই আছে। মা-মাটি-মানুষই তৃণমূল কংগ্রেসের ভরসা। আর শীত-গ্রীষ্ম-বর্ষা - তৃণমূল কংগ্রেসই মানুষের ভরসা। (আসন সংখ্যা) বাড়বে। ওরা এসআইআরের নামে মানুষের উপরে যে অত্যাচার করেছে, ধর্মে-ধর্মে আগুন লাগিয়েছে, হিংসা লাগিয়েছে, আজ আদিবাসী ছেলেমেয়েদের উপরে যেভাবে অত্যাচার করা হচ্ছে, (সেটা মানুষ ভুলে যাননি)।’ সেইসঙ্গে তিনি দাবি করেন, বিজেপির অঙ্গুলিহেলনে সমাজের সর্বস্তরের মানুষের উপরে যেভাবে অত্যাচার চলছে, তার জবাব ইভিএমে পাবে পদ্মশিবির।

২৫০ আসনের লক্ষ্যমাত্রা বেঁধে দিয়েছেন অভিষেক
তবে তৃণমূলের আসন কত বাড়বে, তা খোলসা করেননি তৃণমূল সুপ্রিমো। ২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনে তৃণমূল পেয়েছিল ২১৩টি আসন। আর বিজেপির ঝুলিতে ৭৭টি আসন গিয়েছিল। তবে পরবর্তীতে উপ-নির্বাচন, পদ্মশিবিরের বিধায়কদের ভাঙনের মতো কারণে তৃণমূলের আসন সংখ্যা খাতায়কলমে আরও বেশি রয়েছে। তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় তো ২৫০ আসনের লক্ষ্যমাত্রা বেঁধে দিয়েছেন। অর্থাৎ বিজেপির আসন সংখ্যা গতবারেরও অর্ধেক হয়ে যাবে বলে দাবি করেছেন অভিষেক।
বিজেপির আসন সংখ্যা ৩০-র নীচে নেমে যাবে, দাবি কুণালের
যে সুরটা শোনা গিয়েছে কুণাল ঘোষের গলাতেও। সোমবার তৃণমূল নেতা দাবি করেছেন, ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনে বিজেপির আসন সংখ্যা ৩০ পেরোবে না। পশ্চিমবঙ্গের ২৯৪টি বিধানসভা কেন্দ্রের সব বুথে লোকই বসাতে পারবে না। এমনই অবস্থা হবে যে নয়া বিধানসভায় বিরোধী দলনেতার পদও পাবে না বিজেপি। বরং বিপুল সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে ক্ষমতায় ফিরবেন মুখ্যমন্ত্রী। আবারও পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী হবেন বলে দাবি করেছেন কুণাল।
পশ্চিমবঙ্গে ভোটের তোড়জোড়
তবে যে নির্বাচনকে ঘিরে এত আলোচনা, তার ঘোষণা হতে পারে মার্চের প্রথম বা দ্বিতীয় সপ্তাহ নাগাদ। সূত্রের খবর, আগামী ১ মার্চ এবং ২ মার্চ রাজ্যে আসছে নির্বাচন কমিশনের ফুল বেঞ্চ। যদি ঐক্যমত তৈরি হয়, তাহলে সেই সফরের পরই পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনের নির্ঘণ্ট ঘোষণা করে দেওয়া হবে। বাদসংস্থা পিটিআইয়ের প্রতিবেদন অনুযায়ী, রাজ্য মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের দফতরের (সিইও) এক অফিসার জানিয়েছেন যে কত কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী পাওয়া যায়, তার উপরে নির্ভর করছে যে কত দফায় পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা ভোট হবে। কত কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী পাওয়া যাবে, তা আপাতত খতিয়ে দেখছেন নির্বাচন কমিশনের আধিকারিকরা।
ABOUT THE AUTHORAyan Dasঅয়ন দাস হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রোডিউসার। প্রায় এক দশক ধরে সাংবাদিকতার সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত আছেন। সাংবাদিক হিসেবে তিনি মূলত পশ্চিমবঙ্গ-সহ ভারতের রাজনীতি, সমসাময়িক ঘটনাপ্রবাহ এবং পরিকাঠামো উন্নয়ন সংক্রান্ত বিভিন্ন খবর পাঠকদের সামনে তুলে ধরেন। ট্রেন, মেট্রো, আবহাওয়া, খেলাধুলোর প্রতি বিশেষ আগ্রহ রয়েছে। নিয়মিত সেইসব বিষয়েও প্রতিবেদন লিখে থাকেন। পেশাদার অভিজ্ঞতা: কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময় দ্য টাইমস অফ ইন্ডিয়া, ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন অফ বেঙ্গল (সিএবি), স্পোর্টসকিডার মতো সংস্থায় ইন্টার্নশিপ করার পরে ২০১৮ সাল থেকে অয়নের পেশাদার জীবনের সূচনা হয়। পেশাদার সাংবাদিক জীবনের শুরুটা হয় ইটিভি ভারতে। সেখানে এক বছর দু'মাস কাজ করার পরে ২০১৯ সালের ১১ নভেম্বর যোগ দেন হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায়। চারদিন পরে আনুষ্ঠানিকভাবে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা চালু হয়। অর্থাৎ একেবারে প্রথম থেকেই হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় আছেন। বর্তমানে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে পশ্চিমবঙ্গের রাজ্য-রাজনীতি, ভারতের রাজনীতি, ট্রেন-মেট্রো-শিল্প সংক্রান্ত পরিকাঠামো-নির্ভর খবর, চাকরির খবর, ক্রিকেট-ফুটবলের মতো খেলাধুলোর খবরের প্রতিবেদন লিখে থাকেন। বিশেষ করে ব্রেকিং নিউজ, রাজনৈতিক বিশ্লেষণ এবং সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনের উপরে প্রভাব ফেলে, এমন খবর লেখার ক্ষেত্রে তিনি বিশেষভাবে পারদর্শী। শিক্ষাগত যোগ্যতা: নঙ্গী হাইস্কুল এবং নিউ আলিপুর মাল্টিপারপাস স্কুল থেকে প্রাথমিক পড়াশোনার পরে আশুতোষ কলেজ থেকে সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে অয়ন স্নাতক হয়েছেন। তারপর একই বিষয়ে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছেন। ব্যক্তিগত পছন্দ এবং নেশা: অয়ন মনেপ্রাণে পাহাড়প্রেমিক। সুযোগ পেলেই পাহাড়ে ঘুরতে চলে যান। বরফ ও তুষারপাতের প্রতি বিশেষ জায়গা রয়েছে হৃদয়ে। তাছাড়াও ভারতীয় সেনা, ভারতীয় বায়ুসেনা ও ভারতীয় নৌসেনার প্রতি বিশেষ টান রয়েছে। ভারতীয় জওয়ানদের বীরত্ব, তাঁদের লড়াই নিয়ে বই পড়তে বা তথ্যচিত্র দেখতে ভালোবাসেন। ছোটোবেলায় নিজেরও ভারতীয় সেনায় যোগ দেওয়ার ইচ্ছা ছিল।Read More
E-Paper


