WB Assembly Election Vote Counting: শেষ চেষ্টা! ভোটের গণনা নিয়ে নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে হাইকোর্টে তৃণমূল
WB Assembly Election Vote Counting: নির্বাচন কমিশনের দুটি পৃথক সিদ্ধান্তকে চ্যালেঞ্জ করে বৃহস্পতিবার হাইকোর্টে জোড়া মামলা দায়ের করলেন আইনজীবী কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় ও আইনজীবী বিশ্বরূপ ভট্টাচার্য। দুটি মামলা দায়েরেরই অনুমতি মিলেছে বলে আদালতের তরফ থেকে।
WB Assembly Election Vote Counting: বিধানসভা নির্বাচনের ভোটগ্রহণ পর্ব সম্পন্ন হয়ে গিয়েছে। দ্বিতীয় দফার ইভিএমগুলো ইতিমধ্যেই স্ট্রংরুমে চলে গিয়েছে। আর কয়েকদিন পরই ভোটের ফলাফল প্রকাশিত হবে। তবে তার আগেই গণনাকেন্দ্রের বিন্যাস এবং কর্মী নিয়োগ নিয়ে আইনি জট দেখা দিল। রিপোর্ট অনুযায়ী, নির্বাচন কমিশনের দুটি পৃথক সিদ্ধান্তকে চ্যালেঞ্জ করে বৃহস্পতিবার হাইকোর্টে জোড়া মামলা দায়ের করলেন আইনজীবী কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় ও আইনজীবী বিশ্বরূপ ভট্টাচার্য।

জানা গিয়েছে, আইনজীবী কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের অভিযোগ, নির্বাচন কমিশন গণনাকেন্দ্রের সুপারভাইজার হিসেবে শুধুমাত্র কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মীদের নিয়োগের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এই আবহে তৃণমূল সাংসদের দাবি, এই পদক্ষেপ নির্বাচনী বিধি লঙ্ঘনের শামিল এবং এর ফলে গণনার নিরপেক্ষতা বিঘ্নিত হতে পারে। নিয়ম অনুযায়ী সরকারি কর্মচারীরা ভোট গণনার কাজ করতে পারেন। কিন্তু সেটা কেন্দ্রীয় বা রাজ্য সরকারির মধ্যে কাকে করতে হবে, তা নিয়ে কিছু নির্দিষ্ট করে বলা নেই। এই আবহে এবারে কেন্দ্রীয় কর্মীদের ওপরেই এই দায়িত্ব দিচ্ছে নির্বাচন কমিশন। এবং তাতেই আপত্তি তৃণমূলের।
এদিকে বিশ্বরূপ ভট্টাচার্য নিজের মামলায় অভিযোগ করেছেন গণনাকেন্দ্রের স্থান পরিবর্তন নিয়ে। তাঁর দাবি, হঠাৎ করে এভাবে গণনাকেন্দ্রের স্থান বদল করা আইনত সঠিক নয়। উল্লেখ্য, এবারে গণনাকেন্দ্রের সংখ্যা কমিয়ে কেন্দ্রীকরণের পথে হাঁটা হয়েছে। আর তাতেই আপত্তি ঘাসফুল শিবিরের। প্রসঙ্গত, তৃণমূল কংগ্রেসের তরফ থেকে পদে পদে নির্বাচন কমিশনের বিরোধিতা করা হয়েছে। এসআইআর থেকে শুরু করে আমলা পরিবর্তন, দুষ্কৃতীদের গ্রেফতারি, পর্যবেক্ষকদের এক্তিয়ারের মতো একাধিক ইস্যুতে নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে মামলা চালিয়ে গিয়েছে তৃণমূল কংগ্রেস। আর এবার নির্বাচনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ পর্যায়ে এসে ভোটের গণনা নিয়ে নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে সরব ঘাসফুল শিবির। এ যেন নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে আইনি জয়ের এক 'শেষ চেষ্টা'। রিপোর্টে বলা হয়েছে, দুটি মামলা দায়েরেরই অনুমতি মিলেছে বলে আদালতের তরফ থেকে।
ABOUT THE AUTHORAbhijit Chowdhury২০২১ সাল থেকে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন অভিজিৎ চৌধুরী। ২০১৮ সালে সালে তাঁর পেশাদার জীবনের শুরু। জাতীয়, আন্তর্জাতিক বিষয়, বাংলার রাজনীতি এবং খেলাধুলোর বিষয়ে লেখার ক্ষেত্রে ৮ বছরের অভিজ্ঞতা রয়েছে তাঁর। আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে আমেরিকা, পাকিস্তান এবং বাংলাদেশের বিষয়ে তাঁর আগ্রহ সবচেয়ে বেশি। কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সাংবাদিকতায় স্নাতকোত্তর ডিগ্রি পাশ করেই সাংবাদিকতার জগতে প্রবেশ করেছেন অভিজিৎ। হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় যোগদানের আগে ওয়ানইন্ডিয়া এবং ইটিভি ভারতে কাজ করার অভিজ্ঞতা রয়েছে অভিজিতের। এছাড়া আকাশবাণীতে রেডিও জকি হিসেবেও কাজ করেছিলেন তিনি। খবরের জগৎ ছাড়া খেলাধুলো, ইতিহাসে অভিজিতের আগ্রহ রয়েছে। শিক্ষাগত যোগ্যতা: সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন নিয়ে অভিজিৎ তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন আশুতোষ কলেজ থেকে। এরপর কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে একই বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: ক্রিকেট, ফুটবল, টেনিস ছাড়া প্রায় সব ধরনের খেলা দেখতে তিনি ভীষণ ভালোবাসেন। কাজের বাইরে তাঁর অবসর কাটে বই পড়ে এবং বিভিন্ন বিষয়ে ডকুমেন্টারি দেখে।Read More
E-Paper


