WB 7th Pay Commission: DA ঘোষণা থেকে সপ্তম বেতন কমিশন গঠন করতেই হবে- বাজেটের আগে কড়া চিঠি পেল রাজ্য
ডিএ (মহার্ঘ ভাতা বা ডিয়ারনেস অ্যালোওয়েন্স) ঘোষণা করতেই হবে, সপ্তম বেতন কমিশন গঠন করতেই হবে- বাজেটের আগে কড়া চিঠি পেল রাজ্য সরকার। আগামী ৫ ফেব্রুয়ারি ভোট-অন-অ্যাকাউন্ট পেশ করা হবে। তা নিয়ে কড়া চিঠি দেওয়া হল রাজ্য সরকারকে।
বকেয়া মহার্ঘ ভাতা (ডিয়ারনেস অ্যালোওয়েন্স বা ডিএ) প্রদান থেকে সপ্তম বেতন কমিশন- অন্তর্বর্তীকালীন বাজেটের আগে একগুচ্ছ দাবি নিয়ে রাজ্য সরকারকে চিঠি দেওয়া হল শিক্ষানুরাগী ঐক্য মঞ্চের তরফে। আপাতত যা ঠিক আছে, তাতে আগামী ৫ ফেব্রুয়ারি (বৃহস্পতিবার) রাজ্য বাজেট পেশ করা হবে। এবার অবশ্য পূর্ণাঙ্গ বাজেট নয়। বিধানসভা নির্বাচনের আগে ভোট-অন-অ্যাকাউন্ট পেশ করা হবে। আর সেই অন্তর্বর্তীকালীন বাজেটে রাজ্য সরকারি কর্মচারীদের মন জয়ের জন্য সরকার একগুচ্ছ ঘোষণা করতে পারে বলে আশায় আছে সংশ্লিষ্ট মহল।

চিঠি নিয়ে কী বললেন রাজ্য সরকারি কর্মী সংগঠনের নেতা?
সেই আবহে বৃহস্পতিবার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, মুখ্যসচিব নন্দিনী চক্রবর্তীদের চিঠি পাঠিয়ে শিক্ষানুরাগী ঐক্য মঞ্চের সাধারণ সম্পাদক কিংকর অধিকারী বলেছেন, ‘রাজ্যের প্রশাসনিক পরিকাঠামো, শিক্ষা ব্যবস্থা ও জনপরিসেবা সচল রাখতে রাজ্য সরকারি কর্মচারী ও বিভিন্ন স্তরের কর্মীরা নিরলসভাবে কাজ করে চলেছেন। অথচ অত্যন্ত দুঃখের সঙ্গে লক্ষ্য করা যাচ্ছে যে দীর্ঘদিন ধরে তাঁরা আর্থিক বঞ্চনা, অনিশ্চিত ভবিষ্যৎ ও সামাজিক সুরক্ষার অভাবে ভুগছেন। এই প্রেক্ষাপটে আসন্ন রাজ্য বাজেটে কয়েকটি দাবি বাস্তবায়নের জন্য আন্তরিকভাবে আবেদন জানানো হচ্ছে।’
রাজ্য সরকারের কাছে কোন কোন দাবি জানানো হয়েছে?
১) শিক্ষানুরাগী ঐক্য মঞ্চের তরফে দাবি করা হয়েছে যে অবিলম্বে রাজ্য সরকারি কর্মচারী, শিক্ষকদের বকেয়া মহার্ঘ ভাতা মিটিয়ে দেওয়ার বিষয়ে স্পষ্টভাবে ঘোষণা করতে হবে।
২) বর্তমান মূল্যবৃদ্ধি, জীবনযাত্রার ব্যয় এবং আর্থ-সামাজিক বাস্তবতার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে সপ্তম বেতন কমিশন গঠনের ঘোষণা করতে হবে, দাবি তোলা হয়েছে শিক্ষানুরাগী ঐক্য মঞ্চের তরফে।
৩) প্যারা টিচার-সহ রাজ্যের সমস্ত দফতর কর্মরত চুক্তিভিত্তিক, অস্থায়ী কর্মীদের জন্য সম্মানজনক ও ন্যায্য বেতন কাঠামো নির্ধারণ করতে হবে। সেইসঙ্গে তাঁদের নিয়মিতকরণ এবং সময়মতো বেতন প্রদানের নিশ্চয়তা প্রদানের দাবি তোলা হয়েছে।
৪) বিদ্যালয় ও মাদ্রাসা স্তরে কর্মরত এবং অবসরপ্রাপ্ত সমস্ত শিক্ষক ও শিক্ষাকর্মীদের জন্য ওয়েস্ট বেঙ্গল হেলথ স্কিম (WBHS) চালু করার ঘোষণা করতে হবে রাজ্য সরকারকে, যাতে তাঁদের স্বাস্থ্য সুরক্ষা ও চিকিৎসা পরিষেবা নিশ্চিত হয়।
৫) শিক্ষানুরাগী ঐক্য মঞ্চের তরফে দাবি তোলা হয়েছে যে সমস্ত শূন্যপদে দুর্নীতি মুক্ত নিয়োগ করতে হবে। কর্মসংস্থান বৃদ্ধির জন্য যথাযথ উদ্যোগ গ্রহণেরও দাবি তোলা হয়েছে।
ABOUT THE AUTHORAyan Dasঅয়ন দাস হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রোডিউসার। প্রায় এক দশক ধরে সাংবাদিকতার সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত আছেন। সাংবাদিক হিসেবে তিনি মূলত পশ্চিমবঙ্গ-সহ ভারতের রাজনীতি, সমসাময়িক ঘটনাপ্রবাহ এবং পরিকাঠামো উন্নয়ন সংক্রান্ত বিভিন্ন খবর পাঠকদের সামনে তুলে ধরেন। ট্রেন, মেট্রো, আবহাওয়া, খেলাধুলোর প্রতি বিশেষ আগ্রহ রয়েছে। নিয়মিত সেইসব বিষয়েও প্রতিবেদন লিখে থাকেন। পেশাদার অভিজ্ঞতা: কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময় দ্য টাইমস অফ ইন্ডিয়া, ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন অফ বেঙ্গল (সিএবি), স্পোর্টসকিডার মতো সংস্থায় ইন্টার্নশিপ করার পরে ২০১৮ সাল থেকে অয়নের পেশাদার জীবনের সূচনা হয়। পেশাদার সাংবাদিক জীবনের শুরুটা হয় ইটিভি ভারতে। সেখানে এক বছর দু'মাস কাজ করার পরে ২০১৯ সালের ১১ নভেম্বর যোগ দেন হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায়। চারদিন পরে আনুষ্ঠানিকভাবে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা চালু হয়। অর্থাৎ একেবারে প্রথম থেকেই হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় আছেন। বর্তমানে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে পশ্চিমবঙ্গের রাজ্য-রাজনীতি, ভারতের রাজনীতি, ট্রেন-মেট্রো-শিল্প সংক্রান্ত পরিকাঠামো-নির্ভর খবর, চাকরির খবর, ক্রিকেট-ফুটবলের মতো খেলাধুলোর খবরের প্রতিবেদন লিখে থাকেন। বিশেষ করে ব্রেকিং নিউজ, রাজনৈতিক বিশ্লেষণ এবং সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনের উপরে প্রভাব ফেলে, এমন খবর লেখার ক্ষেত্রে তিনি বিশেষভাবে পারদর্শী। শিক্ষাগত যোগ্যতা: নঙ্গী হাইস্কুল এবং নিউ আলিপুর মাল্টিপারপাস স্কুল থেকে প্রাথমিক পড়াশোনার পরে আশুতোষ কলেজ থেকে সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে অয়ন স্নাতক হয়েছেন। তারপর একই বিষয়ে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছেন। ব্যক্তিগত পছন্দ এবং নেশা: অয়ন মনেপ্রাণে পাহাড়প্রেমিক। সুযোগ পেলেই পাহাড়ে ঘুরতে চলে যান। বরফ ও তুষারপাতের প্রতি বিশেষ জায়গা রয়েছে হৃদয়ে। তাছাড়াও ভারতীয় সেনা, ভারতীয় বায়ুসেনা ও ভারতীয় নৌসেনার প্রতি বিশেষ টান রয়েছে। ভারতীয় জওয়ানদের বীরত্ব, তাঁদের লড়াই নিয়ে বই পড়তে বা তথ্যচিত্র দেখতে ভালোবাসেন। ছোটোবেলায় নিজেরও ভারতীয় সেনায় যোগ দেওয়ার ইচ্ছা ছিল।Read More
E-Paper


