WB BJP Vote Equation: বাংলা জয়ের জন্য ১৬০টি আসনকে পাখির চোখ করল BJP, বিশেষ নজর মমতার ভবানীপুরেও

২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনে বিজেপির লক্ষ্য ছিল '২০০ পার'। যদিও শেষ পর্যন্ত ১০০ আসনের গণ্ডিও ছুঁতে পারেনি বিজেপি। আর এবারে বিজেপির নজরে বাংলার ১৬০টি আসন। পশ্চিমবঙ্গে যে সব আসনে বিজেপির জয়ের সম্ভাবনা সবচেয়ে বেশি, এমন ১৬০টি আসন ধরে ছক কষছে পদ্ম শিবির।

Published on: Feb 18, 2026, 07:54:59 IST
Share
Share via
  • facebook
  • twitter
  • linkedin
  • whatsapp
Copy link
  • copy link

২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনে বিজেপির লক্ষ্য ছিল '২০০ পার'। যদিও শেষ পর্যন্ত ১০০ আসনের গণ্ডিও ছুঁতে পারেনি বিজেপি। আর এবারে বিজেপির নজরে বাংলার ১৬০টি আসন। পশ্চিমবঙ্গে যে সব আসনে বিজেপির জয়ের সম্ভাবনা সবচেয়ে বেশি, এমন ১৬০টি আসন ধরে ছক কষছে পদ্ম শিবির। তার মধ্যে উত্তরবঙ্গে ৪৫, মধ্য বঙ্গে ৩০ ও দক্ষিণবঙ্গে ৮৫টির বেশি আসন রয়েছে। এর মধ্যে প্রায় ১২৫টি আসন বিভিন্ন সামাজিক সমীকরণের কারণে বিজেপির পক্ষে অনুকূল বলে দাবি দলের অভ্যন্তরীণ সমীক্ষায়। সেই আসনগুলির মধ্যে রয়েছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ভবানীপুর আসনটিও।

এবারে বিধানসভা নির্বাচনে বিজেপির নজরে বাংলার ১৬০টি আসন
এবারে বিধানসভা নির্বাচনে বিজেপির নজরে বাংলার ১৬০টি আসন

২০২১ সালের নির্বাচনে বিজেপি ৭৭টি আসন জিতেছিলেন। আর গত বিধানসভা নির্বাচনে বিজেপি ও তৃণমূল কংগ্রেসের মধ্যে ভোটের ব্যবধান ছিল সাড়ে ছয় শতাংশের বেশি। তবে বর্তমানে বিজেপি মনে করছে, যখন পরিবর্তনের ঢেউ আছড়ে পড়ে, তখন পুরনো পরিসংখ্যান খুব একটা গুরুত্ব পায় না। যেহেতু রাজ্যে প্রায় সব আসনেই বিজেপি এবং তৃণমূলের মধ্যে সরাসরি প্রতিদ্বন্দ্বিতা রয়েছে, তাই ম্যান্ডেট যাই হোক না কেন, তা পরিষ্কার হবে বলেই মনে করছে পদ্ম শিবির।

গতবারের বিধানসভা নির্বাচনে তৃণমূল কংগ্রেস ৪৪.৯১ শতাংশ ভোট পেয়ে ২১১টি আসন জিতেছিল। সেখানে বিজেপি ৩৮.১৫ শতাংশ ভোট নিয়ে ৭৭টি আসন জিতেছিল। সাড়ে ছয় শতাংশ ভোটের এই পার্থক্য আসনগুলিতে একটি বড় পার্থক্য তৈরি করেছিল। এই আবে বিজেপিকে 'পরিবর্তনের' জন্য এই ব্যবধান কমাতে হবে। তৃণমূলের পক্ষে যাওয়া প্রায় ৩.৫ শতাংশ ভোট বিজেপিকে নিজেদের মধ্যে টানতে হবে পদ্ম শিবিরকে।

সূত্রের খবর, এ ও বি ক্যাটাগরিতে আসনগুলিকে ভাগ করেছ বিজেপি। সেই সব ক্যাটাগরি ধরে ধরে আসনগুলির ওপর বেশি মনোনিবেশ করছে বিজেপি। এবং সি ক্যাটাগরিতে কৌশলে লড়াই করবে বিজেপি। উল্লেখ্য, এ বিভাগে বিজেপির জেতা ৭৭টি আসন রয়ছে। বি ক্যাটাগরিতে প্রায় ৫০টি আসন রয়েছে। সি ক্যাটাগরিতেও প্রায় ৫০টি আসন রয়েছে। প্রসঙ্গত, গত দুটি বিধানসভা ও দুটি লোকসভা ভোটের পরিসংখ্যান বলছে, বাংলার ২৯৪ আসনের মধ্যে ১০০টি আসনে কখনও না কখনও জিতেছে বা লিড নিয়েছে বিজেপি। এই সব আসন ছাড়াও আরও সম্ভাবনাময় কিছু আসন বি এবং সি ক্যাটাগরিতে আছে। বাকি শতাধিক আসনে স্থানীয় সমীকরণে ভোটের ঘুঁটি সাজাবে বিজেপি। সূত্র বলছে যে বিজেপি প্রায় ১৬০টি আসনের একটি তালিকা প্রস্তুত করেছে, যা তারা জিততে পারে বলে মনে করছে। এই আসনগুলিতেই দলের নেতারা সবচেয়ে বেশি প্রচার করবেন।

সূত্রের খবর, বিজেপির প্রস্তাবিত রথযাত্রার রুটও এমনভাবে তৈরি করা হবে যাতে তারা প্রায় দুশো পঁচাত্তর আসন ছুঁয়ে যেতে পারে। দলের এক বিশিষ্ট নেতা বলেছেন, সংখ্যাগরিষ্ঠতা ও পরিস্থিতির দিক থেকে বিজেপিকে এখন দুর্বল দেখাচ্ছে, কিন্তু পরিবর্তিত পরিস্থিতির ফলাফল ভিন্ন। সেই নেতার মতে, বিজেপি অনেক আগেই পশ্চিমবঙ্গের জন্য গ্রাউন্ড ওয়ার্ক শুরু করেছিল। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবারের নির্বাচনে হেরে যাবেন বলেও দাবি করেন সেই গেরুয়া নেতা। যারা পরিবর্তন চান, তারা যাতে নির্ভয়ে ভোট দিতে পারেন, সেজন্য মানুষের মধ্যে সেই অনুভূতি তৈরি করার কৌশল অবলম্বন করবে বিজেপি।

  • Abhijit Chowdhury
    ABOUT THE AUTHOR
    Abhijit Chowdhury

    ২০২১ সাল থেকে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন অভিজিৎ চৌধুরী। ২০১৮ সালে সালে তাঁর পেশাদার জীবনের শুরু। জাতীয়, আন্তর্জাতিক বিষয়, বাংলার রাজনীতি এবং খেলাধুলোর বিষয়ে লেখার ক্ষেত্রে ৮ বছরের অভিজ্ঞতা রয়েছে তাঁর। আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে আমেরিকা, পাকিস্তান এবং বাংলাদেশের বিষয়ে তাঁর আগ্রহ সবচেয়ে বেশি। কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সাংবাদিকতায় স্নাতকোত্তর ডিগ্রি পাশ করেই সাংবাদিকতার জগতে প্রবেশ করেছেন অভিজিৎ। হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় যোগদানের আগে ওয়ানইন্ডিয়া এবং ইটিভি ভারতে কাজ করার অভিজ্ঞতা রয়েছে অভিজিতের। এছাড়া আকাশবাণীতে রেডিও জকি হিসেবেও কাজ করেছিলেন তিনি। খবরের জগৎ ছাড়া খেলাধুলো, ইতিহাসে অভিজিতের আগ্রহ রয়েছে। শিক্ষাগত যোগ্যতা: সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন নিয়ে অভিজিৎ তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন আশুতোষ কলেজ থেকে। এরপর কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে একই বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: ক্রিকেট, ফুটবল, টেনিস ছাড়া প্রায় সব ধরনের খেলা দেখতে তিনি ভীষণ ভালোবাসেন। কাজের বাইরে তাঁর অবসর কাটে বই পড়ে এবং বিভিন্ন বিষয়ে ডকুমেন্টারি দেখে।Read More