EVM Strongroom: '২ কোটি দিচ্ছি…', ইভিএম স্ট্রংরুমে ঢুকতে চেয়ে কেন্দ্রীয় বাহিনীর সাথে বচসায় TMC MLA, গালিগালাজ পুলিশকে
Jangipur EVM Strongroom: শুক্রবার রাতে জঙ্গিপুর পলিটেকনিক কলেজে পৌঁছে যান সাগরদিঘির বিদায়ী বিধায়ক বায়রন বিশ্বাস। সেখানে কেন্দ্রীয় বাহিনী এবং পুলিশের সঙ্গে বচসায় জড়ান তিনি। তিনি অভিযোগ করেন, ইচ্ছে করে সিসিটিভি ক্যামেরা বন্ধ করে দেওয়া হচ্ছে স্ট্রংরুমে। এই আবহে স্ট্রংরুমে ঢুকতে চান তিনি।
Jangipur EVM Strongroom: ভোট সম্পন্ন হয়েছে মোটের ওপর নির্বিঘ্নে। তবে চাপা উত্তেজনা রয়েছে এখনও। এই আবহে স্ট্রংরুমে সিসিটিভি ক্যামেরা বন্ধ রয়েছে বলে অভিযোগ করে শুক্রবার রাতে জঙ্গিপুর পলিটেকনিক কলেজে দলবল নিয়ে পৌঁছে যান সাগরদিঘির বিদায়ী বিধায়ক ও তৃণমূল প্রার্থী বায়রন বিশ্বাস। সেখানে কেন্দ্রীয় বাহিনী এবং পুলিশের সঙ্গে বচসায় জড়ান তিনি। তিনি অভিযোগ করেন, ইচ্ছে করে সিসিটিভি ক্যামেরা বন্ধ করে দেওয়া হচ্ছে স্ট্রংরুমে। এই পরিস্থিতিতে নির্বাচন কমিশনের দিকে আঙুল তোলেন তিনি। স্ট্রংরুমে ঢুকতে চান তিনি। এদিকে পুলিশ নিয়ে বায়রন মন্তব্য করলেন, 'কত টাকায় বিক্রি হলি? ৫০ লাখ, ১ কোটি? তোকে ২ কোটি দিচ্ছি আমি, বিক্রি কেন হলি? বাংলায় থাকবি না?'

অভিযোগ, বারংবার স্ট্রংরুমের সিসিটিভি ক্যামেরা নাকি বন্ধ হয়ে যাচ্ছিল। এই আবহে বায়রন তাঁর অনুগামীদের নিয়ে পৌঁছে যান জঙ্গিপুর পলিটেকনিক কলেজে। তিনি বলেন, 'টেকনিক্যাল ফল্ট নয়, দিল্লি ফল্টের জেরে দফায় দফায় সিসি ক্যামেরা বন্ধ হয়ে যাচ্ছে স্ট্রংরুমে।' এদিকে পুলিশকর্মীদের তৃণমূল কর্মীরা গালিগালাজও করে বলে অভিযোগ উঠেছে। জানা গিয়েছে, ফারাক্কা, শামশেরগঞ্জ, সুতি, রঘুনাথগঞ্জ, জঙ্গিপুর এবং সাগরদিঘি বিধানসভা কেন্দ্রের জন্য স্ট্রংরুম করা হয়েছে জঙ্গিপুর পলিটেকনিক কলেজকে।
রিপোর্ট অনুযায়ী, শুক্রবার রাত ১০টা নাগাদ স্ট্রংরুম পরিদর্শন করতে জঙ্গিপুর পলিটেকনিকে যান বায়রন। সেখানে তিনি অভিযোগ করেন, ভিতরের সিসিটিভি ক্যামেরার জন্য বাইরে স্ক্রিন নেই। বিষয়টি জঙ্গিপুর মহকুমা আধিকারিকদের নজরে আনলে প্রশাসন অবিলম্বে স্ক্রিন বসিয়ে দেয়। পরে বায়রন বিশ্বাস দাবি করেন, রাতে দফায় দফায় সিসিটিভি বন্ধ হয়ে গিয়েছিল। তাঁর অভিযোগ, রাত ১২টার দিকে এবং আবার রাত ১টার দিকে সিসিটিভি ক্যামেরাগুলো অল্প সময়ের জন্য কাজ করা বন্ধ করে দিয়েছিল। এই আবহে ভোর ৪টের সময় স্ট্রংরুমে ঢোকার অনুমতি চান তিনি। কিন্তু নির্বাচনী বিধি অনুযায়ী কেন্দ্রীয় বাহিনী ও রাজ্য পুলিশ তৃণমূল নেতাকে ভেতরে ঢুকতে দেয়নি। এরপরই শুরু হয় হট্টগোল। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা আধিকারিকরা সতর্ক হন।
ABOUT THE AUTHORAbhijit Chowdhury২০২১ সাল থেকে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন অভিজিৎ চৌধুরী। ২০১৮ সালে সালে তাঁর পেশাদার জীবনের শুরু। জাতীয়, আন্তর্জাতিক বিষয়, বাংলার রাজনীতি এবং খেলাধুলোর বিষয়ে লেখার ক্ষেত্রে ৮ বছরের অভিজ্ঞতা রয়েছে তাঁর। আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে আমেরিকা, পাকিস্তান এবং বাংলাদেশের বিষয়ে তাঁর আগ্রহ সবচেয়ে বেশি। কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সাংবাদিকতায় স্নাতকোত্তর ডিগ্রি পাশ করেই সাংবাদিকতার জগতে প্রবেশ করেছেন অভিজিৎ। হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় যোগদানের আগে ওয়ানইন্ডিয়া এবং ইটিভি ভারতে কাজ করার অভিজ্ঞতা রয়েছে অভিজিতের। এছাড়া আকাশবাণীতে রেডিও জকি হিসেবেও কাজ করেছিলেন তিনি। খবরের জগৎ ছাড়া খেলাধুলো, ইতিহাসে অভিজিতের আগ্রহ রয়েছে। শিক্ষাগত যোগ্যতা: সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন নিয়ে অভিজিৎ তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন আশুতোষ কলেজ থেকে। এরপর কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে একই বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: ক্রিকেট, ফুটবল, টেনিস ছাড়া প্রায় সব ধরনের খেলা দেখতে তিনি ভীষণ ভালোবাসেন। কাজের বাইরে তাঁর অবসর কাটে বই পড়ে এবং বিভিন্ন বিষয়ে ডকুমেন্টারি দেখে।Read More
E-Paper


