WB Assembly Election: নির্বাচনের আগেই 'ভোটপরবর্তী হিংসার' উস্কানি? মমতার প্রচারেই নিষেধাজ্ঞার দাবি
গেরুয়া শিবিরের দাবি, মমতার প্রচারের ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি করা হোক। এই দাবি জানিয়ে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী কিরেণ রিজিজু এবং সুকান্ত মজুমদার নির্বাচন কমিশনের অফিসে যান। অভিযোগ, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেছেন, 'ভোটের পর রাজ্যে 'বিজেপি করি না' বলে মুচলেকা দিতে বাধ্য করা হবে মানুষজনকে।'
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের উস্কানিমূলক এক মন্তব্য ঘিরে সম্প্রতি একটি রিপোর্ট তলব করেছিল নির্বাচন কমিশন। আর এবার মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের অন্য এক মন্তব্যের পরিপ্রেক্ষিতে নির্বাচন কমিশনের দ্বারস্থ হল বিজেপি। গেরুয়া শিবিরের দাবি, মমতার প্রচারের ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি করা হোক। এই দাবি জানিয়ে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী কিরেণ রিজিজু এবং সুকান্ত মজুমদার নির্বাচন কমিশনের অফিসে যান। অভিযোগ, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেছেন, 'ভোটের পর রাজ্যে 'বিজেপি করি না' বলে মুচলেকা দিতে বাধ্য করা হবে মানুষজনকে।'

সুকান্ত মজুমদার এই নিয়ে বলেন, 'একজন সিটিং মুখ্যমন্ত্রী নাকি বলছেন, ভোটের পর যাঁরা বিজেপিকে ভোট দেবেন, তাঁদেরকে বাড়ির বাইরে প্ল্যাকার্ড লাগাতে হবে, আমি বিজেপি করি না। মানে এমন একটা পরিস্থিতি তৈরি করা হবে, যাতে সকলে বাড়ির সামনে ডিক্লারেশন দেন, যে সেই ব্যক্তি বিজেপি করেন না, বিজেপি সাপোর্টও করি না। এই ধরনের পরিস্থিতি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তৈরি করার চেষ্টা করছেন। প্রত্যেক ভোটারকে ভয় দেখানো হচ্ছে। প্রতিনিয়ত বলা হচ্ছে নির্বাচন কমিশন তো ক’দিনের জন্য... মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যখন বুঝে গিয়েছেন হারছেন, বাংলার জনগণ তাঁকে হারাবেন এবার। সেই হারের ভয়ে এই ধরনের কথা বলছেন তিনি। ভোটারকে ভয় পাওয়ার চেষ্টা করছেন।'
বিজেপি নির্বাচন কমিশনের কাছে মোট ৬টি দাবি তুলে ধরেছে বলে জানা গিয়েছে। সুকান্ত বলেন, 'ন্যায় সংহিতা অনুসারে তিনি থ্রেট করেছেন, জীবনহানির থ্রেটও দিয়েছেন, তার জন্য তাঁর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার আবেদন জানিয়েছি। তাঁকে প্রচার থেকে বাদ দেওয়ার আবেদন জানিয়েছি।' প্রসঙ্গত, গত ২৫ মার্চের ভাষণে মমতা কী বলেছিলেন, 'আমার প্রার্থীকে বলে দিয়ে গিয়েছে, ওকে নাকি গাছে বেঁধে পেটাবে। আমি বলছি, এসব করতে যেও না। নির্বাচনের পরে পোস্টার লাগিয়ে বলতে হবে, আমি বিজেপি করি না।' এই আবহে নির্বাচন কমিশনে মমতার নামে নালি করায় তৃণমূল পালটা বলছে, বিজেপি মমতাকে ভয় পাচ্ছে।
ABOUT THE AUTHORAbhijit Chowdhury২০২১ সাল থেকে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন অভিজিৎ চৌধুরী। ২০১৮ সালে সালে তাঁর পেশাদার জীবনের শুরু। জাতীয়, আন্তর্জাতিক বিষয়, বাংলার রাজনীতি এবং খেলাধুলোর বিষয়ে লেখার ক্ষেত্রে ৮ বছরের অভিজ্ঞতা রয়েছে তাঁর। আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে আমেরিকা, পাকিস্তান এবং বাংলাদেশের বিষয়ে তাঁর আগ্রহ সবচেয়ে বেশি। কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সাংবাদিকতায় স্নাতকোত্তর ডিগ্রি পাশ করেই সাংবাদিকতার জগতে প্রবেশ করেছেন অভিজিৎ। হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় যোগদানের আগে ওয়ানইন্ডিয়া এবং ইটিভি ভারতে কাজ করার অভিজ্ঞতা রয়েছে অভিজিতের। এছাড়া আকাশবাণীতে রেডিও জকি হিসেবেও কাজ করেছিলেন তিনি। খবরের জগৎ ছাড়া খেলাধুলো, ইতিহাসে অভিজিতের আগ্রহ রয়েছে। শিক্ষাগত যোগ্যতা: সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন নিয়ে অভিজিৎ তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন আশুতোষ কলেজ থেকে। এরপর কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে একই বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: ক্রিকেট, ফুটবল, টেনিস ছাড়া প্রায় সব ধরনের খেলা দেখতে তিনি ভীষণ ভালোবাসেন। কাজের বাইরে তাঁর অবসর কাটে বই পড়ে এবং বিভিন্ন বিষয়ে ডকুমেন্টারি দেখে।Read More
E-Paper


